ঢাকা, সোমবার ০৭ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৭ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, সোমবার ০৭ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৭ শাওয়াল ১৪৪৬

সাভারে ফের চলন্ত বাসে যাত্রীদের জিম্মি করে ছিনতাই

সাভার (ঢাকা) সংবাদদাতা
সাভার (ঢাকা) সংবাদদাতা
শেয়ার
সাভারে ফের চলন্ত বাসে যাত্রীদের জিম্মি করে ছিনতাই
সংগৃহীত ছবি

সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পুলিশ টাউন এলাকায় আবারও চলন্ত বাসের ভেতর প্রকাশ্য দিবালোকে যাত্রীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছিনতাইকারীরা ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে যাত্রীদের মানিব্যাগ ও মোবাইলসহ মূল্যবান মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। 

রবিবার দুপুর ২টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পুলিশ টাউন এলাকায় সাভার পরিবহনের একটি চলন্ত বাসে এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।

এর ঠিক দুই সপ্তাহ আগেও একইভাবে শুভযাত্রা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসায় পুলিশ টাউন নামক একই জায়গায় যাত্রী উঠানোর সময় ৩ জনকে ছুরিকাঘাত করে যাত্রীদের মোবাইল, মানিব্যাগসহ মূল্যবান মালামাল ছিনতাই করে নিয়ে যায়।

এর ফলে বিভিন্ন পরিবহনে চলাচলকারী যাত্রীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী বাসযাত্রী নাজমুল হুদা বলেন, দুপুরে আশুলিয়ার শ্রীপুর থেকে সাভার পরিবহনের একটি বাসে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেই। পরে বাসটি ২০-২৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পুলিশ টাউন এলাকায় যাত্রী নেওয়ার জন্য থামলে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। এ সময় ৫-৬ জন ছিনতাইকারী দেশীয় অস্ত্রের মুখে বাসের যাত্রীদের মানিব্যাগ ও মোবাইলসহ মূল্যবান জিনিস ছিনিয়ে নেয়।

ছিনতাইকারীরা আমার মোবাইলটিও ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত বাস থেকে নেমে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, কয়েকদিন আগেও একই স্থানে চলন্ত বাসে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছিলেন। আজ আমি নিজেও প্রকাশ্য দিবালোকে চলন্ত বাসে ছিনতাইয়ের শিকার হলাম। তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে যাত্রীদের কোনো ক্ষতি হয়নি।

কিন্তু এভাবে প্রতিনিয়ত যেভাবে প্রকাশ্যে ছিনতাইকারীরা বাসে উঠে ছিনতাই করছে, এতে আমরা সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। 

সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সওগাতুল আলম বলেন, সাভার পরিবহনের একটি চলন্ত বাসে ছিনতাইয়ের ঘটনা শুনেছি। গাড়িটি যাত্রী নিয়ে ঢাকায় চলে গেছে। এরই মধ্যে আমরা গাড়ির চালকের সঙ্গে কথা বলেছি, গাড়িটি থানায় নিয়ে আসতে বলেছি। বিষয়টি জেনে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সহকর্মীদের মারামারি ঠেকাতে গিয়ে প্রাণ গেল হোটেল শ্রমিকের

সালথা-নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
সালথা-নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
শেয়ার
সহকর্মীদের মারামারি ঠেকাতে গিয়ে প্রাণ গেল হোটেল শ্রমিকের

জয়পুরহাট শহরের নতুন হাট এলাকায় কুসুম সুইটস অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে ওয়েটারের কাজ করার সময় দুই সহকর্মীর মারামারি ঠেকাতে গিয়ে রডের আঘাত নিহত হয়েছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মো. জাহিদ হাসান (৩৫)।

রবিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে তিনি মারা যান।  

এর আগে সকাল ৯টার ওই রেস্টুরেন্টের শ্রমিক শাহীন মিয়ার (২৫) রডের আঘাতে জাহিদ হাসান গুরুতর আহত হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শাহীন মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত জাহিদ হাসান সালথা উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের গ্রামের ইশাহাক মোল্যার ছেলে। তিনি ৩ বছর ও ১ বছর বয়সি দুই ছেলের জনক। এদিকে জাহিদের এমন মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির মেম্বার জানান, জাহিদ অত্যন্ত একজন ভালো ছেলে।

জীবিকার তাগিদে সালথা থেকে জয়পুরহাটে একটি হোটেলে কাজ করতেন জাহিদ। এবার ঈদের ছুটি কাটিয়ে গত শনিবার বাড়ি থেকে জয়পুরহাটে যান তিনি। রবিবার তার মৃত্যু খবর পায় পরিবার। জাহিদের এই মৃত্যুতে পাগলপ্রায় তার পরিবার।
দুই শিশু সন্তান ও স্ত্রীকে এখন থেকে কে দেখশোনা করবে সেই চিন্তায় রয়েছে তারা।

জয়পুরহাটের কুসুম সুইটসের ম্যানেজার ফরহাদ হোসেন জানান, রবিবার সকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হোটেল শ্রমিক নাসিমের সঙ্গে শাহিনের মারামারি হয়। এ সময় ওয়েটার জাহিদ তাদের মারামারি ঠেকাতে গেলে শাহীন তাকে রুটি বানানোর বেলুন দিয়ে প্রথমে আঘাত করেন। পরে আবারও জাহিদকে তিনি একটি রড দিয়ে মাথায় সজোরে আঘাত করে জখম করেন।

গুরুতর আহত জাহিদকে উদ্ধার করে প্রথমে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।

হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আলম সিদ্দিক। তিনি বলেন, জাহিদকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হোটেল শ্রমিক শাহিনকে আটক করেছে পুলিশ।

মন্তব্য

‘কোনো নেতাকর্মী অপরাধে জড়িয়ে পড়লে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই’

ভোলা প্রতিনিধি
ভোলা প্রতিনিধি
শেয়ার
‘কোনো নেতাকর্মী অপরাধে জড়িয়ে পড়লে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই’
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, ভোলাসহ সারা দেশে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী যদি অন্যায়, হত্যাকাণ্ড, দখলদারিত্ব ও দুর্বৃত্তপনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে তাহলে তাকে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের কাজ হচ্ছে দল থেকে তাকে সাংগঠনিকভাবে শাস্তি দেওয়া। আর প্রশাসনের কাজ হচ্ছে তাকে গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনা এবং আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সর্বশেষ তার বিচার নিশ্চিত করা। আমরা চাই আগামী দিনে কেউ যাতে অপরাধের সঙ্গে না জড়ায়।

রবিবার (৬ এপ্রিল) রাতে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আবুবকরপুর ইউনিয়নে সম্প্রতি হত্যার শিকার যুবদলকর্মী মো. মাসুদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। 

আবুবকরপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছসেবক দলের সদস্য সচিব আল আমিনের হামলায় যুবদলকর্মী মাসুদ নিহতের কথা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, আল আমিন আমাদের সংগঠনের একজন নেতা ছিল এটা আমরা অস্বীকার করি না। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত সে অন্যায় করেনি ততক্ষণ পর্যন্ত সে আমাদের নেতা ছিল। যখনই সে অন্যায় করবে তখন দল তাকে নিজের মনে করবে না।

ভবিষ্যতে যদি কেউ এরকম বিশৃঙ্খলা ও দুর্বৃত্তপনা করতে চায় এবং অন্যায় কাজে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে আমার দল থেকে তাকে ছাড় দেবে না। দল তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। পাশাপাশি আমরা প্রশাসনকে আহবান জানাব যাতে সেই অপরাধীকে তারা আইনের আওতায় নিয়ে আসে। আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তার শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

নির্বাচন নিয়ে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এদেশের মানুষ গত ১৬ বছর ভোট দিতে পারেনি। এমনকি ভোট কেন্দ্রেও যেতে পারেনি। মানুষ চায় ভোট কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে। তাই আমরা চাচ্ছি নির্বাচন নির্বিঘ্ন ও সুষ্ঠুভাবে করতে যে সংস্কারটুকু দরকার সেই সংস্কারের পর পরই যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক।

এ সময় তার সঙ্গে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাকিব চৌধুরী, চরফ্যাশন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য টিপু উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মঞ্জুর ইসলাম ও মমিনুল ইসলাম ভুট্টু, জেলা যুবদেলর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের সেলিম, সহসভাপতি ফখরুল ইসলাম ফেরদাউস, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনির হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক হারুন অর রশিদ সুমন, জেলা ছাত্রদল নেতা নুর মোহাম্মদ রুবেল, সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল রাসেল, ভোলা পৌরসভা ছাত্রদলের আহবায়ক জাকারিয়া মঞ্জুসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

নুরুল ইসলাম নয়ন ঢাকা থেকে রবিবার সন্ধ্যায় চরফ্যাশনে এসে নিহত যুবদল কর্মী মাসুদের কবর জিয়ারত করেন। পরে তার পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়ে আর্থিক সহায়তা করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার দুপুরের দিকে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আবুবকরপুর ইউনিয়নে সালিসে না যাওয়ায় মো. মাসুদ নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে ওই ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. আল আমিন। এ ঘটনায় আল আমিনকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাইয়ের দায়ের করা মামলায় ৯ জনকে গ্রেপ্তার করলেও মামলার প্রধান আসামি আল আমিনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তারের দবিতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। 

মন্তব্য

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কুমিল্লায় সিসিইউতে ভর্তি বরকত উল্লাহ বুলু

কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লা প্রতিনিধি
শেয়ার
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কুমিল্লায় সিসিইউতে ভর্তি বরকত উল্লাহ বুলু
হাসপাতালে ভর্তি বরকত উল্লাহ বুলু। ছবি: কালের কণ্ঠ

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু অসুস্থ হয়ে কুমিল্লা নগরীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালের সিসিইউতে (অ্যাডভান্সড করোনারি কেয়ার ইউনিট) ভর্তি হয়েছেন।

রবিবার (৬ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে তাকে নগরীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ নেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমিন-উর-রশিদ ইয়াছিনসহ স্থানীয় নেতারা।

রাত সোয়া ১১টায় কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু কালের কণ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দলীয় সূত্র জানায়, রবিবার রাত ৮টায় নোয়াখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন বরকত উল্লাহ বুলু। কুমিল্লার লাকসাম উপজেলা পার হওয়ার পর হঠাৎ শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত রিসিভ করে কুমিল্লা নগরীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করান।

এ বিষয়ে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত কুমিল্লা মুন হাসপাতালে ভর্তি করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে।

বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে। এখন তিনি সিসিইউতে আছেন। ঢাকায় চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্য

টঙ্গীতে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিক খুন

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর
আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর
শেয়ার
টঙ্গীতে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিক খুন
প্রতীকী ছবি

টঙ্গীতে একটি খোলা মাঠে আলিমুল (২৫) নামে এক পোশাক শ্রমিককে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়েছে। নিহত আলিমুল নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থানার কলিমুদ্দিনের ছেলে। সে মুদাফ এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে স্থানীয় একটি গার্মেন্টসে পোশাক শ্রমিকের কাজ করতেন।

রবিবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন ৫২নং ওয়ার্ডের বড় দেওড়া মুদাফা এলাকার উত্তরা প্রবর্তন সিটির মাঠে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতের বুকের বাম পাশে দাঁড়াল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহত যুবকের গায়ে সাদাকালো চেক শার্ট ও নেভি ব্লু জিন্স প্যান্ট ছিল।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, প্রবর্তন মাঠে হঠাৎ চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ শোনে মানুষ দৌড়ে যায়। সেখানে গুরুতর আহত অবস্থায় অজ্ঞাত যুবককে উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন উত্তরার ইস্ট ওয়েস্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

রাত ৮টা ২৫ মিনিটে কর্তব্যরত জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. তারানা বিনতে আনোয়ার মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের চাচা রেজওয়ান জানান, আমার ভাতিজা মুদাফা এলাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করে। আগামীকাল তার অফিস খোলা। কিন্তু একদিন আগেই আলিমুল বাড়ি থেকে টঙ্গীতে যান।

এরপর আজ রাতে তার মৃত্যুর সংবাদ পাই।

টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইসকান্দার হাবিবুর রহমান কালের কণ্ঠকে খুনের সংবাদটি নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিচয় শনাক্ত ও আসামি গ্রেপ্তারে কাজ চলছে।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ