বন ও পরিবেশ রক্ষায় গবেষণা কার্যক্রম বাড়াবে সরকার : সৈয়দা রিজওয়ানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
বন ও পরিবেশ রক্ষায় গবেষণা কার্যক্রম বাড়াবে সরকার : সৈয়দা রিজওয়ানা

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বন ও পরিবেশ সংরক্ষণে গবেষণা ও উন্নত প্রযুক্তির উন্নত ব্যবহারে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। 

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও পরিবেশ রক্ষায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। বনজসম্পদ রক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় আধুনিক গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। টেকসই বন ব্যবস্থাপনার জন্য গবেষণার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করতে হবে।

আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রামে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি প্রাকৃতিক বনে সামাজিক বনায়নের প্রভাব বিষয়ে গবেষণা করার নির্দেশ দেন। 

বন্যপ্রাণীসহ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে গবেষণা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, বাঁশ, বেত, ভেষজ উদ্ভিদসহ অকাষ্ঠল বনজ সম্পদের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা, ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উপকূলীয় ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে গবেষণা চালিয়ে যেতে হবে।

সভায় বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক একেএম শওকত আলম মজুমদারের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিম, বাংলাদেশ ফরেস্ট একাডেমির পরিচালক মো. আমিনুল ইসলামসহ বিএফআরআই-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। 

পরে উপদেষ্টা বাংলাদেশ রাবার বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি দেশের রাবার শিল্পের টেকসই উন্নয়নে কাজ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

মোদি সরকারের সমালোচনা করে যা বললেন আসিফ নজরুল

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
মোদি সরকারের সমালোচনা করে যা বললেন আসিফ নজরুল

ভারতে মোদি সরকার মুসলমানবিরোধী আরো একটি পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। রবিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভ্যারিফায়েড পেজে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

আসিফ নজরুল বলেন, নতুন আইন পাস করে তারা মুসলমানদের ‘ওয়াক্‌ফ’ সম্পত্তি পরিচালনা বোর্ডে অমুসলিমদেরও রাখার এবং এসব সম্পত্তিতে সরকারের সরাসরি খবরদারির বিধান করেছে। এই আইন ব্যবহার করে পুরনো মসজিদসহ মুসলমানদের বহু ঐতিহাসিক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আইন উপদেষ্টা লেখেন, ভারতে হিন্দু মন্দির পরিচালনা কমিটিতে অন্য ধর্মাবলম্বীরা স্থান পান না। এই প্রশ্ন সেখানে উঠেছে যে, ওয়াক্‌ফ বোর্ডে তাহলে অমুসলিমদের রাখা হবে কেন?

তিনি আরো লেখেন, এই আইন ভারতে মুসলমান ও অন্যান্য সংখ্যালঘু ধর্মের মানুষের বিরুদ্ধে ভারতের হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর ক্রমাগত বৈষম্য ও নিপীড়নের আরেকটি অধ্যায় রচনা করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

আসিফ নজরুল বলেন, পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, এরাই আবার বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিপীড়নের ভুয়া অভিযোগ তুলে যাচ্ছে অব্যাহতভাবে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

ঈদের ছুটি শেষে খুলল সরকারি অফিস

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ঈদের ছুটি শেষে খুলল সরকারি অফিস

ঈদুল ফিতরের টানা ৯ দিনের ছুটি শেষে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরেছে মানুষ। আজ রবিবার থেকে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত অফিস খুলেছে।

সচিবালয়ে দেখা যায়, ছুটি কাটিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে এসেছেন। এ সময় একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন।

 

এর আগে গত ২৭ মার্চ খোলা ছিল এসব অফিস। পরদিন ২৮ মার্চ থেকে টানা ৯ দিনের ছুটি শুরু হয়। 

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত ২০ মার্চ উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ৩ এপ্রিল নির্বাহী আদেশে ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এ জন্য টানা ৯ দিনের ছুটি মেলে।

 

গত বছরের ১৭ অক্টোবর ঈদুল ফিতরের পাঁচ দিনের ছুটির অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ। আগে এ ছুটি ছিল তিন দিন। এরপর ২১ অক্টোবর ছুটির বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৩১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি।

ঈদের আগের দুই দিন ২৯ ও ৩০ মার্চ (শনি ও রবিবার) এবং ঈদের পরের দুই দিন ১ ও ২ এপ্রিল (মঙ্গলবার ও বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ছিল। ২৮ মার্চ (শুক্রবার) সাপ্তাহিক ছুটি। 

গত ৪ ও ৫ এপ্রিল দুই দিন (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক বন্ধ। আগের দিন ৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার হওয়ায় নির্বাহী আদেশে এ দিন ছুটি ঘোষণা করায় সরকারি চাকরিজীবীরা টানা ৯ দিন ছুটি পান। 

মন্তব্য
ইউনূস-মোদি বৈঠক

প্রেসসচিবের বক্তব্যকে ‘ক্ষতিকর’ বলছে ভারতীয় মিডিয়া

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
প্রেসসচিবের বক্তব্যকে ‘ক্ষতিকর’ বলছে ভারতীয় মিডিয়া
ফাইল ছবি

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলমের বক্তব্যকে ক্ষতিকর এবং  রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া। অসমর্থিত সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির একাধিক গণমাধ্যম একই সংবাদ প্রকাশ করেছে। 

শুক্রবার ব্যাঙ্ককে বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে যেসব বিষয়ে আলোচনা হয় তা নিজের ফেসবুকে প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

প্রেসসচিব তার পোস্টে লিখেছেন, ‘দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। বৈঠকে মোদি বলেন, শেখ হাসিনার সাথে ভারতের সুসম্পর্ক থাকাকালীন আমরা আপনার প্রতি তার (হাসিনার) অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি। কিন্তু আমরা আপনাকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়েছি।’

প্রেসসচিব আরো লিখেছেন, ‘অধ্যাপক ইউনূস যখন শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের কথা উত্থাপন করেন, তখন মোদির প্রতিক্রিয়া নেতিবাচক ছিল না।

তবে অসমর্থিত সূত্রের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলমের বক্তব্য ‘ক্ষতিকর ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’। বৈঠকে ড. ইউনূসের সঙ্গে বাংলাদেশের পতিত সরকারের সম্পর্ক নিয়ে মোদির করা মন্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয় প্রতিবেদনে। 

একই সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমটি আরো দাবি করেছে, বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের অনুরোধের বিষয়ে প্রেসসচিবের মন্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই। 

মন্তব্য

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

সরকারি সফরে রাশিয়া গেলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। চারদিনের রাশিয়া সফর শেষে আগামী ১০ এপ্রিল তিনি ক্রোয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন। রবিবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। 

সফরকালে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

পাশাপাশি দুই দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও, সেনাপ্রধান কয়েকটি সামরিক স্থাপনা এবং সমরাস্ত্র কারখানা পরিদর্শন করবেন।

সফর শেষে আগামী ১২ এপ্রিল সেনাপ্রধান বাংলাদেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ