ঢাকা, রবিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, রবিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৬

সাইবার নিরাপত্তা আইন নিয়ে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষণ

  • গত বছর জুনে পাঠানো কারিগরি নোটের অনেক বিষয় খসড়ায় স্থান পায়নি
মেহেদী হাসান
মেহেদী হাসান
শেয়ার
সাইবার নিরাপত্তা আইন নিয়ে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষণ

বাংলাদেশ সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) সংশোধন করায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মত প্রকাশের স্বাধীনতাবিষয়ক জাতিসংঘের স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার। কিন্তু আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে ডিএসএর ‘গুরুতর ঘাটতি’র বেশ কিছু বিধান প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনে থাকায় হতাশাও প্রকাশ করেছেন তিনি। র‌্যাপোর্টিয়ার আইরিন খান গত ২৮ আগস্ট বাংলাদেশ সরকারকে এক চিঠিতে বিষয়টি জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ারের চিঠি পাঠানোর দিন সকালেই বাংলাদেশের মন্ত্রিসভা সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

এর আগে গত ৭ আগস্ট মন্ত্রিসভা সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়া অনুমোদন করেছিল। সাইবার নিরাপত্তা আইনের চূড়ান্ত খসড়ায় চারটি ধারা অজামিনযোগ্য রাখা হয়েছে।

প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনকে আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ করতে এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে গঠণমূলকভাবে সম্পৃক্ত থাকতে আইরিন খান চিঠিতে কয়েকটি পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, এর আগে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার, ইউনিভার্সেল পিরিয়ডিক রিভিউয়ের (ইউপিআর) বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্র, জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের বিশেষ প্রক্রিয়া এবং স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার হিসেবে তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে অনেক উদ্বেগ জানিয়েছিলেন।

গত বছর জুনে মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর বাংলাদেশ সরকারকে একটি কারিগরি নোট পাঠিয়েছিল। সেই নোটের অনেক বিষয়ই সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়ায় স্থান পায়নি বলে তিনি জানান।

তিন মন্তব্য

জাতিসংঘের স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়া নিয়ে তিনটি মন্তব্য করেছেন। প্রথমত, খসড়া আইনে অস্পষ্ট ও অধিক বিস্তৃত বিধান থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে বৈধভাবে মত প্রকাশকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা যায়।

এই বিধানগুলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নতুন রূপ হিসেবে এসেছে। এগুলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মীদের ওপর এগুলো প্রয়োগ করা হয়েছে। এর ফলে তাঁদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আক্রান্ত হয়েছে।

দীর্ঘ মেয়াদে কারাবন্দিত্ব ও মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।

দ্বিতীয় মন্তব্যে জাতিসংঘের স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার বলেছেন, খসড়া আইনে শাস্তিগুলো অসামাঞ্জস্যপূর্ণভাবে কঠোর করা হয়েছে। সরকার কিছু কিছু ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাজার মাত্রা কমাতে বা বাদ দিতে চেয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে জামিনের সুযোগ বাড়িয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে কারাদণ্ড বাদ দিয়ে বড় অঙ্কের অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলো অর্থবহ হওয়ার মতো খুব তাৎপর্যপূর্ণ হবে না।

সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়া নিয়ে তৃতীয় মন্তব্যে স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার বলেছেন, প্রস্তাবিত এই আইনে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনটি যাতে সত্যিকার অর্থেই মত প্রকাশের স্বাধীনতার পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়, সে জন্য একে আইনের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার আইরিন খান। তিনি আশা করেন, প্রস্তাবিত আইনটি সংসদে উত্থাপনের আগে সরকার আরো সংশোধন করবে।

বাংলাদেশের বাধ্যবাধকতা

জাতিসংঘের স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তির (আইসিসিপিআর) ১৯ ধারা অনুযায়ী বাকস্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সম্মান করতে বাংলাদেশের বাধ্যবাধকতা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার ২০০০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ওই চুক্তি করেছিল।

রাজনৈতিক মতামত

প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনের ২১ ধারায় মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা নিয়ে প্রপাগান্ডা চালানোকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। জাতিসংঘ কমিটির মতে, রাষ্ট্রপ্রধানসহ রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের সমালোচনা এবং রাষ্ট্রের পতাকা, জাতীয় প্রতীক বা ঐতিহাসিক ঘটনা সম্পর্কে মতামত আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে সুরক্ষিত বৈধ অভিব্যক্তি।

জাতিসংঘের স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ারের আশঙ্কা, এই ধারার অপরাধের পরিধির বিস্তৃতি ও অস্পষ্টতা রাজনৈতিক মত প্রকাশের ওপর বেআইনি বিধি-নিষেধ আরোপ করতে পারে।

ধর্মীয় বিদ্বেষ

প্রস্তাবিত আইনের ২৮ ধারায় ধর্মীয় অনুভূতি বা মূল্যবোধে আঘাত এবং ৩১ ধারায় বিভিন্ন সম্প্রদায় বা শ্রেণির মধ্যে বিদ্বেষ, ঘৃণা বা বৈরিতা সৃষ্টিকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। জাতিসংঘের স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার বলেছেন, ২৮ ধারা আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ওই ধারা বাদ দেওয়া উচিত। আর ৩১ ধারাকে আইসিসিপিআরের ২০(২) ধারার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ করা উচিত।

অপরাধমূলক মানহানি ও মিথ্যা তথ্য

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫ ধারা (আপত্তিকর, মিথ্যা ও হুমকি সৃষ্টিকারী ডাটা তথ্যবিষয়ক) এবং ফৌজদারি মানহানিবিষয়ক ২৯ ধারা বাংলাদেশ সরকারের সমালোচকদের আটক করতে ব্যবহার করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সাইবার সিকিউরিটি আইনেও এগুলো থাকাকে বিরক্তিকর বলে উল্লেখ করেছেন স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার।

সাইবার সন্ত্রাস

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৭ ধারায় সাইবার সন্ত্রাস খসড়া সাইবার নিরাপত্তা আইনেও স্থান পেয়েছে। স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার বলেছেন, সাইবার সন্ত্রাসের সংজ্ঞা অনেক বিশদ ও অস্পষ্ট। সন্ত্রাসের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞার কোনো উপাদান সেখানে উল্লেখ করা হয়নি। জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের সুপারিশ অনুযায়ী সন্ত্রাসের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা অনুমোদন করতে চিঠিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অসামাঞ্জস্যপূর্ণ শাস্তি

জাতিসংঘের স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ারের মতে, প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনে কেবল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে থাকা অপরাধের দীর্ঘ তালিকাই সংযোজন করা হয়নি, শাস্তির বিধানও যোগ করা হয়েছে। অপরাধের সংখ্যা ও শাস্তির মাত্রা কমাতে স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার বাংলাদেশ সরকারকে আহ্বান জানিয়েছেন।

নিয়ন্ত্রক ও আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা

খসড়া আইনের ৮ ধারায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষকে (বিটিআরসি) ডিজিটাল নিরাপত্তা হুমকিতে ফেলা ওয়েবসাইটগুলোতে প্রবেশাধিকার সীমিত করার বা তথ্য-উপাত্ত মুছে ফেলার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের বাধ্যবাধকতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হওয়া উচিত বলে চিঠিতে মন্তব্য করা হয়েছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অভিজ্ঞতার আলোকে আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ঘটনাগুলোর বিষয়ে স্বাধীন বিচারিক নজরদারি রাখতে সুপারিশ করেছেন স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার। প্রস্তাবিত আইন নিয়ে তিনি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসারও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

মন্তব্য

শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান

দুই দফা দাবিতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা। আজ রবিবার সকাল ৯টা থেকে ‘বিডিআর কল্যাণ পরিষদ’ ব্যানারে এ কর্মসূচি শুরু করেন তারা। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে তাদের এ কর্মসূচি। 

পরিষদ বলছে, তারা ২০০৯ সালে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে সাবেক বিডিআরের (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ–বিজিবি) ক্ষতিগ্রস্ত সদস্যদের প্রতিনিধিত্ব করে।

 

পরিষদের দুই দফা দাবি হলো, চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের সব সুযোগ–সুবিধাসহ চাকরিতে পুনর্বহাল করা এবং জামিন পাওয়ার পরও মুক্তি না পাওয়া বিডিআর সদস্যদের মুক্তি দেওয়া।

এর আগে গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আজ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয় পরিষদ।
 

মন্তব্য

লাইসেন্স পেতে পারে ই-রিকশা, আইন সংশোধনের সুপারিশ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
লাইসেন্স পেতে পারে ই-রিকশা, আইন সংশোধনের সুপারিশ
ছবি: কালের কণ্ঠ

ব্যাটারিচালিত তিন চাকার (ই-রিকশা) রিকশার লাইসেন্স বা চলাচলের অনুমতি দিতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে বিদ্যমান স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ সংশোধনীর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে তিন চাকার রিকশাকে ‘সাধারণ যানবাহন’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

 

গত মার্চে অনুষ্ঠিত এ-সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে ঢাকা মহানগরীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলসংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। তবে লাইসেন্স দেওয়ার কথা বললেও নির্দিষ্ট দূরত্বে কত টাকা ভাড়া হবে তা বলা হয়নি। জাতীয় সংসদ বহাল না থাকায় অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে এই সংশোধনী করা হতে পারে।

আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে দায়ের করা সিভিল মিস, পিটিশন (নম্বর ৮৭১/২০২৪) নির্দেশনা অনুযায়ী যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সিটি করপোরেশন অধিক্ষেত্রে তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে এসব যানবাহনকে লাইসেন্স (চলাচলের অনুমতি) দেবে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন।

 

সভায় বিদ্যমান আইনের তৃতীয় তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৯.২-এ প্রস্তাবিত ‘তবে শর্ত থাকে যে, তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অনুরূপ যানবাহন মোটরগাড়ি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে না’ বিধানের পরিবর্তে ‘তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) ও অনুরূপ যানবাহন সাধারণ যানবাহন হিসাবে গণ্য হবে’ বিধান প্রতিস্থাপন করার সুপারিশ করে অধ্যাদেশে সাধারণ যানবাহনের সংজ্ঞা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিদ্যমান আইনের তৃতীয় তফসিলের ১৯.২-এ বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি করপোরেশনের দেওয়া লাইসেন্স ছাড়া নগরীতে (মোটরগাড়ি ছাড়া) অন্য কোনো সাধারণ যানবাহন রাখতে, ভাড়া দিতে বা চালাতে পারবেন না।

তবে বিদ্যমান আইনের তৃতীয় তফসিলের ১৯.৩ অনুযায়ী সিটি করপোরেশন, সরকারের পূর্ব অনুমোদন নিয়ে এবং প্রবিধানের আওতায় নির্ধারিত পদ্ধতিতে সাধারণ যানবাহনের ভাড়া নির্ধারণ করতে পারবে এবং কোনো ব্যক্তি এরূপ নির্ধারিত ভাড়ার অধিক ভাড়া দাবি করতে পারবে না বলে বিধান রয়েছে। কিন্তু প্রস্তাবিত আইনে এ-সংক্রান্ত বিষয়ে এখনো কোনো কিছু নির্ধারণ বা প্রস্তাব করা হয়নি।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

কর্মকর্তাদের বাহবা দিয়ে যা বললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
কর্মকর্তাদের বাহবা দিয়ে যা বললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সংগৃহীত ছবি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনারা খুবই দ্রুত সময়ের মধ্যে ভোটার নিবন্ধনের অসাধ্য কাজ সাধন করেছেন। আপনারা খুবই ভালো কাজ করছেন।’ চলমান বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম সুন্দর ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করায় কর্মকর্তাদের বাহবা দেন তিনি।

আরো পড়ুন
বাস-পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ জনের মৃত্যু

বাস-পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ জনের মৃত্যু

 

সিইসি রবিবার (০৬ এপ্রিল) ঈদ-পরবর্তী ইসির সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

এ সময় অন্য চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির সিনিয়র সচিবসহ সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিইসি বলেন, ‘ভোটার নিবন্ধনের অসাধ্য কাজ সাধন করেছেন আপনারা খুবই দ্রুত সময়ের মধ্যে। আপনারা খুবই ভালো কাজ করছেন এবং প্রতিটি পদক্ষেপ সরকারকে সময়ে সময়ে জানানো হচ্ছে। এনআইডি ও সীমানা পুনর্নির্ধারণসহ নির্বাচনের সব কাজ ভালোভাবে এগোচ্ছে।

আরো পড়ুন
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা শোভন ও জয় গ্রেপ্তার

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা শোভন ও জয় গ্রেপ্তার

 

সর্বশেষ হালনাগাদ অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোট ভোটারসংখ্যা দাঁড়াল ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার ২৭৪ জনে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ এখনো চলমান। আগামী জুনে আরো প্রায় ৬০ লাখের বেশি নাগরিককে ভোটার তালিকায় যুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে ইসি।

মন্তব্য

তাপপ্রবাহে পুড়ছে ৩৭ জেলা, বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
তাপপ্রবাহে পুড়ছে ৩৭ জেলা, বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা

দেশের সাত বিভাগে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে দেশের ৩৭ জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকার আভাস দিয়েছে রাষ্ট্রীয় এই সংস্থাটি। 

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামী কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি ঝরবে। এরপর বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে আসবে।

এ সময় তাপমাত্রা ওঠানামার মধ্যে থাকবে। 

রবিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে— এ অবস্থায় ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

পাশাপাশি আজ সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আরো পড়ুন
ঈদের জামাত নিয়ে মতবিরোধ, ছুরিকাঘাতে মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

ঈদের জামাত নিয়ে মতবিরোধ, ছুরিকাঘাতে মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

 

সংস্থাটি জানায়, দিনাজপুর, সৈয়দপুর, ফেনী, মৌলভীবাজার, বরিশাল এবং পটুয়াখালী জেলাসহ রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

সোমবার (৭ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

এ দিন সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

আরো পড়ুন
কখনো টেলিফোন ধরতে চাইতেন না সুচিত্রা সেন

কখনো টেলিফোন ধরতে চাইতেন না সুচিত্রা সেন

 

পরদিন মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ দিনও সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী বুধবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

আরো পড়ুন
ভারতে ৭০ বাংলাদেশি নিয়ে দুর্ঘটনার কবলে বাস

ভারতে ৭০ বাংলাদেশি নিয়ে দুর্ঘটনার কবলে বাস

 

বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা কমতে পারে। 

এদিকে গতকাল শনিবার সকাল ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রাজশাহীতে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে খুলনায় ১২ মিলিমিটার।  

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ