রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.১। তবে এতে প্রাথমিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর জানা যায়নি।
বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ৪৩ মিনিটে অনুভূত ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ৪৮ কিলোমিটার দক্ষিণে শরীয়তপুরের জাজিরায়।
ভারতের ভূমিকম্পবিষয়ক সরকারি সংস্থা ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য ও ভূমিকম্পবিষয়ক গবেষক অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার গতকাল শুক্রবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে যেখানে ভূমিকম্প হলো, কয়েক বছর ধরেই এই অঞ্চলের কাছাকাছি যেমন নারায়ণগঞ্জে ভূমিকম্প হতে দেখছি। কয়েক বছর ধরেই আমাদের দেশে ঘন ঘন ভূমিকম্প হচ্ছে। এটা কিন্তু ভূমিকম্প ভূ-অভ্যন্তরে সঞ্চিত বিপুল পরিমাণ শক্তি ছেড়ে দেওয়ার পূর্বলক্ষণ।
এটা আতঙ্কের কারণ। বড় ভূমিকম্পে ঢাকার ক্ষয়ক্ষতি এত বেশি হতে পারে যে এই নগরীকে হয়তো সরকার পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে বাধ্য হবে। ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় ও ভূমিকম্প সহনশীলতা তৈরিতে আমাদের কোনো সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নেই।’