২০২৪ বা ২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পথে। উত্তরণের পর শুল্কমুক্ত সুবিধা থাকবে না। এই সময়ে শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় আসতে হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের শর্ত হিসেবে শ্রম অধিকার ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য বাংলাদেশকে ২৭টি মানবাধিকার ও শ্রমমান সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক রীতি মেনে চলতে হবে।
ইউরোপে জিএসপি প্লাস
শ্রম অধিকার নিশ্চিত করার তাগিদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রবন্ধে বলা হয়; বাংলাদেশের বড় রপ্তানি বাজার ইউরোপ।
মালিকপক্ষের সংগঠন বিজিএমইএ সহসভাপতি আরশাদ জামাল দিপু বলেন, ‘শ্রম আইন বাস্তবায়নে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় নিতে হবে। কারণ ৯৮ শতাংশ উদ্যোক্তাই বাংলাদেশের।’ তিনি একটি সমন্বিত শ্রম নীতি করার পরামর্শ দেন; যেন ট্রেড ইউনিয়নের কারণে উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাহত না হয়।
অন্যদিকে শ্রমিক নেতা চৌধুরী আশিকুল আলম বলেন, ‘বৈশ্বিক চেইনে ব্যবসা করতে হলে বৈশ্বিক মানদণ্ড মেনেই করতে হবে।
বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) মহাসচিব ফারুক আহমেদ বলেন, ‘কোনো চাপে নয়, বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য শ্রম আইন বিশ্বমানের করতে হবে।’ তবে তিনি মনে করেন জিএসপি প্লাস সুবিধা একটি রাজনৈতিক ইস্যু। কেননা পাকিস্তান ও বলিভিয়ার শ্রম অধিকার বাংলাদেশ থেকে উন্নত নয়।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর টুওমো পটিআইনন বলেন, ‘শ্রম অধিকার ও সুশাসন নিশ্চিতের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর গুণগত মান ও দক্ষতা বাড়াতে হবে।’ তিনি জাতীয় কর্ম পরিকল্পনা (এনএপি) ও সামাজিক সংলাপকে গুরুত্ব দিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এটা সরকারের অর্থনৈতিক রূপকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য জিএসপি প্লাস যেমন দরকার একই সঙ্গে শ্রম অধিকার নিশ্চিত করা আরো গুরুত্বপূর্ণ। এটা দেশের জন্য। এগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে জিএসপি প্লাস পেতে সহায়ক হবে। এ জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। শ্রম আদালত বাড়াতে হবে। এ ছাড়া বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে অভ্যন্তরীণ আইনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।’ রাষ্ট্রদূত রেন্সজে তেরিংকের মতে, বাংলাদেশকে শ্রমিকবান্ধব একটি দেশ হিসেবে পরিচিত করার প্রয়োজন রয়েছে, যা শুধু জিএসপি+ সুবিধা পেতে নয় বরং শ্রমিকদের সামগ্রিক উন্নয়নে সাহায্য করবে।
সংলাপে সূচনা বক্তব্যে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন জানান, বাংলাদেশের জিএসপি প্লাস সুবিধা পেতে প্রাসঙ্গিক মানদণ্ডগুলোর পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে আইনগত ত্রুটিগুলো পর্যালোচনা এবং শ্রমের মান সম্পর্কিত জিএসপি প্লাসের প্রয়োজনীয়তা পূরণ বিষয়ে যৌথভাবে সিপিডি ও নেটওয়ার্কস ম্যাটার এই গবেষণা পরিচালনা করেছে। এতে আরো বক্তব্য দেন বিইএফের সভাপতি কামরান টি রহমান, শ্রম অধিদপ্তরের পরিচালক মো. বেলাল হোসেন শেখ, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন প্রমুখ।

শূন্য করের রিটার্ন কমাতে হবে : অর্থ উপদেষ্টা
অনলাইন ডেস্ক

অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘অনেকেই শূন্য করের রিটার্ন দেয়, তাদের আয় আছে কিন্তু তারা রিটার্ন দেয় না। এটা কমাতে হবে। ভ্যাটের ক্ষেত্রে আমরা একবারে সিঙ্গেল রেটে আসতে পারব না।’
আজ রবিবার সচিবালয়ে আইএমএফের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘আইএমএফের মূল কনসার্ন হলো রেভিনিউ জেনারেট ও বাজেটের আকার কত হবে, ডেফিসিট কত হবে, আপাতত এসব নিয়ে আলাপ হয়েছে। এসব নিয়ে সামনে আরো আলাপ হবে। বাংলাদেশের লোন রেভল্যুশন নিয়ে কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আইএমএফ বলেছে দেশের অর্থনীতি বর্তমানে স্থিতিশীল আছে। তবে সঠিক দিকেই আছে। সামনে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, ‘রেভিনিউতে আমাদের লিকেজ আছে। সেটা কমাতে হবে। জিডিপির রেশিও কমাতে হবে।

দেশে রিজার্ভ বেড়ে ২৫.৬২ বিলিয়ন ডলার
অনলাইন ডেস্ক

দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫.৬২ বিলিয়ন ডলারে। রবিবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, চলতি মাসের ৬ তারিখ পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ২৫৬২৫.৩৮ মিলিয়ন বা ২ হাজার ৫৬২ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ এখন ২০৪৬০.৫২ মিলিয়ন বা ২ হাজার ৪৬ কোটি ৫ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার।
এর আগে মার্চ মাসের ২৭ তারিখ কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছিল, সেদিন পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ২৫৪৪০.৮৮ মিলিয়ন বা ২ হাজার ৫৪৪ কোটি ৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ এখন ২০২৯৬.৯৩ মিলিয়ন বা ২ হাজার ২৯ কোটি ৬৯ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।
এদিকে গত মার্চ মাসে দেশে এসেছে ৩২৯ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনে এক মাসে সর্বোচ্চ।

সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়নি বৈঠকে
অনলাইন ডেস্ক

বোতলজাত সয়াবিনের দাম একলাফে লিটারে ১৮ টাকা বাড়াতে চান ব্যবসায়ীরা; আর খোলা সয়াবিনের দাম বাড়াতে চান লিটারে ১৩ টাকা। গত ২৭ মার্চ এই সিদ্ধান্তের কথা সরকারকে জানিয়েছে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।
আজ রবিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।
বৈঠক শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য (আইআইটি) দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব আব্দুর রাজ্জাক গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমরা আজকের বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। তবে আগামী দু-এক দিনের মধ্যে আরেকটি বৈঠক হবে।’
আগামী মঙ্গলবার আবারও ভোজ্য তেল পরিশোধন কারখানার মালিকদের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে জানা গেছে।

বাংলাদেশে ব্যবসার অনুমোদন পেয়েছে স্টারলিংক
অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম উপগ্রহভিত্তিক ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংককে বাংলাদেশে ব্যবসা করার জন্য অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা)।
রবিবার (৬ এপ্রিল) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট-২০২৫’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এ কথা জানান।
বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে কাজ করতে হলে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) থেকে নিবন্ধন নিতে হয়।
তিনি বলেন, ‘গত মাসের ২৯ তারিখ আমরা অনুমোদন দিয়েছি।