না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রবীণ তারকা অ্যাঞ্জেলা ল্যান্সবেরি। ১১ অক্টোবর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৬।
গণমাধ্যম ‘পিপল’-এ প্রকাশিত অ্যাঞ্জেলার পারিবারিক একটি বিবৃতি অনুসারে খবরটি নিশ্চিত করা হয়।
না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রবীণ তারকা অ্যাঞ্জেলা ল্যান্সবেরি। ১১ অক্টোবর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৬।
গণমাধ্যম ‘পিপল’-এ প্রকাশিত অ্যাঞ্জেলার পারিবারিক একটি বিবৃতি অনুসারে খবরটি নিশ্চিত করা হয়।
অ্যাঞ্জেলা ল্যান্সবেরি
ল্যান্সবেরি ১৯৪৪ সালে ‘গ্যাসলাইট’-এ ককনি দাসীর ভূমিকায় কিশোরী হিসেবে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন। ১৯৪৫ সালে ‘দ্য পিকচার অব ডোরিয়ান গ্রে’-তে ধ্বংসপ্রাপ্ত সিবিল এবং লরেন্স হার্ভের দুষ্টু, কারসাজির চরিত্রে অভিনয়সহ তাঁর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়।
তাঁর প্রথম চলচ্চিত্রের প্রায় সাত দশক পর ২০১৩ সালের নভেম্বরে ৮৮ বছর বয়সে তাকে ‘আজীবন সম্মাননা’র অস্কার প্রদান করা হয়।
সম্পর্কিত খবর
কয়েক মাস আগে টলিউড অভিনেতা ও সংসদ সদস্য দেবের অনুরাগীদের কাছে হেনস্তা হয়েছিলেন প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছিল তাকে। সেই সময় তাঁর স্ত্রী এবং কাহিনি-চিত্রনাট্যকার জিনিয়া সেন প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন বিষয়টি নিয়ে। এরপর তাকেও আক্রমণ করা হয়।
পুলিশের গোয়েন্দা দপ্তর ভবানী ভবনে ঊর্ধ্বতন পুলিশকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এ তারকা দম্পতি। তারপর ফের শিবপ্রসাদ-পত্নীর অর্ধনগ্ন-বিকৃত ছবি ছড়ানো হয় অনলাইনে। তখন রবীন্দ্র সরোবর থানায় লিখিত অভিযোগ জানান দুজন।
এ বিষয়ে কলকাতার গণমাধ্যমকে জিনিয়া সেন জানান, গত জুলাইয়ে রাজ্যে ঘটে যাওয়া ধর্ষণের কিনারা এখনো হয়নি। তার মধ্যেই তাঁর বিকৃত, অর্ধনগ্ন ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁর মতে, এই পদক্ষেপ ধর্ষকামের পরিচায়ক।
জিনিয়ার কথায়, হুমকি আর কটাক্ষের মধ্যে সামান্য ফারাক। তিনি কটাক্ষের ঘোর বিরোধী।
‘দেব অনুরাগী’দের এ ধরনের কাজকর্ম প্রসঙ্গে জিনিয়া বলেন, যারা এমন কাজ করেছেন, তারা প্রকৃতপক্ষেই দেবের অনুরাগী কি না তার সন্দেহ রয়েছে। তার কথায়, দেব থাকলেও হয়তো একই পদক্ষেপ নিতেন।
২০২৪ সালে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ‘বহুরূপী’ সিনেমাটি ব্লকবাস্টার হয়। এর ঠিক পরপরই মুক্তি পায় দেবের ‘খাদান’। সেটিও বক্স অফিসে হিট হয়। তখনই শিবপ্রসাদকে আক্রমণ করে বসেন দেব অনুরাগীরা। আজেবাজে মন্তব্য করে হেনস্তা করতে শুরু করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তখনই বিতর্ক দানা বাঁধে। যা শেষ পর্যন্ত গড়ায় আদালত পর্যন্ত।
‘স্ত্রী’ ও ‘স্ত্রী ২’ দুটো সিনেমায় ব্যবসাসফল। পাশাপাশি প্রশংসিত হয়েছেন এর অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুরও। এবার সিনেমাটির প্রযোজক দীনেশ নিজানের ওপর বেজায় চটেছেন শ্রদ্ধার অনুরাগীরা। সম্প্রতি ছবির পরিচালক অমর কৌশিক কথা প্রসঙ্গে বলে বসেন, দীনেশ বিজনের মতে, শ্রদ্ধা কাপুর ডাইনির মতো হাসেন।
কোমল নাহাটার সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে অমর কৌশিক বলেন, ‘শ্রদ্ধার কাস্টিং (কৃতিত্ব) পুরো দীনেশ বিজনের প্রাপ্য। তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে একটি ফ্লাইটে আসছিলেন এবং তিনি বিমানে তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন।
আর এই মন্তব্য ঘিরেই দীনেশ বিজন ও অমর কৌশিককে নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শ্রদ্ধা কাপুরের ভক্তরা। তারা সামাজিক মাধ্যমে অমর কৌশিক ও দীনেশ বিজনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন রীতিমতো।
একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘প্রথমে আপনি তার নামে ছবির প্রচার করলেন, কোটি টাকা উপার্জন করলেন এবং তারপরে তাকে নিয়েই মশকরা করছেন।’ একইসঙ্গে আরেক ব্যবহারকারী লিখেছেন- ‘এই নারীবিদ্বেষী পুরুষরা কখনোই তাদের কাজ এবং অভিনয়ের প্রশংসা করবে না, কিন্তু দেখুন তারা কীভাবে কথা বলছে।
ভারতীয় বাজারে প্রায় ৫৯৭ কোটি রুপি ব্যবসা করেছে ‘স্ত্রী ২’। ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন শ্রদ্ধা কাপুর, রাজকুমার রাও এবং অপারশক্তি খুরানা।
এবার ঈদুল ফিতরে শাকিব খান ও শবনম বুবলী; দুজনের সিনেমাই মুক্তি পেয়েছে প্রেক্ষাগৃহে। দেশের ১২০ প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে শাকিবের ‘বরবাদ’ এবং অন্যদিকে বুবলী অভিনীত ‘জংলি’ চলছে ১১টি প্রেক্ষাগৃহে।
বাবা-মায়ের সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে চললেও বয়স কম হওয়ায় হলে গিয়ে ছবি দেখা হয়নি শাকিবপুত্র শেহজাদ খান বীরের। তবে সিনেমা দেখার জন্য বাসায় থিয়েটার নিয়ে আসার আবদার করেছেন তাদের ছেলে।
শেহজাদ খান বীরের একাধিক স্থিরচিত্র ফেসবুকে পোস্ট করে তার মা শবনম বুবলী লিখেছেন, তাদের ছেলে সিনেমা দেখবেন, তবে থিয়েটারে গিয়ে নয়, থিয়েটারটাই যেন বাসায় নিয়ে আসা হয়। শেহজাদ নাকি এমন কথা তার মা শবনম বুবলীকে বলেছেন। ফেসবুকে তা প্রকাশ করেছেন।
জানা গেছে, শাকিব খানের গুলশানের বাসায় তোলা হয়েছে এসব স্থিরচিত্র।
বুবলীর এমন পোস্টের নিচের অনেকে অনেক ধরনের মন্তব্য করছেন। ইসমাইল নামের একজন লিখেছেন, ‘শেহজাদ স্যার তো পুরা ভিআইপি লেভেলের! থিয়েটারে যাবে না, থিয়েটারকেই বাসায় আনবে! নেটফ্লিক্স তো পুরান কথা, এখন থিয়েটার হোম ডেলিভারি! স্যার বললে, হতেই হয়!’
মিরাজ নামের একজন লিখেছেন, ‘দারুণ বলেছে। এত কষ্ট করে থিয়েটারে যেয়ে দেখার সময় নাই, বাড়িতে নিয়ে আসো দেখে নেব।
একসঙ্গে চার শহরে স্বাধীনতা দিবস কনসার্টের আয়োজন করছে সবার আগে বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন। রোজার কারণে ২৬ মার্চ আয়োজন করা না গেলেও ১১ এপ্রিল ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বগুড়ায় অনুষ্ঠিত হবে স্বাধীনতা কনসার্ট। গানে গানে মঞ্চ মাতাবেন শিল্পীদের পাশাপাশি জনপ্রিয় সব ব্যান্ড।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে কনসার্টের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে এ কনসার্ট আয়োজন করা হচ্ছে। মার্চে রমজান মাস থাকায়, পিছিয়ে অনুষ্ঠানটি এপ্রিলে নেওয়া হয়।
ঢাকায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে পারফর্ম করবেন নগর বাউল জেমস। বিজয় দিবস কনসার্টেও জেমসের পরিবেশনা দিয়ে শেষ হয়েছিল আয়োজন।
চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে গান শোনাবে ব্যান্ড মাইলস, সোলস, আর্ক, লালন, অ্যাশেজ, সাবকনসাস, বে অব বেঙ্গল, তীরন্দাজ, মেট্রিক্যাল, সংগীতশিল্পী কিরণ দাস, ইমরান, কোনাল, চিশতি বাউল, তাসনিম আনিকা, সালমা, রায়হান, শুভ্র, মৌসুমী, ইথুন বাবু, পরাণ আহসান, আকলিমা মুক্তা ও ঋতুরাজ।
খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে দর্শক মাতাবে ব্যান্ড ওয়ারফেজ, আর্বোভাইরাস, সোনার বাংলা সার্কাস, কার্নিভাল, বাংলা ফাইভ, কাগুল, কুঁড়েঘর, বিবর্তন, সংগীতশিল্পী মনির খান, আসিফ আকবর, বালাম, তাহসান খান, কনা, নাসির, জয় শাহরিয়ার, টুনটুন বাউল, রুখসার রহমান, লিজা ও পলাশ।
বগুড়া আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে গাইবে ব্যান্ড আর্টসেল, অ্যাভয়েড রাফা, ডিফরেন্ট টাচ, এমএনবি, ভাইকিংস, বাগধারা, সংগীতশিল্পী খুরশীদ আলম, বেবী নাজনীন, কনকচাঁপা, আলম আরা মিনু, হৃদয় খান, কর্নিয়া, মিজান, লুইপা, কে জেড রাব্বী, মুত্তাকী হাসিব, রাজীব ও মুহিন।
ঘোষণা মতে, ১১ এপ্রিল চার শহরে একযোগে শুরু হবে কনসার্ট।