‘তব তবি তব তব তবা লি’ ভাইরাল গানের পেছনের ইতিহাস

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
‘তব তবি তব তব তবা লি’ ভাইরাল গানের পেছনের ইতিহাস
সংগৃহীত ছবি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল হয় ‘তব তবি তব তব তবা লি’ নামের একটি গান। সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করেন কিন্তু এই গান শুনেননি— এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। এ ছাড়া গানটি সবার মাঝে জনপ্রিয়ও হয়ে উঠেছে। হোক সেটা মজার ছলে।

সকল সামাজিক মাধ্যমেই ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে এই গান। ব্যবহারকারীরা এই গান দিয়ে মিম তৈরি থেকে শুরু করে মুখস্থ করে গাওয়ার ভিডিও, সবকিছুরই অনুশীলন করছেন। যদিও মনে হতে পারে গানটি খুব অর্থহীন এবং এর কোনো ঐতিহাসিক পটভূমিও নেই।

হয়তো কোনো এক অলস মস্তিষ্ক থেকে বের হয়ে এসেছে এই গান— এমন মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক।

তবে এই অর্থহীন গানের পিছনে রয়েছে বুদ্ধি ও প্রতিভার অবাক করা গল্প। তবে এটি গান হিসেবে ভাইরাল হলেও এর উৎপত্তি হয়েছে কবিতা হিসেবে। বিখ্যাত এই কবিতার আসল নাম ‘সাওতু সাফিরি বুলবুলি’ বা ‘বুলবুলির কিচিরমিচির’। আর এর কবির নাম আল আসমাই।

পৃথিবী জুড়ে গানটির খ্যাতি নতুন হলেও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায়শই গাওয়া হয় এবং ছোট বাচ্চাদের শিখানো হয় এটি। কিন্তু কিভাবে উৎপত্তি হয়েছে এই কবিতার, তা জানতে হলে যেতে হবে ১২০০ বছর আগে আব্বাসীয় যুগে। বাগদাদে তখন দ্বিতীয় আব্বাসীয় খলিফা আল-মনসুরের সভা চলে।

খলিফা আল মনসুর কবিতার প্রচণ্ড ভক্ত ছিলেন এবং তার স্মৃতিশক্তি এতোই ভালো ছিলো যে তিনি যেকোনো কবিতা শুধু একবার শুনেই মুখস্থ বলতে পারতেন।

তিনি তার সারা সাম্রাজ্যের বিভিন্ন কবিদের দরবারে নিমন্ত্রণ করে বলতেন যে যদি তারা এমন কোনো কবিতা তাকে শুনাতে পারে যা তিনি আগে কখনো শোনেননি, তাহলে সেই কবিকে যেই পাথরের খণ্ডের ওপর কবিতা লেখা হয়েছে তার সমান ওজনের স্বর্ণ পুরস্কার প্রদান করা হবে।

এই প্রস্তাবে রাজি হয়ে কবিরা অনেক পরিশ্রম করে কবিতা লিখার পর তার সামনে এসে কবিতা আবৃত্তি করলে তিনি বলতেন যে এই কবিতাটি তিনি আগে শুনেছেন।

যখন কবিরা জানাতো যে এটি তাদের মৌলিক কবিতা তখন তিনি কবিতাটি আবৃত্তি করে শুনাতেন এবং বলতেন যে আগে থেকে না জানলে কিভাবে তিনি কবিতাটি বলতে পারলেন। এভাবে অনেক কবিই তার দরবার থেকে খালি হাতে ফিরে যায়।

তবে এক সময় কবি আল আসমাই খলিফার এই কাণ্ডের কথা শুনতে পান এবং তিনি বুঝে ফেলেন খলিফার কৌশল। তিনি খলিফার দরবারে গিয়ে জানান যে তিনি এমন একটি কবিতা লিখতে পারবেন যে খলিফা আগে কখনো শুনেননি। খলিফা তাকে বলেন এমন কবিতা লিখতে পারলে যেই পাথরের ওপর কবিতা লেখা হবে তার সমান ওজনের স্বর্ণ তাকে প্রদান করা হবে।

তখন কবি আল আসমাই বুলবুলির কিচিরমিচির নামের এই কবিতাটি লিখেন। খুব অদ্ভুত বাক্য প্রণালি ও অর্থহীন শব্দ ব্যবহার করে কবিতাটি লিখা হয়। পরের দিন আল আসমাই খলিফাকে কবিতাটি শুনালে প্রথমবারের মতন খলিফা একবার শুনে কবিতাটি বলতে পারেননি।

খলিফা তখন নির্দেশ দেন যে পাথরের ওপর কবিতাটি লেখা হয়েছে সেই পাথরটি নিয়ে আসতে। কিন্তু আল আসমাই জানান যে তা তিনি একটি ভূপতিত পাথরের স্তম্ভে কবিতাটি লিখেছেন, যা কাঁধে নিতে ছয়জন শক্তসমর্থ সৈনিকের প্রয়োজন। 

খলিফা যখন বুঝতে পারলেন যে আল আসমাইকে এতো স্বর্ণ দিতে হলে তার কোষাগার খালি হয়ে যাবে। তখন আল-আসমাই বললেন, তার স্বর্ণের দরকার নেই, কিন্তু যেসব কবিরা আগে খালি হাতে ফিরে গেছে তাদের যেন তাদের প্রাপ্য স্বর্ণ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে খলিফা যেন এভাবে আর কোনো কবিকে না ঠকায়।

আরেকটি সূত্র থেকে জানা যায়, খলিফা প্রথম থেকেই জানিয়ে রাখতেন যে এমন কবিতা লিখতে হবে, যা তিনি একবার শুনেই মুখস্থ করতে পারবেন না এবং তা করতে পারলে যার ওপর কবিতাটি লেখা হবে তার সমওজনের স্বর্ণ দেওয়া হবে কবিকে। তখন আল আসমাই তার এই কবিতাটি লিখেন।

যখন আল মনসুর কবিতাটি মুখস্থ করতে পারেননি তখন তিনি কবিতাটি কোথায় লেখা হয়েছে তা জানতে চান এবং যখন দেখেন যে কবিতাটি আল আসমাইয়ের গাধার ওপর লেখা হয়েছে, তখন তিনি প্রচণ্ড বিস্মিত হন।

কিন্তু তাও তিনি এমন কবিতা লেখার জন্য আল আসমাইয়ের প্রতিভায় খুশি হন। তাই তিনি আল আসমাইকে তার গাধার ওজনের সমান স্বর্ণ প্রদান করেন।

তবে দিনশেষে মনে রাখা উচিত, এই ইতিহাসগুলো লোকমুখে চলে আসা লোকগাথা এবং এর কোনো লিখিত রূপ নেই। তাই শুনতে অন্তত চমকপ্রদ মনে হলেও চোখ বুজে বিশ্বাস না করাই ভালো।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

ভাইরাল ছবিটি কি আসলেই তামিমের?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ভাইরাল ছবিটি কি আসলেই তামিমের?
ভাইরাল হওয়া ছবি

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওপেনার ও সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল সম্প্রতি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। গত ২৪ মার্চ খেলতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে সাভার বিকেএসপির পাশে অবস্থিত কেপিজে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তামিমের ‘লেফট এন্টেরিয়র ডিসেন্ডিং আর্টারি’তে শতভাগ ব্লক ধরা পড়ে। এরপর দ্রুত তাকে স্টেন্টিং (হার্টে রিং পরানো) করা হয়।

পরদিন মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তামিম ইকবালের একটি ছবি ভাইরাল হয়। যেখানে তাকে হাসপাতালে শয্যাশায়ী অবস্থায় দেখা যায়।

হাসপাতালের শয্যায় তামিম ইকবালের আলোচিত ছবিটি বাস্তব নয় বলে জানিয়েছে রিউমর স্ক্যানার। তাদের অনুসন্ধান বলছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি তৈরি করা হয়েছে।

এই বিষয়ে অনুসন্ধানের শুরুতে ভাইরাল ছবিটি পর্যবেক্ষণ করে এতে ছবির নিচের দিকের ডান কোণে ‘Grok’ লেখা একটি জলছাপ দেখা যায়। গ্রক (Grok) মূলত ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান xAI-এর একটি জেনারেটিভ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) চ্যাটবট, যা ২০২৩ সালের নভেম্বরে চালু হয়। এই চ্যাটবটটি বাস্তবসম্মত ছবি ও কনটেন্ট তৈরি করতে সক্ষম। গ্রক দিয়ে তৈরি ছবিতে সাধারণত ‘Grok’ লেখা জলছাপ দেখা যায়, যা এই এআই প্ল্যাটফরম দিয়ে তৈরি কনটেন্ট শনাক্তকরণে সাহায্য করে।

এই ছবির উৎস অনুসন্ধানে ‘Indian Cricket Stadiums’ নামের একটি ফেসবুক পেজে গতকাল রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে প্রকাশিত এই ছবিসংবলিত সম্ভাব্য প্রথম পোস্ট পাওয়া যায়। ওই পোস্টে তামিম ইকবালের হার্ট অ্যাটাকের খবর জানানো হয়েছে এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়েছে। 

পোস্টে তামিমের আলোচিত ছবিটির পাশাপাশি হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে থাকা তামিমের আরো দুটি ছবি দেখা যায়। পোস্টটির এডিট হিস্টোরি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, প্রকাশের প্রায় এক ঘণ্টা পর ক্যাপশন সম্পাদনা করে ছবিগুলো এআই দ্বারা তৈরি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

এনসিপি থেকে হাসনাত-সারজিস বহিষ্কার দাবি করা বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানা গেল

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
এনসিপি থেকে হাসনাত-সারজিস বহিষ্কার দাবি করা বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানা গেল
হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে গত ১১ মার্চে হওয়া একটি বৈঠক নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম ফেসবুকে ভিন্ন ভিন্ন দুটি পোস্ট করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি ‘হাসনাত ও সারজিসকে তাদের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হলো’ শীর্ষক দাবিতে একটি চিঠির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।

পদ থেকে অব্যাহতি ও সদস্য পদ স্থগিত প্রসঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ওই চিঠিতে বলা হয়, “জাতীয় নাগরিক পার্টির এক জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ ও মুখ্য সমন্বয়ক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতা, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর সাথে বৈরী সম্পর্ক তৈরি, পার্টিতে সিনিয়রদের সাথে (বিশেষ করে নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী, সামান্তা শারমীন)-বেয়াদবি, একক আধিপত্য, ছাত্রলীগের অতীত পশুত্বপনা এখনো আচরণে থেকে যাওয়া, ঘোড়া ডিঙ্গিয়ে ঘাস খাওয়াসহ অগণিত কারণে, এই দুজনের স্বীয় পদ স্থগিত করা হলো এবং তাদের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হলো। এনসিপির সবাইকে এই দুজনের সাথে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জরুরি নির্দেশ দেওয়া হলো।

রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, হাসনাত-সারজিসের ফেসবুক স্ট্যাটাস বিতর্কে জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে তাদের সদস্য পদ স্থগিত ও দল থেকে তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করার দাবিটি সঠিক নয় বরং এসংক্রান্ত চিঠিটি ভুয়া বলে জানিয়েছে রাজনৈতিক দলটি।

অনুসন্ধানে জাতীয় নাগরিক পার্টির ফেসবুক পেজে আলোচিত দাবির সপক্ষে কোনো প্রেস বিজ্ঞপ্তির পোস্ট বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।

আলোচিত চিঠিটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, এতে কয়েকটি ভিন্ন ফন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। আলোচিত বিজ্ঞপ্তিতে ব্যবহৃত ফন্টের সাথে এনসিপির প্রচলিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ব্যবহৃত ফন্টের ভিন্নতা রয়েছে।

মূলত এনসিপির প্রেস বিজ্ঞপ্তির আদলে লোগো ও নাম ব্যবহার করে আলোচিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি তৈরি করা হয়েছে।

পরবর্তীতে, সংবাদমাধ্যম ‘The Daily Campus’-এর বরাতে দলটির যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত চিঠিটি ভুয়া বলে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি এই ধরনের চিঠি ইস্যু করিনি। এই চিঠিটি ভুয়া।

’ সুতরাং হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে দাবিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির নামে প্রচারিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি ভুয়া ও বানোয়াট।

মন্তব্য

স্বাধীনতা মানে কী? ব্যক্তিগত মত জানালেন প্রেসসচিব

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
স্বাধীনতা মানে কী? ব্যক্তিগত মত জানালেন প্রেসসচিব
শফিকুল আলম।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। স্বাধীনতা মানে দেশের প্রতিটি বিতর্কিত বিষয় নিয়ে লিখতে পারা বলে ওই পোস্টে জানিয়েছেন প্রেসসচিব।

ইংরেজি ভাষায় দেয়া ওই স্ট্যাটাসে স্বাধীনতা মানে কী সেই বিষয়ে নিজের ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরেছেন তিনি।

ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘স্বাধীনতা মানে শাহীনবাগের সরু গলিতে একা হাঁটা, কিংবা এই ভিড়ঠাসা, কোলাহলময় শহরের যেকোনো প্রান্তে নিজের ইচ্ছেমতো ঘোরা।

স্বাধীনতা মানে আমার মাগুরার গ্রামে গাছের ছায়ায় ঢাকা রাস্তায় সাইকেলভ্যানে চড়ে বসা। স্বাধীনতা মানে গড়াই নদীতে নৌকা ভাসানো কিংবা কোনো চায়ের দোকানে বসে বর্ষার বৃষ্টিকে নদীর বুকে ঝরে পড়তে দেখা।’

স্বাধীনতা মানে দেশের প্রতিটি বিতর্কিত বিষয় নিয়ে লিখতে পারা বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। তবে এই লেখাটা হবে নির্ভয়ে।

লিখতে গেলে গুম বা গ্রেপ্তারের আতঙ্ক থাকবে না মনে।

তিনি আরো লিখেছেন, ‘স্বাধীনতা মানে দিনভর বইয়ের পাতায় ডুবে থাকা। স্বাধীনতা মানে ফেসবুকে অন্তহীন ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট দেওয়া। স্বাধীনতা মানে পেঁয়াজখেত আর ধানখেতের পথ ধরে হাঁটা।

স্বাধীনতা মানে নারোদের চায়ের দোকান আর দিলীপের সেলুনে বসে আড্ডা মারা। স্বাধীনতা মানে হালকা ঠাণ্ডা ফেব্রুয়ারির রোদে গা সেঁকা কিংবা ঢাকা শহরের কোনো মোড়ে কালবৈশাখীর ঝড়ের মধ্যে আটকে পড়া। স্বাধীনতা মানে অবিরাম আড্ডাবাজি।’

বাবা-মায়ের ইচ্ছার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা মানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে একা দাঁড়িয়ে পরকাল নিয়ে ভাবা, আর দুইটি আত্মার সঙ্গে নতুন করে সংযোগ খোঁজা— যারা কখনোই চাইতেন না, আমি এই দেশ ছেড়ে যাই!’

মন্তব্য

‘বাংলাদেশের চিকিৎসাসেবার বিকল্প বাংলাদেশই হয়ে উঠুক’

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
‘বাংলাদেশের চিকিৎসাসেবার বিকল্প বাংলাদেশই হয়ে উঠুক’
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ ক্রিকেটের সেরা ব্যাটার তামিম ইকবাল গতকাল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত কেপিজে স্পেশালাইডজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই দ্রুত সময়ের মধ্যে তার হার্টে রিং পরানোসহ যাবতীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়। গতকাল সন্ধ্যায় চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, তামিম ইকবাল শঙ্কামুক্ত।

এ ঘটনার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয় দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে। অনেকে চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রশংসা করেন। আবার কেউ কেউ এমন চিকিৎসাসেবা সবার জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান।

এনিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ মাহমুদ।

রাজিব হাসান নামের একজনের ক্রেডিট দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়েছে, 'আজকে তামিম ইকবালের হার্টে অপারেশন ও রিং পরানো হয়েছে সাভারের ফজিলাতুন্নেছা হাসপাতালে। নাম ও হাসপাতালের ছবি দেখে মনে হয়েছে, এটা আহামরি গোছের কোনো হাসপাতাল না। আমি ভুলও হতে পারি। তবে আমার এই বিশ্বাসে কোনো ভুল নেই, সংশ্লিষ্ট সবাই মন থেকে চাইলে বাংলাদেশের যেকোনো হাসপাতালে খুব ভালো সেবা দেওয়া সম্ভব।

'

ওই পোস্টে আরো লেখা আছে, 'ভারতে চিকিৎসা ভিসার জটিলতার কারণে সরকার চীনকে বিকল্প হিসেবে ভাবছে। বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবার বিকল্প বাংলাদেশই হয়ে উঠুক।'

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ