ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৩ এপ্রিল ২০২৫
২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৩ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৩ এপ্রিল ২০২৫
২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৩ শাওয়াল ১৪৪৬

বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাস নিয়ে ইংরেজি গবেষণাগ্রন্থ ‘লুমিয়ের টু হীরালাল’

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাস নিয়ে ইংরেজি গবেষণাগ্রন্থ ‘লুমিয়ের টু হীরালাল’
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাস ও অগ্রগতির উপর রচিত ইংরেজি গবেষণাগ্রন্থ ‘লুমিয়ের টু হীরালাল’ প্রকাশ করেছেন লেখক-গবেষক মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিল। বইটি ২০২৫ সালের ঢাকা অমর একুশে বইমেলা এবং বিশ্বব্যাপী অ্যামাজন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। 

বইটি প্রকাশ করেছে ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক (ইউনেট) এবং পরিবেশনা করছে অদম্য প্রকাশ। সম্প্রতি বইটির প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হলো ঢাকার আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ-এ যেখানে এর মোড়ক উন্মোচন করেন চলচ্চিত্র গবেষক মীর শামছুল আলম বাবু।

বইটি সম্পর্কে আলতামিশ নাবিল বলেন, সিনেমার পোকা, কিন্তু চলচ্চিত্র মানেই যাদের কাছে হলিউড-বলিউড, সেই সব দর্শকের জন্য বইটি লেখা। বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে সহজ ভাষায় সিনেমা শুরুর ইতিহাস, শুরুর দিকে বিশ্বজুড়ে চলচ্চিত্র আন্দোলন বা ফিল্ম মুভমেন্ট যেগুলো চলচ্চিত্রের ভাষা বদলে দিয়েছে। এ ছাড়া ভারতবর্ষ ও বাংলাদেশে সিনেমার শুরু, বাংলাদেশি নতুন যুগের কিছু সিনেমা এবং আরো কিছু বিশ্ব চলচ্চিত্র নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে বইটিতে। বইটিকে বলা হচ্ছে: বিশ্ব চলচ্চিত্র ইতিহাস - অগ্রগতির সহজপাঠ।

কেউ যদি জানতে চান, বইটির বিশেষত্ব কী, তাঁদের উদ্দেশ্যে একটি কথাই বলব, আর তা হলো বইটি সহজবোধ্য। এটি কোনো একাডেমিক উদ্দেশ্যে লেখা হয়নি। এতে বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাস অগ্রগতির প্রাথমিক তথ্যাবলী নিয়ে লেখা হয়েছে। এর পাঠক কেবল চলচ্চিত্রে আগ্রহী সাধারণেরা।
বইটি পড়ে পাঠকদের কাছে এরপর সিনেমা শুধু বিনোদনের বিষয়বস্তু নয়, কিছুটা ভাবনারও খোরাক হবে এমনটিই আশা করছি।

বইটির নামকরণ করা হয়েছে লুমিয়ের ভাইদের নামে, যারা বিশ্বব্যাপী চলচ্চিত্র প্রদর্শনের পথিকৃৎ এবং হীরালাল সেনের নামে, যিনি ভারতীয় উপমহাদেশে সিনেমার সূচনা ঘটিয়েছিলেন। বইটির বাংলা সংস্করণ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ২০২০ সালে, আর ইংরেজি সংস্করণটি অনুবাদ করেছেন আনিশা হায়দার চৌধুরী।

বর্তমানে আলতামিশ নাবিল ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক (ইউনেট)-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও এবং মিয়াকির ম্যানেজড সার্ভিসেস বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম জাতীয় পর্যায়ের আইসিটি প্রকল্প পরিচালনা করছে।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন এবং পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং, কনটেন্ট রাইটিং, অ্যাপ মনিটাইজেশনসহ নানান বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন।

নাবিলের ইতিপূর্বে রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে মহারাজ তোমারে সেলাম, লেট দেয়ার বি লাইট, বাংলার চলচ্চিত্রপথ, অস্কারনামা, কনটেন্ট রাইটিং-এর মহারাজা ইত্যাদি। এছাড়াও, তিনি স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে একাধিক স্বল্পদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র নির্মাণ করেছেন এবং দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছেন।

বইটির প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন সাজ্জাদুল ইসলাম সায়েম। এটি পাওয়া যাচ্ছে অদম্য প্রকাশের স্টল (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, স্টল নং ৪০৯-৪১০)-এ। এছাড়াও বইটি রকমারি.কম, দেশের বিভিন্ন বইয়ের দোকান এবং বিশ্বব্যাপী অ্যামাজন.কম থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সালেক খোকনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নতুন বই ‘১৯৭১: রণাঙ্গনের লড়াই’

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
সালেক খোকনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নতুন বই ‘১৯৭১: রণাঙ্গনের লড়াই’

স্বাধীনতার মাসেই প্রকাশিত হয়েছে লেখক ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষক সালেক খোকন-এর নতুন গবেষণাগ্রন্থ ‘১৯৭১: রণাঙ্গনের লড়াই’। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অস্তিত্বের ইতিহাস, আমাদের শেকড়। উনিশ শ একাত্তরে মুক্তির লড়াইয়ে আমাদের বিজয়ের পেছনে ছিল বহু মুক্তিযোদ্ধার দুঃসাহসী অংশগ্রহণ। ‘১৯৭১: রণাঙ্গনের লড়াই’ আদতে মুক্তিযুদ্ধকালীন ১১টি সেক্টরের শতাধিক লড়াইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতি, যুদ্ধের প্রামাণ্য দলিল; সেই সাথে ৮৫টি আলোকচিত্রের এক গ্রন্থিত রূপ।

 

তৃণমূলে পাঁচ বছরের অধিককাল মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণার এক পরম ফসল এই গ্রন্থ। যেখানে লেখক মূলত যোদ্ধার চোখে দেখার চেষ্টা করেছেন মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনকে। এ গ্রন্থের রচনাগুলো শিকড়সন্ধানী ও সুখপাঠ্য কিন্তু বেদনাবহ, যা যে কোনো পাঠককে সচেতনভাবেই নিয়ে যাবে একাত্তরের গহিনে। মুক্তিযুদ্ধের অনন্যদলিল ‘১৯৭১: রণাঙ্গনের লড়াই’ সেই সব বাঙালির সংগ্রহে রাখার মতো, যারা দেশকে নিয়ে ভাবেন, দেশকে ভালোবাসেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।

‘১৯৭১: রণাঙ্গনের লড়াই’ বইটি প্রকাশ করে কথাপ্রকাশ। বইটি নিয়ে কথাপ্রকাশের কর্ণধার জসিম উদ্দিন বলেন, ‘এদেশে যে কজন গুণী মানুষ একক প্রচেষ্টায় গবেষকের দৃষ্টিতে মুক্তিযুদ্ধের বিস্মৃত ইতিহাস তুলে আনার নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে সালেক খোকন অগ্রগণ্য। নিভৃতচারী এ লেখক এক যুগেরও অধিক সময় ধরে মুক্তিযুদ্ধে আমাদের গৌরব, বেদনা ও সাহসের ইতিহাস শোনাতে ব্রতী হয়েছেন, যা ছিল অন্তরালে।বরাবরের মতো এবারও সালেক খোকনের গবেষণাধর্মী বই পাঠকদের কাছে ‍তুলে ধরতে পেরে আমরাও আনন্দিত।

তিনি আরও বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, নতুন এ বইটির লেখাগুলো পাঠককে চুম্বকের মতো নিয়ে যাবে ঐতিহাসিক একাত্তরের গহিনে, পাঠক পাবেন একটা পুরো জীবন; যে জীবন যোদ্ধার, স্বপ্নের, লড়াই ও দর্শনের। যা যে-কোনো বয়সী পাঠকের মনে উন্মেষ ঘটাবে দেশ ও মানুষের প্রতি প্রদীপ্ত অঙ্গীকার। ‘১৯৭১: রণাঙ্গনের লড়াই’ বইটি মুক্তিযুদ্ধের এক অনন্য দলিল।মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকার বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস জানার সীমাবদ্ধতা কাটাতে এ বইটি বিশেষ সহায়ক ভূমিকা রাখবে।’

সালেক খোকন তৃণমূলে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় যুক্ত রয়েছেন বহু বছর ধরে।

তাঁর রচিত ‘যুদ্ধদিনের গদ্য ও প্রামাণ্য’ গ্রন্থটি ২০১৫ সালে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক মৌলিক গবেষণাগ্রন্থ হিসেবে ‘কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক’ পুরস্কার এবং ‘৭১-এর আকরগ্রন্থ’ গ্রন্থটি ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার-২০২১ অর্জন করে। সালেক খোকনের গবেষণাগ্রন্থের সংখ্যা ৩৬টি। আর নতুন এ বইটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তার ১৬তম বই।

তার রচিত রচিত আলোচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে গৌরব ও বেদনার একাত্তর, খেতাবপ্রাপ্ত ত্রিশ বীর, বীরত্বে একাত্তর, একাত্তরের গল্পগাথা, ১৯৭১:বিজয়ের গৌরবগাথা, অপরাজেয় একাত্তর, ১৯৭১: রক্ত মাটি ও বীরের গদ্য, ১৯৭১: যাঁদের ত্যাগে এলো স্বাধীনতা, ১৯৭১: রক্তমাখা যুদ্ধকথা, ১৯৭১: যাঁদের রক্তে সিক্ত এই মাটি, যুদ্ধাহতের ভাষ্য, রক্তে রাঙা একাত্তর উল্লেখযোগ্য।

‘১৯৭১: রণাঙ্গনের লড়াই’ বইটির প্রচ্ছদ করেছেন সব্যসাচী হাজরা। ৪৮৬ পৃষ্ঠার এ বইটির মুদ্রিত মূল্য ৮০০টাকা। পাওয়া যাবে সারা দেশের বই বিপনিগুলোতে।

মন্তব্য

বিশ্ব কবিতা দিবস আজ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
বিশ্ব কবিতা দিবস আজ
সংগৃহীত ছবি

আজ বিশ্ব কবিতা দিবস। বিশ্বের আনাচকানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কবি ও কবিতা পাঠকদের দিন আজ। ১৯৯৯ সালে ২১ মার্চকে বিশ্ব কবিতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে ইউনেসকো।

এই দিবস পালনের উদ্দেশ্য হলো— বিশ্বব্যাপী কবিতা পাঠ, রচনা, প্রকাশনা ও শিক্ষাকে উৎসাহিত করা।

আরো পড়ুন

এলএনজি আনতে ৪২৭০ কোটি ঋণ নিচ্ছে সরকার, গ্যারান্টার বিশ্বব্যাংক

এলএনজি আনতে ৪২৭০ কোটি ঋণ নিচ্ছে সরকার, গ্যারান্টার বিশ্বব্যাংক

 

ইউনেসকোর অধিবেশনে এই দিবস ঘোষণা করার সময় বলা হয়েছিল, ‘এই দিবস বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কবিতা আন্দোলনগুলোকে নতুন করে স্বীকৃতি ও গতি দান করবে।’

এর আগে অক্টোবর মাসে বিশ্ব কবিতা দিবস পালন করা হতো। প্রথমদিকে কখনো কখনো ৫ অক্টোবর এই উৎসব পালিত হলেও বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে রোমান মহাকাব্য রচয়িতা ও সম্রাট অগস্টাসের রাজকবি ভার্জিলের জন্মদিন স্মরণে ১৫ অক্টোবর এই দিবস পালনের প্রথা শুরু হয়।

আরো পড়ুন

রায়পুরায় আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ২

রায়পুরায় আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ২

 

অনেক দেশে আজও অক্টোবর মাসের কোনো দিন জাতীয় বা আন্তর্জাতিক কবিতা দিবস পালন করা হয়।

এই দিবসের বিকল্প হিসেবে অক্টোবর অথবা নভেম্বর মাসের কোনো দিন কবিতা দিবস পালনেরও প্রথা আছে।

মন্তব্য

গীতিকবি সিকান্দার আবু জাফরের জন্মদিন আজ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
গীতিকবি সিকান্দার আবু জাফরের জন্মদিন আজ

প্রখ্যাত সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও গীতিকবি সিকান্দার আবু জাফরের আজ জন্মদিন। তার পুরো নাম সৈয়দ আল্ হাশেমী আবু জাফর মুহম্মদ বখ্ত সিকান্দার।

সিকান্দার আবু জাফর ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের ১৯ মার্চ (আজকের এই দিনে) সাতক্ষীরা জেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাদের আদি নিবাস ছিল পাকিস্তানের পেশোয়ারে।

সেখান থেকে তাঁর পিতামহ মাওলানা সৈয়দ আলম শাহ হাশেমী ওই গ্রামে এসে বসতি স্থাপন করেন।

আরো পড়ুন

জগন্নাথপুর-আউশকান্দি মহাসড়কে ঢাকাগামী ২ বাসে ডাকাতি

জগন্নাথপুর-আউশকান্দি মহাসড়কে ঢাকাগামী ২ বাসে ডাকাতি

 

আবু জাফর স্থানীয় তালাবিদ ইনস্টিটিউট থেকে প্রবেশিকা এবং কলকাতার রিপন কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। কলকাতার মিলিটারি অ্যাকাউন্টস বিভাগে তিনি পেশাগত জীবন শুরু করেন এবং পরে সিভিল সাপ্লাই অফিসে চাকরি করেন। সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদারের ‘গ্লোব নিউজ এজেন্সি’ নামক সংবাদ সংস্থায়ও তিনি কিছুকাল কাজ করেন।

 

আবু জাফর ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা থেকে ঢাকায় আসেন এবং বিভিন্ন সময়ে দৈনিক নবযুগ, ইত্তেফাক, সংবাদ ও মিল্লাত পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। তিনি মাসিক সমকাল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।

আরো পড়ুন

এতিমের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সমাজসেবা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

এতিমের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সমাজসেবা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

 

ষাটের দশকে পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও বাঙালি সংস্কৃতিচর্চার যে ধারা গড়ে ওঠে, আবু জাফর ছিলেন তার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি স্বাধীনতা, দেশপ্রেম ও বিপ্লবের চেতনাসম্পন্ন অনেক গান রচনা করেন।

তার রচিত ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই’ গানটি মুক্তিযুদ্ধের সময় জনগণকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। 

তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ : 

উপন্যাস পূরবী, নতুন সকাল; ছোটগল্প মাটি আর অশ্রু; কবিতা প্রসন্ন শহর, তিমিরান্তিক, বৈরী বৃষ্টিতে, বৃশ্চিক-লগ্ন, বাংলা ছাড়ো; নাটক সিরাজ-উদ-দৌলা, মহাকবি আলাউল; সঙ্গীত মালব কৌশিক।

তার অনূদিত গ্রন্থ: 

যাদুর কলস, সেন্ট লুইয়ের সেতু, রুবাইয়াৎ : ওমর খৈয়াম ইত্যাদি।

তিনি নাটকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং একুশে পদক (মরণোত্তর) লাভ করেন। ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দের ৫ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মন্তব্য

‘দেশ পাণ্ডুলিপি পুরস্কার ২০২৪’ পাচ্ছেন ২০ গুণীজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
‘দেশ পাণ্ডুলিপি পুরস্কার ২০২৪’ পাচ্ছেন ২০ গুণীজন
সংগৃহীত ছবি

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা কাজ করছেন তাদের সম্মানীত করতে বিগত বছরের মতো এবারও ‘দেশ পাণ্ডুলিপি পুরস্কার ২০২৪’ প্রদান করবে দেশ পাবলিকেশন্স। এ লক্ষ্যে পাণ্ডুলিপি আহ্বান করেছিল দেশ। এ আহ্বানে দুই শতাধিক পাণ্ডুলিপি জমা হয়। এরই মধ্য থেকে জুরি বোর্ডের মাধ্যমে প্রতিটি বিষয়ে দুই প্রজন্মের দুজন করে ১০ বিষয়ে ২০ জনকে চূড়ান্ত নির্বাচন করা হয়।

 

সম্প্রতি ‘দেশ পাণ্ডুলিপি পুরস্কার ২০২৪’ ঘোষণা করা হয়। এ বছর পুরস্কারের জন্য বিভিন্ন শাখায় মনোনীত হয়েছেন ২০ গুণীজন। বিজ্ঞপ্তিতে একজন করে দেওয়ার কথা উল্লেখ থাকলেও পরে ১০টি বিষয়ে ২০ গুণীজনকে পুরস্কার দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। এবার দেশ পাণ্ডুলিপি পুরস্কার দেওয়া হবে উপন্যাস, ছোটগল্প, কবিতা, গবেষণা, মৌলিক প্রবন্ধ, অনুবাদ, থ্রিলার, রহস্য উপন্যাস, নাটক ও কিশোর উপন্যাস, শিশুতোষ গল্প এবং ছড়া।

এবার যারা পুরস্কার পাচ্ছেন সেই গুণীজনরা হলেন— ‘অর্ধশতদল' কবিতার পাণ্ডুলিপির জন্য পুরস্কার পেয়েছেন কবি রহমান হেনরী। ‘হাতিমের শহর’-এর পাণ্ডুলিপির জন্য ফেরদৌস মাহমুদ। প্রবন্ধে পেয়েছেন দুই প্রজন্মের দুই প্রবন্ধকার ‘কবিতা নিয়ে আলাপ’ তারেক রেজা, ‘কথাসাহিত্যে আন্তর্জাতিকতা’ শাহমুব জুয়েল। কথাসাহিত্য বিভাগে উপন্যাস ‘বাউল’ সৈয়দা আঁখি হক, ‘হেরেমের আধেক চাঁদ’ মাইনুল ইসলাম মানিক।
কথাসাহিত্য ছোটগল্প ‘পরিযায়ী প্রাণ’ রুমা বসু, ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ ছোটগল্প পাণ্ডুলিপির জন্য নূরে জান্নাত। গবেষণায় পেয়েছেন দুই গবেষক ‘গোয়ালগ্রাম গণহত্যা’ পাণ্ডুলিপির জন্য ইমাম মেহেদী এবং ‘চল্লিশের দশকের লোকসাহিত্য ও লোকসংস্কৃতি’ পাণ্ডুলিপির জন্য বঙ্গ রাখাল। অনুবাদ সাহিত্য সাকার বেইট, মূল : আইজাক আসিমভ, অনুবাদ : সোহরাব সুমন ও প্রিটি লিটল কিলার, মূল : সিডনি অ্যালান, অনুবাদ : সাদিয়া ইসলাম বৃষ্টি। 

বর্তমান পাঠকের আগ্রহ থ্রিলারে। তাই এবার নতুন যুক্ত করা হয়েছে এই বিভাগ।

থ্রিলার উপন্যাস ‘কাজলরেখা রহস্য’ বিশ্বজিৎ দাস, ‘পরীতমা’ ফরিদুল ইসলাম নির্জন। এবার নাটকে পেয়েছেন দুই প্রজন্মের দুই নাট্যকার ‘একগুচ্ছ শ্রুতিনাটক’ স্বপন ভট্টাচার্য, ‘বুক পকেটে জীবন ও অন্যান্য নাটক’ আহমেদ তাওকীর। শিশুসাহিত্য কিশোর উপন্যাস ‘কুটিচাচার গোয়েন্দা অভিযান’ দীপু মাহমুদ ও ছোটগল্প ‘স্কুলে জাদুকর এসেছিল’ নুরুল ইসলাম বাবুল। ছড়া উপন্যাস ‘লাল বক সাদা বক’ মাসুম আওয়াল। ছড়ার পাণ্ডুলিপি ‘আলোর পাখি নাম জোনাকি’ দেওয়ান বাদল। 

সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রকাশক অচিন্ত্য চয়ন বলেন, ‘জানুয়ারিতে ঘোষণা দেওয়ার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণবশত হয়নি। সে জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।’ 

দেশ পাণ্ডুলিপি পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে তিনি আরো বলেন, ‘চেতনায় ঐতিহ্য’— এ স্লোগান ধারণ করে সুনামের সঙ্গেই যুগ পেরিয়ে তেরো বছরে পদার্পণ করেছে ‘দেশ’। এ সময়ের মধ্যেই প্রকাশনাশিল্পে পাণ্ডুলিপির নান্দনিক পরিচর্যায় একটি স্বতন্ত্রধারা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের সহযাত্রী হতে আমাদের এ প্রয়াস। আগামী মাসে দেশ সাহিত্য উৎসবে মনোনীতদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। দেশ পাবলিকেশন্স সব সময় তরুণদের নিয়ে কাজ করছে, আগামীতেও করতে চায়। আরেকটি বিষয় জানিয়ে রাখছি, আগে যারা নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাদের পুরস্কার চলতি বছরের সঙ্গে প্রদান করা হবে। সবাই পাশে থাকবেন আশা করছি। দেশ এগিয়ে দেতে চায় আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনাদের পরামর্শ আমাদের পথ চলাকে আরো সুগম করবে।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ