মৌলভীবাজার জেলার মধ্যে কুলাউড়া উপজেলা সর্ববৃহৎ। এই উপজেলার প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসাস্থল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট থাকায় কোনোমতে জোড়াতালি দিয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা। এ কারণে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীরা চরম দূর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
কুলাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঁচ লাখ মানুষের জন্য চিকিৎসক ২ জন
মাহফুজ শাকিল, কুলাউড়া (মৌলভীবাজার)

এদিকে সাধারণ রোগীদের সেবা পেতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। হাসপাতালের একমাত্র শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আবু বকর নাসের রাশু হাসপাতালে কর্মরত থাকলেও তিনি সপ্তাহে দুই একদিন গিয়ে শুধু হাজিরা দিয়ে চলে আসেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিশু রোগী।
তবে হাসপাতালে আসা শিশু রোগীদের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জাকির হোসেন তাঁর কক্ষে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
পর্যাপ্ত মেডিক্যাল অফিসার না থাকায় সেকমো, ব্রাদার ও ফার্মাসিস্ট দিয়ে রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতাল ও ১৩টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ মঞ্জুরীকৃত ৩৯টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে আছেন মাত্র ২ জন।
উপজেলায় ২১টি পদের মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জাকির হোসেন, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. সারমিন ফারহানা জেরিন ও মেডিক্যাল অফিসার ডা. মোহনা আক্তার দায়িত্বরত রয়েছেন।
কনসালটেন্ট ৬ জনের মধ্যে ৩ জন কুলাউড়ায় কর্মরত আছেন। প্রেষণে থাকা কনসালটেন্টদের মধ্যে জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারী) ডা. মো. সাদেকুল আলম ও জুনিয়র কনসালটেন্ট অর্থোপেডিক্স (সার্জারী) ডা. মোহাম্মদ মাসউদুর রহমান প্রায় আট মাস ধরে প্রেষণে নিজেদের স্বার্থের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে কর্মরত আছেন।
চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ইকবাল বাহার সপ্তাহে রবি ও বৃহস্পতিবার দায়িত্ব পালন করছেন কুলাউড়ায় আর বাকি ৪ দিন সিলেট শামছুদ্দিন হাসপাতালে। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আবু বকর নাসের রাশু হাসপাতালে কর্মরত থাকলেও তিনি হাসপাতালে গিয়ে শুধু হাজিরা দিয়ে চলে আসেন।
এদিকে গাইনী চিকিৎসক না থাকায় জুনিয়র কনসালটেন্ট (এনেস্থিসিয়া) ডা. আমিনুল ইসলাম গত দুই বছর ধরে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন। জুনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজী) ডা. মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ সপ্তাহে দুই-তিন রোগী দেখছেন। এছাড়া হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন), গাইনী, চক্ষু, আরএমও, দুইজন মেডিক্যাল অফিসার, এমও (আয়ূর্বেদিক), ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ১৬জন মেডিক্যাল অফিসারের পদ শূন্য রয়েছে।
দ্রুত গতিতে চিকিৎসক সংকট ও সমস্যা সমাধানের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রেষণ আদেশ বাতিল ও নতুন চিকিৎসক নিয়োগের দাবি জানান ভুক্তভোগীসহ কুলাউড়ার সচেতনমহল।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জাকির হোসেন বলেন, চিকিৎসক সংকটে থাকলেও ভর্তি রোগী ও আগত রোগীদের আন্তরিকভাবে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি। পর্যাপ্ত চিকিৎসক পদায়ন করলে রোগীদের আরো বেশি সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।
মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মামুনুর রহমান বলেন, কুলাউড়াসহ ৭ উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। প্রয়োজনে আবারো চিঠি দেওয়া হবে। আর প্রেষণে থাকা চিকিৎসকদের বিষয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকে অবগত করা হয়েছে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
সম্পর্কিত খবর

মদ্যপ অবস্থায় থানায় ঢুকে গালিগালাজ, যুবদলের দুই নেতা বহিষ্কার
সিংগাইর, হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে দুই যুবদল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল। একটি মারামারি মামলার এজহারভুক্ত আসামিকে ছাড়াতে মদ্যপ অবস্থায় থানায় ঢুকে পুলিশের সঙ্গে অসাদাচারণ ও গালিগালাজ করার অভিযোগে তাদের বহিষ্কার হয়।
রবিবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যায় পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া।
বহিষ্কৃতরা হলেন- সিংগাইর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মো. শফিকুল ইসলাম সরকার (জীবন) ও পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য শফিকুল ইসলাম (২৫)।
বিজ্ঞপ্তিতিতে জানানো হয়, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন অনুমোদন করেছেন।
এ ছাড়া বহিষ্কৃতদের কোনো কর্মকাণ্ডের দায় দল বহন করবে না বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি যুবদলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক যোগাযোগ না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার দিবাগত রাতে একটি মারামারি মামলার এজহারভুক্ত এক আসামিকে ছাড়াতে মদ্যপ অবস্থায় থানায় ঢুকে পুলিশের সঙ্গে অসাদাচারণের অভিযোগে দুই যুবদল নেতা গ্রেপ্তার হন। এই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় রবিবার সকালে তাদের দুজনকে আদালতে পাঠায় পুলিশ। পরে আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান তারা।
সিংগাইর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পার্থ শেখর ঘোষ জানান, শনিবার একটি মারামারির মামলায় আরিফ নামে এক এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পিরোজপুরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ২
পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. হানিফ খানকে (৪৫) গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (৫ এপ্রিল) গভীর রাতে সদর উপজেলার কদমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রবিবার (৬ এপ্রিল) পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মিঠুন কুমার দাস বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. হানিফ খানের স্ত্রী মোসা. নাসিমা আক্তার (৪০) ও সদর উপজেলার পান্তাডুবি গ্রামের আক্কাছ আলী শেখের ছেলে নুরুজ্জামান শেখ (৩৫)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৫ এপ্রিল) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠি গ্রামে একাধিক নাশকতা মামলার আসামি পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. হানিফ খান তার বসতঘরের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সদস্যদের নিয়ে নাশকতা করার জন্য গোপন বৈঠক করছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ হানিফ খানকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে ঘরের সদস্যদের দরজা খুলতে বললে আসামিরা উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের ওপর দেশীয় অস্ত্রসহ হামলা করে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এস আই) মোজাম্মেল বলেন, আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি কদমতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফ খান আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সদস্যদের নিয়ে গোপন বৈঠক করছে। অভিযানে সত্যতা যাচাইয়ে ও আসামি হানিফ খানকে আটকের জন্য গেলে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সোবহান বলেন, আসামি গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সহকর্মীদের মারামারি ঠেকাতে গিয়ে প্রাণ গেল হোটেল শ্রমিকের
সালথা-নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

জয়পুরহাট শহরের নতুন হাট এলাকায় কুসুম সুইটস অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে ওয়েটারের কাজ করার সময় দুই সহকর্মীর মারামারি ঠেকাতে গিয়ে রডের আঘাত নিহত হয়েছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মো. জাহিদ হাসান (৩৫)।
রবিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে তিনি মারা যান।
এর আগে সকাল ৯টার ওই রেস্টুরেন্টের শ্রমিক শাহীন মিয়ার (২৫) রডের আঘাতে জাহিদ হাসান গুরুতর আহত হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শাহীন মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির মেম্বার জানান, জাহিদ অত্যন্ত একজন ভালো ছেলে।
জয়পুরহাটের কুসুম সুইটসের ম্যানেজার ফরহাদ হোসেন জানান, রবিবার সকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হোটেল শ্রমিক নাসিমের সঙ্গে শাহিনের মারামারি হয়। এ সময় ওয়েটার জাহিদ তাদের মারামারি ঠেকাতে গেলে শাহীন তাকে রুটি বানানোর বেলুন দিয়ে প্রথমে আঘাত করেন। পরে আবারও জাহিদকে তিনি একটি রড দিয়ে মাথায় সজোরে আঘাত করে জখম করেন।
গুরুতর আহত জাহিদকে উদ্ধার করে প্রথমে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আলম সিদ্দিক। তিনি বলেন, জাহিদকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হোটেল শ্রমিক শাহিনকে আটক করেছে পুলিশ।

‘কোনো নেতাকর্মী অপরাধে জড়িয়ে পড়লে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই’
ভোলা প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, ভোলাসহ সারা দেশে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী যদি অন্যায়, হত্যাকাণ্ড, দখলদারিত্ব ও দুর্বৃত্তপনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে তাহলে তাকে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের কাজ হচ্ছে দল থেকে তাকে সাংগঠনিকভাবে শাস্তি দেওয়া। আর প্রশাসনের কাজ হচ্ছে তাকে গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনা এবং আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সর্বশেষ তার বিচার নিশ্চিত করা। আমরা চাই আগামী দিনে কেউ যাতে অপরাধের সঙ্গে না জড়ায়।
রবিবার (৬ এপ্রিল) রাতে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আবুবকরপুর ইউনিয়নে সম্প্রতি হত্যার শিকার যুবদলকর্মী মো. মাসুদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আবুবকরপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছসেবক দলের সদস্য সচিব আল আমিনের হামলায় যুবদলকর্মী মাসুদ নিহতের কথা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, আল আমিন আমাদের সংগঠনের একজন নেতা ছিল এটা আমরা অস্বীকার করি না। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত সে অন্যায় করেনি ততক্ষণ পর্যন্ত সে আমাদের নেতা ছিল। যখনই সে অন্যায় করবে তখন দল তাকে নিজের মনে করবে না।
নির্বাচন নিয়ে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এদেশের মানুষ গত ১৬ বছর ভোট দিতে পারেনি। এমনকি ভোট কেন্দ্রেও যেতে পারেনি। মানুষ চায় ভোট কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে। তাই আমরা চাচ্ছি নির্বাচন নির্বিঘ্ন ও সুষ্ঠুভাবে করতে যে সংস্কারটুকু দরকার সেই সংস্কারের পর পরই যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক।
এ সময় তার সঙ্গে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাকিব চৌধুরী, চরফ্যাশন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য টিপু উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মঞ্জুর ইসলাম ও মমিনুল ইসলাম ভুট্টু, জেলা যুবদেলর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের সেলিম, সহসভাপতি ফখরুল ইসলাম ফেরদাউস, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনির হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক হারুন অর রশিদ সুমন, জেলা ছাত্রদল নেতা নুর মোহাম্মদ রুবেল, সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল রাসেল, ভোলা পৌরসভা ছাত্রদলের আহবায়ক জাকারিয়া মঞ্জুসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নুরুল ইসলাম নয়ন ঢাকা থেকে রবিবার সন্ধ্যায় চরফ্যাশনে এসে নিহত যুবদল কর্মী মাসুদের কবর জিয়ারত করেন। পরে তার পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়ে আর্থিক সহায়তা করেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার দুপুরের দিকে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আবুবকরপুর ইউনিয়নে সালিসে না যাওয়ায় মো. মাসুদ নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে ওই ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. আল আমিন। এ ঘটনায় আল আমিনকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাইয়ের দায়ের করা মামলায় ৯ জনকে গ্রেপ্তার করলেও মামলার প্রধান আসামি আল আমিনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তারের দবিতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।