কাঠ বাদাম : কতটুকু খাবেন, ভিজিয়ে নাকি শুকনা?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
কাঠ বাদাম : কতটুকু খাবেন, ভিজিয়ে নাকি শুকনা?

স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে বাদামের জুরি নেই। শিশুদের মস্তিষ্ক গঠনেও খুবই গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে কাঠ বাদাম। সুস্বাস্থ্যের জন্য অনেকেই খাদ্য তালিকায় রাখে। এমনকি ওজন কমাতে গেলেও কাঠ বাদাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কারণ এতে থাকা ভাল ফ্যাট ও অন্যান্য পুষ্টিগুণ শরীরের পক্ষে উপকারী। তবে অনেকেই সঠিকভাবে খেতে নাও জানতে পারেন। স্বাস্থ্যকর বলে অনেকে আবার অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে হয়।
 

কাঠ বাদামে কী পুষ্টিগুন পাবেন

ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, সেলেনিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম এবং রিবোফ্লাভিন আছে বাদামে। এছাড়া রয়েছে আয়রন, পটাসিয়াম, জিঙ্ক এবং বি ভিটামিন, নিয়াসিন, থায়ামিন এবং ফোলেটের মতো পুষ্টিগুণ। কাঠ বাদামে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন এবং ফাইবারে ভরপুর।

  কীভাবে খাবেন

- বিশেষজ্ঞরা বলেন, বাদাম হজম করা কঠিন।

এতে প্রচুর পরিমাণে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন এবং ফাইবার রয়েছে।  ফলে বাদাম খেলে শরীর গরম হয়ে ওঠে। তাই বাদাম ভিজিয়ে খাওয়া ভালো।

-যখনই খাবেন ৬  থেকে ৮ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। ভিজিয়ে রাখলে তাপ অনেকটা কমে যায়।

সেই সঙ্গে ফাইটিক অ্যাসিড বা ট্যানিন অপসারিত হয়। ভেজানো বাদাম খেলে সহজেই পুষ্টিগুণ নিতে সক্ষম হয় শরীর। হজম তাড়াতাড়ি হয়। বদহজমের সমস্যা হয় না। 

-ভিজিয়ে খেতে অপছন্দ হলে শুকনো বাদামই গুঁড়া করে খেতে পারেন।

-ভেজানো বাদাম থেকে ফাইবার, প্রোটিন, বিটামিন ই, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস ইত্যাদি পুষ্টিগুণ সহজে আপনার শরীর শুষে নিতে পারে। 

- বাদাম ভিজিয়ে খেলে মস্তিষ্কও সক্রিয় হয়ে ওঠে। স্মৃতিশক্তি বাড়ে। 

- উজ্জ্বল ত্বকের জন্য বাদাম ভিজিয়ে খেতে পারেন। এমনটাই মনে করছেন আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা। 

কী পরিমাণে বাদাম খেতে পারবেন

কাঠ বাদামে ৮০শতাংশ চর্বি আছে। চর্বি হজম হতে অনেক সময় লাগে। বেশি পরিমাণে খেলে বদহজম, পেট ফাঁপা এমনকি ডাইরিয়াও হতে পারে। প্রতিদিন ৫-১০টা কাঠ বাদাম খেতে পারেন।

সূত্র : আজতাক।  

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

আর্থ্রাইটিস কি চোখেও হতে পারে?

জীবনযাপন ডেস্ক
জীবনযাপন ডেস্ক
শেয়ার
আর্থ্রাইটিস কি চোখেও হতে পারে?
সংগৃহীত ছবি

আর্থ্রাইটিস শুধু গাঁটে সীমাবদ্ধ একটি রোগ নয়, এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত একটি প্রদাহজনক অবস্থা। যা চোখেও প্রভাব ফেলতে পারে। যখন এটি চোখে দেখা দেয়, তখন একে অকুলার ইনফ্লামেশন বলা হয়। 

এই প্রদাহের তিনটি প্রধান প্রকার রয়েছে।

প্রথম প্রকারটি হলো ইউভাইটিস, যা চোখের প্রদাহ হিসেবে চিহ্নিত হয়। এতে সাধারণত চোখে ফোলা, হালকা ব্যথা, জ্বালাপোড়া বা ঝাপসা দৃষ্টি দেখা যায়। অনেকেই এটি খুব গুরুত্ব দেন না এবং মনে করেন যে এটি শুধুমাত্র ক্লান্তি বা অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের কারণে হতে পারে। কিন্তু যদি এই উপসর্গগুলি দীর্ঘ সময় ধরে চললে এটি ইউভাইটিস হতে পারে।
যা আপনার দৃষ্টিশক্তির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এটি রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, লুপাস, সোরিয়াসিস ও অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিসের মতো রোগের সাথেও সম্পর্কিত হতে পারে।

দ্বিতীয় প্রকার হলো স্ক্লেরাইটিস, যেখানে চোখের সাদা অংশ (স্ক্লেরা) লাল হয়ে যায় এবং এর সাথে মাথাব্যথা হতে পারে। তৃতীয় প্রকারটি হলো একটি অটোইমিউন রোগ যা শরীরের তৈলাক্তকরণ সিস্টেমকে (যেমন চোখ, মুখ এবং জয়েন্ট) প্রভাবিত করে।


ইউভাইটিসের লক্ষণসমূহ:

চোখে লালভাব ও ব্যথা,

উজ্জ্বল আলোতে চোখে অস্বস্তি,

অস্পষ্ট বা ঝাপসা দৃষ্টি,

মাথাব্যথা

চোখের ভিতরে দাগ বা ভাসমান কিছু দেখা

কখনো চোখ ফুলে যাওয়া

ইউভাইটিসের কারণসমূহ: টক্সোপ্লাজমোসিস, হারপিস, যক্ষ্মা (টিবি), সিফিলিস প্রভৃতি রোগ ইউভাইটিসের কারণ হতে পারে।

কখনো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিজের কোষকে আক্রমণ করতে শুরু করে। যা ইউভাইটিসের কারণ হতে পারে। এটি রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস, লুপাসের মতো রোগে বেশি দেখা যায়।

চোখে দুর্ঘটনার পর বা অপারেশনের পরেও ইউভাইটিস হতে পারে।

সূত্র : আজতক বাংলা

মন্তব্য

কাঁচা আম খাওয়ার উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
কাঁচা আম খাওয়ার উপকারিতা
সংগৃহীত ছবি

কাঁচা আম গ্রীষ্মকালের একটি অতি জনপ্রিয় ফল। আমাদের শৈশবের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয় যখন আমরা এই টাটকা, রসালো ফলটিকে মরিচ ও লবণ দিয়ে খাই। কাঁচা আমের নাম শুনলেই মুখে পানি চলে আসে। কাঁচা আম যে শুধু মজার তাই নয়, বেশ পুষ্টি সমৃদ্ধও।

 বাজারে এখন কাঁচা আম পাওয়া যাচ্ছে। দামও নাগালেই। তাই আজকে আমরা কাঁচা আমের উপকারিতা জেনে নিব।

শরীর শীতল রাখতে সহায়ক
গ্রীষ্মে গরমের তীব্রতা কমাতে এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখতে কাঁচা আমের রস দারুণ কাজ করে।

এটি শরীরের প্রয়োজনীয় মিনারেল এবং সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে, যা ঘাম ঝরানোর ফলে হারিয়ে যায়। তাই এটি শরীরকে শীতল রাখতে সহায়ক।

হজম সমস্যা নিরাময়
কাঁচা আম হজম সমস্যা সমাধানে কার্যকরী। এটি হজম রসের উৎপাদন বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য, অজীর্ণতা, অ্যাসিডিটি, গ্যাস্ট্রিক এবং বমি বমি ভাবের মতো সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়ক
কাঁচা আমে থাকা বিটা-ক্যারোটিন এবং ফাইবার হৃদরোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি কোলেস্টেরল কমাতে, রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

যকৃৎ (লিভার) স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী
কাঁচা আম যকৃৎ পরিষ্কার করতে সহায়ক এবং এটি তেল শোষণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি গোপন বাইল অ্যাসিডের স্রাব বৃদ্ধিতে সহায়তা করে যা টক্সিন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

মুখের স্বাস্থ্য
কাঁচা আম মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কার্যকর।

এটি দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া কমাতে এবং দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়ক। পাশাপাশি খাওয়া থেকে দুর্গন্ধ দূর করতেও সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
কাঁচা আমে প্রচুর ভিটামিন সি ও এ থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়ক। এটি ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যও উন্নত করে এবং শরীরকে নানা ধরণের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

অতিরিক্ত খাওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
পরিমিত পরিমাণে কাঁচা আম বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য উপকারী। তবে বেশি পরিমাণে কাঁচা আম খেলে বদহজম, পেটে ব্যথা, আমাশয় এবং গলা জ্বালা হতে পারে। মনে রাখবেন, কাঁচা আম খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানি পান করবেন না কারণ এটি জ্বালা বাড়ায়।

সূত্র : কেয়ার হসপিটাল

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার ৭ উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার ৭ উপকারিতা

আপেল লাল রঙের দেখতে খুবই সুন্দর ও মিষ্টি স্বাদের অতুলীয় একটি ফল। এটি শুধু দেখতে আর স্বাদে নয় বরং স্বাস্থ্য উপকারিতাতেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি খাওয়া ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম। আপেল খাওয়ার মাধ্যমে প্রাকৃতিক পুষ্টিসহ ফাইবার, ভিটামিন সি, পটাসিয়াম, এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পলিফেনল, যা শরীরের বিভিন্ন উপকারে আসে।

 

গবেষণা বলছে, আপেল খাওয়ার মাধ্যমে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমানো যায়। এছাড়া, এটি হজমের সমস্যাও সমাধান করতে সাহায্য করে।

তাই, প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা আমাদের সুস্থ জীবনযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে। তাহলে দেরি কেন? আসুন জেনে নেই লাল আপেলের ১০ টি চমৎকার স্বাস্থ্য উপকারিতা।

১. পুষ্টিগুণ
আপেল একটি পুষ্টিকর ফল। আপেল ভিটামিন সি, পটাসিয়াম, ফাইবার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিগুণে ভরপুর। এক একটি মাঝারি আপেলে রয়েছে প্রায় ১০৪ ক্যালোরি, ৫ গ্রাম ফাইবার এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ। আপেলের খোসাসহ খাওয়া হলে আরো বেশি উপকার পাওয়া যায়।

এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পলিফেনল ও ফাইবার।

২. ওজন কমাতে সাহায্য
আপেলে উচ্চ পরিমাণে ফাইবার ও জল থাকে, যা পেট ভরে রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বিরত রাখে। গবেষণা অনুযায়ী, আপেলের খোসাসহ খাওয়া শরীরের মাস ইনডেক্স (বিএমআই) কমাতে সহায়ক হতে পারে এবং শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সহযোগিতা করে।

৩. হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য
আপেল হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। এতে থাকা ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পলিফেনল হৃদরোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

৪. ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য
আপেলে কোয়ারসেটিন নামক পলিফেনল থাকে, যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। 


৫. ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য
আপেলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফুসফুস, স্তন ও পাচনতন্ত্রের ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে রক্ষাকারী ভূমিকা পালন করে। গবেষণায় দেখা গেছে, আপেল পলিফেনল ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

৬. হাঁপানির বিরুদ্ধে লড়াই
আপেলের খোসায় কোয়ারসেটিন থাকে, যা হাঁপানি এবং অ্যালার্জির বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। এটি শ্বাসনালীর প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং হাঁপানির পরবর্তী পর্যায়ের প্রতিক্রিয়া কমাতে সক্ষম।

৭. হজমে সহায়ক
আপেল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার মাধ্যমে হজমে সহায়ক হতে পারে। এর হজম ক্ষমতা ও প্রাকৃতিক ফাইবারের উপস্থিতি আমাদের পাচনতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।


সূত্র : ক্যাম্পবেল কান্ট্রি হেলথ

মন্তব্য

বিশ্ব সুন্দরী হওয়ার আগে যা খেতেন মানুষী

জীবনযাপন ডেস্ক
জীবনযাপন ডেস্ক
শেয়ার
বিশ্ব সুন্দরী হওয়ার আগে যা খেতেন মানুষী

২০১৭ সালে মিস ওয়ার্ল্ড মুকুট জিতেছিলেন মানুষী চিল্লার। বুদ্ধির ঝলকে ঘেরা সৌন্দর্য তাকে বিশ্ব সুন্দরীর শিরোপার পাশাপাশি এনে দিয়েছে মডেলিং ও বলিউডে খ্যাতি। ১৭ বছর পর মানুষীর হাত ধরে মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট ভারতে এসেছিল। এর পেছনে ছিল মানুষীর কঠোর পরিশ্রম।

সুন্দরী প্রতিযোগিতায় যোগ দেওয়ার সময় তিনি বিশেষ জোর দেন তার ডায়েট ও ওয়ার্কআউটে।

আপনিও মেনে চলতে পারেন মানুষীর লাইফস্টাইল। মানুষী যখন বিশ্ব সুন্দরীর হয়েছিলেন, সেই সময় সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ দিন ওয়ার্কআউট করতেন।

আরো পড়ুন
‘পোশাক বদলের সময় পরিচালক ঢুকে পড়েন’

‘পোশাক বদলের সময় পরিচালক ঢুকে পড়েন’

 

মানুষীর পুষ্টিবিদ নমমী আগারওয়াল জানিয়েছেন, মানুষী কঠোর পরিশ্রম করতেন সুন্দরী প্রতিযোগিতার জন্য।

রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমতেন, এর ফল তার ত্বকের ওপর লক্ষ করা যেত। পাশাপাশি ঘুমাতে যাওয়ার ২ ঘণ্টা আগে ফোন বন্ধ করে দিতেন। এ ছাড়া সারা দিনে ৩ লিটার জল পান করতেন মানুষী। বাড়ির তৈরি খাবার ছাড়া অন্য খাবার ছুঁয়ে দেখতেন না তিনি।
এমনকি তিনি সব সময় তাড়াতাড়ি ডিনার সারতেন এবং চেষ্টা করতেন রাতে হালকা খাবার খাওয়ার।

এখন প্রশ্ন থাকতে পারে সারা দিন কী খেতেন মানুষী? 

নায়িকার দিন শুরু হত এক গ্লাস পানি পান করে। তাতে মাঝেমধ্যে লেবুর রসও মেশাতেন। ব্রেকফাস্টে থাকত ওটস, টক দই ও বাদাম। লাঞ্চে খেতেন এক বাটি ভাত না হলে দুটি রুটি।

সঙ্গে সবজির তরকারি ও সালাদ। বিকেলবেলা মানুষী খেতেন ফলের স্মুদি। মাঝেমধ্যে থাকত শসা, গাজর ও টক দই। সন্ধ্যা ৭টায় ডিনার শেষ করতেন মানুষী। সেখানে থাকত কিনোয়ার স্যালাদ কিংবা স্যুপ। ডিনার শেষে মানুষী খেতেন তাজা ফল। এটাই ছিল মানুষীর ডায়েট প্ল্যান। মানুষীর মতো ডায়েট ও ওয়ার্কআউট করলে আপনিও পেয়ে যাবেন মেদহীন চেহারা।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ