পর্ব : ২৩

তারাবিতে কোরআনের বার্তা

শেয়ার
তারাবিতে কোরআনের বার্তা

সুরা ইয়াসিন

সুরার শুরুতে কোরআনের কসম করে বলা হয়েছে যে মহানবী (সা.) অবশ্যই আল্লাহর রাসুল। তিনি সঠিক পথে সুপ্রতিষ্ঠিত। তাঁকে পাঠানো হয়েছে এমন একটি সম্প্রদায়কে ঈমানের দাওয়াত দেওয়ার জন্য, যাদের পূর্বসূরিদের সতর্ক করা হয়নি। এরপর মক্কার কাফিরদের ঈমান না আনার কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে তাদের অন্তর তালাবদ্ধ।

পরে কিয়ামত সম্পর্কে বিভিন্ন বর্ণনা আনা হয়েছে। কিয়ামতের দিন জাহান্নামবাসীদের পৃথক করা হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জান্নাতবাসীদের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এরপর বলা হয়েছে যে মহানবী (সা.) কবি নন, বরং তিনি স্পষ্ট কোরআনের মাধ্যমে সতর্ককারী।
গাছ থেকে আগুন সৃষ্টির তত্ত্ব বর্ণনা করা হয়েছে।

আদেশ-নিষেধ-হিদায়াত

১. আলেমদের কাজ পৌঁছে দেওয়া।

(আয়াত : ১৬-১৭)

২. মানুষ নিজের অমঙ্গল নিজে ডেকে আনে। (আয়াত : ১৯)

৩. মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করো।

(আয়াত : ২১)

৪. দ্বিন নিয়ে উপহাসকারীদের জন্য আফসোস। (আয়াত : ৩০)

৫. শস্য উৎপাদন আল্লাহর দান।

(আয়াত : ৩৩)

৬. আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করো। (আয়াত : ৩৪-৩৫)

৭. আল্লাহর নিদর্শন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ো না। (আয়াত : ৪৬)

৮. জান্নাতে মুমিনের সব প্রত্যাশা পূরণ হবে।

(আয়াত : ৫৭-৫৮)

৯. শারীরিক সুস্থতা আল্লাহর ইচ্ছাধীন। (আয়াত : ৬৬)

১০. কোরআন কোনো কাব্য নয় এবং আলেমদের জন্য কাব্যচর্চা শোভনীয় নয়। (আয়াত : ৬৯)

১১. পাপীদের কথায় ব্যথিত হয়ো না। (আয়াত : ৭৬)

১২. নিজের অস্তিত্বের কথা ভুলে যেয়ো না। (আয়াত : ৭৭)

১৩. আল্লাহর উপমা সৃষ্টি কোরো না। (আয়াত : ৭৮)

১৪. সর্বময় ক্ষমতা আল্লাহর জন্য।

(আয়াত : ৮৩)

সুরা সাফফাত

সুরা সাফফাতের মধ্যে প্রধানত তিনটি গায়েবি বিষয় যথাফেরেশতা, জিন ও পরকাল সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। শুরুতেই ফেরেশতাদের শক্তিমত্তা এবং আল্লাহর হুকুম পালনে একনিষ্ঠতা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। এরপর জিনদের বিষয় আনা হয়েছে। জিনদের একটি দল ফেরেশতাদের পারস্পরিক কথাবার্তা জানার জন্য আকাশে ওঠার চেষ্টা করে। আর তখনই জ্বলন্ত উল্কা তাদের ধাওয়া করে। এই সুরায় কাফিরদের কিয়ামতের দিনের করুণ পরিণতির কথা বর্ণনা করা হয়েছে। উপদেশের জন্য নুহ, ইবরাহিম, ইসমাঈল, হারুন, ইলিয়াস, লুত ও ইউনুস (আ.)-এর ঘটনার কিছু অংশ আনা হয়েছে। ফেরেশতাদের প্রশংসা করে সুরাটি শেষ করা হয়েছে।

আদেশ-নিষেধ-হিদায়াত

১. মন্দ লোকেরাই উপদেশ গ্রহণ করে না। (আয়াত : ১৩)

২. আল্লাহর নিদর্শন নিয়ে উপহাস কোরো না। (আয়াত : ১৪-১৫)

৩. আল্লাহ একনিষ্ঠ বান্দাদের সম্মানিত করবেন। (আয়াত : ৪০-৪১)

৪. পূর্বসূরিদের ভ্রান্তপথ পরিহার করো। (আয়াত : ৬৯-৭০)

৫. আল্লাহর কাছে বিশুদ্ধ মনে উপস্থিত হও। (আয়াত : ৮৪)

৬. সুসন্তান লাভের জন্য প্রার্থনা করো। (আয়াত : ১০০)

৭. আল্লাহর সাহায্যেই মানুষ বিজয়ী হয়। (আয়াত : ১১৬)

সুরা সাদ

এই সুরায় দাউদ, সুলায়মান, আইয়ুব ও আদম (আ.)-এর ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে। অন্যান্য মাক্কি সুরার মতো এই সুরায়ও তাওহিদ, রিসালাত ও আখিরাত সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। মুশরিকদের ভ্রান্ত আকিদা খণ্ডন করা হয়েছে। জান্নাতের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ও জাহান্নামের আজাবের ভয়াবহতা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। নুহ (আ.)-এর জাতি, ফেরাউনের জাতি, আদ জাতি, সামুদ জাতি, লুত (আ.)-এর জাতি ও মাদিয়ানবাসীদের ধ্বংসের ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। আনা হয়েছে ইয়াকুব, ইসমাঈল, ইয়াসআ ও জুলকিফল (আ.)-এর ঘটনা। একেবারে শেষের দিকে আদম (আ.)-এর ঘটনা আনা হয়েছে।

আদেশ-নিষেধ-হিদায়াত

১. কোরআন উপদেশপূর্ণ কিতাব।

(আয়াত : ১)

২. কোরআন অবিশ্বাসকারীদের জন্য রয়েছে শাস্তি। (আয়াত : ৮)

৩. সৃষ্টিজগৎ আপন কাজের মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদত করে। (আয়াত : ১৮)

৪. ইসলামী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রনায়ক জ্ঞানী ও বাগ্মী হবে। (আয়াত : ২০)

৫. শরিকদের প্রতি অবিচার কোরো না। (আয়াত : ২৪)

৬. মুমিন ভুল স্বীকার করে অনুতপ্ত হয়। (আয়াত : ২৪)

৭. খেয়ালখুশির অনুসরণ মানুষকে সত্যচ্যুত করে। (আয়াত : ২৬)

৮. আল্লাহর কোনো সৃষ্টিই অনর্থক নয়। (আয়াত : ২৭)

৯. কোরআন নিয়ে চিন্তা ও গবেষণা করো এবং অনুধাবনের চেষ্টা করো।

(আয়াত : ২৯)

১০. আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে দান করো। (আয়াত : ৩৯)

১১. বিপদে আল্লাহকে স্মরণ করো।

(আয়াত : ৪১)

১২. পাপের উপলক্ষ হইয়ো না।

(আয়াত : ৬১)

১৩. নিষ্ঠাবানরাই শয়তানের ধোঁকা থেকে বাঁচতে পারে।

(আয়াত : ৮২-৮৩)

গ্রন্থনা : মুফতি আতাউর রহমান

 

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

ভ্রমণের সুন্নতগুলো

শেয়ার

কোরআন থেকে শিক্ষা

    পর্ব, ৭৩৩
শেয়ার
কোরআন থেকে শিক্ষা

আয়াতের অর্থ : ‘যারা কুফরি করে তাদের কাজ মরুভূমির মরীচিকাসদৃশ, পিপাসার্ত যাকে পানি মনে করে, কিন্তু সে তার কাছে উপস্থিত হলে দেখবে তা কিছু নয় এবং সে পাবে সেখানে আল্লাহকে, অতঃপর তিনি তার কর্মফল পূর্ণ মাত্রায় দেবেন। আল্লাহ হিসাব গ্রহণে তৎপর। অথবা তাদের কাজ গভীর সমুদ্রতলের অন্ধকারসদৃশ, যাকে আচ্ছন্ন করে তরঙ্গের ওপর তরঙ্গ, যার ঊর্ধ্বে মেঘপুঞ্জ, অন্ধকারপুঞ্জ স্তরের ওপর স্তর...।’

(সুরা : নুর, আয়াত : ৩৯-৪০)

আয়াতদ্বয়ে পরকালের ব্যাপারে অবিশ্বাসীদের অসারতা তুলে ধরা হয়েছে।

শিক্ষা ও বিধান

১. উপদেশ প্রদানে কোরআনের রীতি হলো সুসংবাদ ও হুঁশিয়ারি পাশাপাশি নিয়ে আসা। যেন মানুষের ভেতর আশা বা ভয় কোনোটাই প্রবল না হয়।

২. পরকালের ব্যাপারে অবিশ্বাসীদের প্রত্যাশা মিথ্যা ও মূল্যহীন। পরকালে তাদের কোনো প্রাপ্য নেই।

৩. অবিশ্বাসীদের ভালো কাজগুলো মরীচিকার মতো নিষ্ফল ও বিভ্রম মাত্র, যা দূর থেকে পানি মনে হলেও প্রকৃত পক্ষে পানি নয়। (আত-তাহরির ওয়াত তানভির : ৩৯-৪০)

৪. তিন জিনিসের অভাবে মানুষের আমল নিষ্ফল হয় : ক. ঈমান, খ. ইখলাস বা নিষ্ঠা, গ. শরিয়তের অনুসরণ।

৫. ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘তরঙ্গ আচ্ছন্ন করে’ বাক্য দ্বারা অবিশ্বাসীদের অন্তর, চোখ ও কানের ওপর বিরাজমান পর্দা উদ্দেশ্য।

  (তাফসিরে ইবনে কাসির : ৮/১৩৪)

 

 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

শবেকদরে পড়ার দোয়া

শেয়ার
শবেকদরে পড়ার দোয়া

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন কারিম, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা‘ফু আন্নি।

অনুবাদ : হে আল্লাহ! তুমি সম্মানিত ক্ষমাকারী, তুমি ক্ষমা করতেই পছন্দ করো। অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দাও।

সূত্র : আয়েশা (রা.) বলেন, আমি একদিন আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! যদি আমি ‘লাইলাতুল কদর’ জানতে পারি তাহলে সে রাতে কী বলব? তখন তিনি তাঁকে এই দোয়া শিক্ষা দেন।

(তিরমিজি, হাদিস : ৩৫১৩)

 

হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত অন্য বর্ণনায় এসেছে,

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা‘ফু আন্নি।

অনুবাদ : হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমা করতেই ভালোবাসো, অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দাও। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩৮৫০)

 

 

 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য
পর্ব : ২৬

তারাবিতে কোরআনের বার্তা

শেয়ার
তারাবিতে কোরআনের বার্তা

সুরা ফাতাহ

আলোচ্য সুরায় প্রধানত হুদাইবিয়ার সন্ধি সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। মক্কার কুরাইশদের সঙ্গে মুসলমানদের ঐতিহাসিক এই সন্ধি হয়েছিল। এরপর কাফিরদের জন্য জাহান্নামের এবং ঈমানদারদের জন্য জান্নাতের ওয়াদা করা হয়েছে। পরে বাইআতে রিদওয়ান সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।

তিনটি কথার মাধ্যমে সুরাটি শেষ হয়েছে : এক. ইসলাম এসেছে বিজয়ী হওয়ার জন্য, দুই. ঈমানদাররা পরস্পরের ওপর সদয়, তিন. ঈমানদারদের জন্য আছে ক্ষমা ও উত্তম প্রতিদান।

 

আদেশ-নিষেধ-হিদায়াত

১. বিজয় আল্লাহর অনুগ্রহ। (আয়াত : ১-২)

২. আল্লাহর ব্যাপারে মন্দ ধারণা পোষণ কোরো না। (আয়াত : ৬)

৩. সকাল-সন্ধ্যা আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করো।

(আয়াত : ৯)

৪. দ্বিনের কাজে পিছিয়ে থেকো না। (আয়াত : ১১)

৫. আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করো।

(আয়াত : ১৭)

৬. মানুষকে মসজিদে যেতে বাধা দিয়ো না।

(আয়াত : ২৫)

৭. যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে মানুষকে রক্ষা করো।

(আয়াত : ২৫)

৮. গোত্রীয় অহমিকা পরিহারযোগ্য। (আয়াত : ২৬)

৯. পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল হও। (আয়াত : ২৯)

১০. সিজদার চিহ্ন মুমিনের গৌরব। (আয়াত : ২৯)

 

সুরা হুজুরাত

এ সুরায় মুসলমানদের আদব-কায়দা, শিষ্টাচার ও আচরণ শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংবাদ যাচাই-বাছাই করেই গ্রহণ করতে হবে।

মুসলমানদের একে অপরকে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করা, বদনাম ও উপহাস করা, খারাপ নামে আখ্যায়িত করা, খারাপ ধারণা পোষণ করা, অন্যের গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান করা ইত্যাদি গুনাহের কাজ থেকে বেঁচে থাকতে বলা হয়েছে। এগুলো সমাজে বিপর্যয় সৃষ্টি করে।

 

আদেশ-নিষেধ-হিদায়াত

১. দ্বিনের পথে অগ্রগামীরাই সিদ্ধান্ত নেবে।

(আয়াত : ১)

২. বড়দের সামনে উচ্চকণ্ঠ হয়ো না। (আয়াত : ২)

৩. সাহাবায়ে কিরাম (রা.) ক্ষমাপ্রাপ্ত। (আয়াত : ৩)

৪. প্রচারের আগে সংবাদ যাচাই করো। (আয়াত : ৬)

৫. মানুষের বিবাদ মিটিয়ে দাও। (আয়াত : ৯)

৬. কাউকে নিয়ে উপহাস কোরো না। (আয়াত : ১১)

৭. কাউকে মন্দ নামে ডেকো না। (আয়াত : ১১)

৮. খারাপ ধারণা ও গিবত থেকে বেঁচে থেকো।

(আয়াত : ১২)

৯. আল্লাহভীতি সম্মানের মাপকাঠি। (আয়াত : ১৩)

১০. মৌখিক দাবি ঈমান গ্রহণযোগ্য হওয়ার পক্ষে যথেষ্ট নয়। (আয়াত : ১৪)

 

সুরা কাফ

আলোচ্য সুরায় কাফিরদের ঈমানবিমুখতা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। তাদের কথা খণ্ডন করা হয়েছে, যারা পুনরুত্থানে বিশ্বাস করে না। পরে সৃষ্টিজগতের বিভিন্ন বস্তুর কথা তুলে ধরে আল্লাহর কুদরতের প্রমাণ দেওয়া হয়েছে। অতীতের পাপীদের কিছু উদাহরণ আনা হয়েছে। যারা আল্লাহর আজাবকে ভয় করে, তাদের কোরআনের মাধ্যমে সতর্ক করার নির্দেশ দিয়ে সুরাটি শেষ করা হয়েছে।

 

আদেশ-নিষেধ-হিদায়াত

১. সত্য স্পষ্ট হওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান কোরো না। (আয়াত : ৫)

২. আল্লাহ মানুষের সন্নিকটে উপস্থিত। (আয়াত : ১৬)

৩. মানুষের সব কথাই লিপিবদ্ধ হয়। (আয়াত : ১৮)

৪. মৃত্যু অবধারিত। (আয়াত : ১৯)

৫. অতৃপ্তি জাহান্নামের বৈশিষ্ট্য। (আয়াত : ৩০)

৬. আল্লাহমুখী মানুষের জন্য জান্নাত। (আয়াত : ৩২)

৭. আল্লাহকে ভয় করো। (আয়াত : ৩৩-৩৪)

 

সুরা জারিয়াত

আলোচ্য সুরায় আল্লাহর ওয়াদা সত্য হওয়ার কিছু নজির তুলে ধরা হয়েছে। এখানে বিভিন্ন নবীর ঘটনা বর্ণনা করে দেখানো হয়েছে যে যুগে যুগে আল্লাহর আজাবের ওয়াদা সত্য হয়েছে। কিয়ামতের বর্ণনার মাধ্যমে সুরাটি শুরু হয়েছে। সুরার শেষের দিকে বলা হয়েছে, মানুষ ও জিন জাতিকে সৃষ্টি করা হয়েছে আল্লাহর পরিচয় লাভের জন্য, তাঁর ইবাদতের জন্য।

 

আদেশ-নিষেধ-হিদায়াত

১. মিথ্যাচারীরা আল্লাহর দরবারে অভিশপ্ত।

(আয়াত : ১০-১১)

২. তাহাজ্জুদ আল্লাহর প্রিয় আমল। (আয়াত : ১৭-১৮)

৩. ধনীর সম্পদে গরিবের অধিকার রয়েছে।

(আয়াত : ১৯)

৪. সালাম দ্বারা পরস্পরকে অভিনন্দিত করো।

(আয়াত : ২৫)

৫. আল্লাহ বন্ধ্যা নারীকেও সন্তান দিতে পারেন।

(আয়াত : ২৯-৩০)

৬. অভিশপ্ত জাতিদের দেখে শিক্ষা নাও। (আয়াত : ৩৭)

৭. ক্ষমতার দম্ভে সত্যবিমুখ হয়ো না। (আয়াত : ৩৯)

৮. দ্বিন প্রচারকরা সমালোচনা উপেক্ষা করবে।

(আয়াত : ৫৪-৫৫)

 

সুরা তুর

আলোচ্য সুরায় বিভিন্ন বিষয়ের কসম খেয়ে সেই ওয়াদার পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে। পাশাপাশি মহানবী (সা.)-এর প্রতি দ্বীন প্রচারের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কাফিরদের অপপ্রচারে কান দিতে নিষেধ করা হয়েছে। মহানবী (সা.)-এর প্রতি ধৈর্যের উপদেশ দিয়ে সুরাটি শেষ হয়েছে।

 

আদেশ-নিষেধ-হিদায়াত

১. অর্থহীন কথা ও কাজ পরিহার করো।

(আয়াত : ১১-১২)

২. জাহান্নামিদের অপমানের সঙ্গে হাজির করা হবে। (আয়াত : ১৩-১৪)

৩. কোরআন সব সংশয়ের ঊর্ধ্বে। (আয়াত : ৩৩-৩৪)

 

গ্রন্থনা : মুফতি আতাউর রহমান

 

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ