ঢাকা, রবিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, রবিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৬

ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত হলেন বিদ্যা সিনহা মীম

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
শেয়ার
ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত হলেন বিদ্যা সিনহা মীম
বিদ্যা সিনহা মিম

অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মীম বাংলাদেশে ইউনিসেফের নতুন শুভেচ্ছা দূত নিযুক্ত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি পাঁচতারা হোটেলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি শেলডনের উপস্থিতিতে এক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে শুভেচ্ছা দূত হিসেবে আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু করেন মীম। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিদ্যা সিনহা মীম কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এমন একটি প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। শিশুদের জন্য এখন আরো অনেক বেশি কাজ করতে পারব।

এটা সত্যি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের। এখন আমার কাজ হবে নতুন উদ্যমে আরো বেশি, শিশুদের সব ধরনের বিষয়ে থাকার যে চেষ্টা সেটা আমার জন্য গতিশীল হবে।' 

এখন থেকে বিদ্যা সিনহা সাহা মীম বাংলাদেশে ইউনিসেফের জাতীয় দূত হিসেবে আরিফা পারভিন জামান মৌসুমী, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও জুয়েল আইচ এবং বাংলাদেশে ইউনিসেফের ইয়ুথ অ্যাডভোকেট হিসেবে রাবা খানের সঙ্গে যোগ দেবেন এবং তাদের মতো নিজেদের জনপ্রিয়তা ও জোরালো কণ্ঠস্বর কাজে লাগিয়ে শিশু অধিকার রক্ষায় কাজ করবেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মীম বলেন, ‌'সারা দেশে শিশুদের জন্য, তাদের শিক্ষা, সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইউনিসেফ আমাদের সঙ্গে আছে।

আমি দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের জন্য ইউনিসেফের কাজে মুগ্ধ। প্রতিটি শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠায় সেই কাজের অংশ হতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ। শিশু ও নারীদের অধিকারের জন্য সোচ্চার হওয়া আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব। আমি সেই দায়িত্ব ইউনিসেফের সঙ্গে একত্রে পালন করতে উন্মুখ।

পেশাগত জীবনে মীম নিজেকে নারীর অধিকারের জন্য একজন অনুপ্রেরণাদায়ী সমর্থক এবং সহিংসতার বিরুদ্ধে শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বাংলাদেশে ইউনিসেফের জাতীয় শুভেচ্ছা দূত হিসেবে মীম শিশুদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করবেন বলেই জানালেন। বিশেষ করে বাংলাদেশে শিশু ও নারীরা যে ধরনের সহিংসতার মুখোমুখি হয় তার বিরুদ্ধে তিনি ইউনিসেফের পক্ষে কথা বলবেন।

এই নিয়োগের আগে মীম ইতিমধ্যে কভিড-১৯ প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে ইউনিসেফের সঙ্গে কাজ করেছেন। মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে তিনি জীবন বাঁচাতে টিকার গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং টিকাদান সেবায় আরো বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে বৈশ্বিক আহ্বানে কণ্ঠ মেলান।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, 'মীম তার অসীম প্রাণশক্তি ও উদ্যম এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে অবহেলিত শিশু ও নারীদের সুরক্ষিত রাখার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি নিয়ে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। মীমকে সঙ্গে পেয়ে আমরা আনন্দিত এবং প্রতিটি শিশুর অধিকার ও সার্বিক কল্যাণের জন্য তার সঙ্গে কাজ করতে আমরা উন্মুখ।'

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সিনেমা দেখতে বাসায় থিয়েটার আনার আবদার শাকিবপুত্রের

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
শেয়ার
সিনেমা দেখতে বাসায় থিয়েটার আনার আবদার শাকিবপুত্রের
সংগৃহীত ছবি

এবার ঈদুল ফিতরে শাকিব খান ও শবনম বুবলী; দুজনের সিনেমাই মুক্তি পেয়েছে প্রেক্ষাগৃহে। দেশের ১২০ প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে শাকিবের ‘বরবাদ’ এবং অন্যদিকে বুবলী অভিনীত ‘জংলি’ চলছে ১১টি প্রেক্ষাগৃহে।

বাবা-মায়ের সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে চললেও বয়স কম হওয়ায় হলে গিয়ে ছবি দেখা হয়নি শাকিবপুত্র শেহজাদ খান বীরের। তবে সিনেমা দেখার জন্য বাসায় থিয়েটার নিয়ে আসার আবদার করেছেন তাদের ছেলে।

শেহজাদ খান বীরের একাধিক স্থিরচিত্র ফেসবুকে পোস্ট করে তার মা শবনম বুবলী লিখেছেন, তাদের ছেলে সিনেমা দেখবেন, তবে থিয়েটারে গিয়ে নয়, থিয়েটারটাই যেন বাসায় নিয়ে আসা হয়। শেহজাদ নাকি এমন কথা তার মা শবনম বুবলীকে বলেছেন। ফেসবুকে তা প্রকাশ করেছেন।

May be an image of 1 person, child and smiling

জানা গেছে, শাকিব খানের গুলশানের বাসায় তোলা হয়েছে এসব স্থিরচিত্র।

শাকিবের বাসায় তোলা কয়েকটি স্থিরচিত্র ফেসবুকে পোস্ট করে বুবলী লিখেছেন, ‘শেহজাদ স্যারকে বললাম, স্যার, বাবা–মায়ের সিনেমা চলছে সিনেমা থিয়েটারে, সবাই দেখছে, আপনি দেখবেন না? উনি বললেন, “বাসায় বসে দেখব, থিয়েটার বাসায় নিয়ে এসো...।”’

বুবলীর এমন পোস্টের নিচের অনেকে অনেক ধরনের মন্তব্য করছেন। ইসমাইল নামের একজন লিখেছেন, ‘শেহজাদ স্যার তো পুরা ভিআইপি লেভেলের! থিয়েটারে যাবে না, থিয়েটারকেই বাসায় আনবে! নেটফ্লিক্স তো পুরান কথা, এখন থিয়েটার হোম ডেলিভারি! স্যার বললে, হতেই হয়!’

মিরাজ নামের একজন লিখেছেন, ‘দারুণ বলেছে। এত কষ্ট করে থিয়েটারে যেয়ে দেখার সময় নাই, বাড়িতে নিয়ে আসো দেখে নেব।

মন্তব্য
‘স্বাধীনতা কনসার্ট’

চার শহরে গানে গানে মাতাবেন দেশসেরা শিল্পীরা

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক
শেয়ার
চার শহরে গানে গানে মাতাবেন দেশসেরা শিল্পীরা
‘স্বাধীনতা কনসার্ট’-এ গান গাইবেন দেশের জনপ্রিয় শিল্পীরা

একসঙ্গে চার শহরে স্বাধীনতা দিবস কনসার্টের আয়োজন করছে সবার আগে বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন। রোজার কারণে ২৬ মার্চ আয়োজন করা না গেলেও ১১ এপ্রিল ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বগুড়ায় অনুষ্ঠিত হবে স্বাধীনতা কনসার্ট। গানে গানে মঞ্চ মাতাবেন শিল্পীদের পাশাপাশি জনপ্রিয় সব ব্যান্ড। 

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে কনসার্টের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য দেশের কৃষ্টি ও সংস্কৃতিতে ভারতীয় এবং পাকিস্তানি সংগীতের আগ্রাসন রুখে দিয়ে দেশীয় সমৃদ্ধ কৃষ্টি ও সংস্কৃতি তুলে ধরা। কনসার্টটি রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউসহ দেশের ৩টি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে। 

আরো পড়ুন
‘যতই দেই তাদের খুশি করা যায় না’, গৃহকর্মী প্রসঙ্গে পরীমনির পাশে দাঁড়ালেন ন্যান্সি

‘যতই দেই তাদের খুশি করা যায় না’, গৃহকর্মী প্রসঙ্গে পরীমনির পাশে দাঁড়ালেন ন্যান্সি

 

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে এ কনসার্ট আয়োজন করা হচ্ছে। মার্চে রমজান মাস থাকায়, পিছিয়ে অনুষ্ঠানটি এপ্রিলে নেওয়া হয়।

দেশের ৪টি মহানগর ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা এবং বগুড়ায় একই দিনে বিকাল ৩টা থেকে শুরু হবে কনসার্ট। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামে এম এ আজিজ স্টেডিয়াম, খুলনা স্টেডিয়াম ও বগুড়ায় আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ কিংবা আজিজুল হক কলেজ মাঠে এ আয়োজন হবে বলে জানানো হয় সংগঠনটির পক্ষ থেকে।

ঢাকায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে পারফর্ম করবেন নগর বাউল জেমস। বিজয় দিবস কনসার্টেও জেমসের পরিবেশনা দিয়ে শেষ হয়েছিল আয়োজন।

জেমস ছাড়া ঢাকায় আরও গাইবে ব্যান্ড ফিডব্যাক, শিরোনামহীন, পাওয়ারসার্জ, আপেক্ষিক, আফটার ম্যাথ, সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান, জেফার, পড়শী, ফেরদৌস ওয়াহিদ, মিলা, আগুন, হায়দার হোসেন, অনিমেষ রায়, সোহান আলী, আবরার শাহরিয়ার, মাহতিম সাকিব, সেলিম চৌধুরী, আলেয়া বেগম ও মিফতা জামান।

আরো পড়ুন
পরকীয়া বন্ধে যে আইন করতে চান অপু বিশ্বাস

পরকীয়া বন্ধে যে আইন করতে চান অপু বিশ্বাস

 

চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে গান শোনাবে ব্যান্ড মাইলস, সোলস, আর্ক, লালন, অ্যাশেজ, সাবকনসাস, বে অব বেঙ্গল, তীরন্দাজ, মেট্রিক্যাল, সংগীতশিল্পী কিরণ দাস, ইমরান, কোনাল, চিশতি বাউল, তাসনিম আনিকা, সালমা, রায়হান, শুভ্র, মৌসুমী, ইথুন বাবু, পরাণ আহসান, আকলিমা মুক্তা ও ঋতুরাজ।

খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে দর্শক মাতাবে ব্যান্ড ওয়ারফেজ, আর্বোভাইরাস, সোনার বাংলা সার্কাস, কার্নিভাল, বাংলা ফাইভ, কাগুল, কুঁড়েঘর, বিবর্তন, সংগীতশিল্পী মনির খান, আসিফ আকবর, বালাম, তাহসান খান, কনা, নাসির, জয় শাহরিয়ার, টুনটুন বাউল, রুখসার রহমান, লিজা ও পলাশ।

আরো পড়ুন
দুঃসময় কাটাতে বাজরাঙ্গির সিক্যুয়াল আনছেন সালমান খান

দুঃসময় কাটাতে বাজরাঙ্গির সিক্যুয়াল আনছেন সালমান খান

 

বগুড়া আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে গাইবে ব্যান্ড আর্টসেল, অ্যাভয়েড রাফা, ডিফরেন্ট টাচ, এমএনবি, ভাইকিংস, বাগধারা, সংগীতশিল্পী খুরশীদ আলম, বেবী নাজনীন, কনকচাঁপা, আলম আরা মিনু, হৃদয় খান, কর্নিয়া, মিজান, লুইপা, কে জেড রাব্বী, মুত্তাকী হাসিব, রাজীব ও মুহিন।

ঘোষণা মতে, ১১ এপ্রিল চার শহরে একযোগে শুরু হবে কনসার্ট।

বেলা ৩টায় শুরু হবে মূল আয়োজন। চলবে রাত ১১টা পর্যন্ত। গানের পাশাপাশি এই আয়োজনে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করার জন্য স্থানীয় লোকগান, সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে সবার আগে বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন।

মন্তব্য

কখনো টেলিফোন ধরতে চাইতেন না সুচিত্রা সেন

ইমরুল নূর

ইমরুল নূর

ইমরুল নূর

ইমরুল নূর

শেয়ার
কখনো টেলিফোন ধরতে চাইতেন না সুচিত্রা সেন
সুচিত্রা সেন

সুচিত্রা সেন, বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক কিংবদন্তি অভিনেত্রীর নাম। তাকে মহানায়িকা বলেও আখ্যায়িত করা হয়। টেলিফোনের প্রতি অনীহা ছিল এই মহানায়িকার। তিনি কখনো টেলিফোন ধরতে চাইতেন না।

এমনটাই জানা গেছে স্মৃতি সংগ্রহশালা থেকে পাওয়া তথ্য ঘেটে।

অভিনেত্রীর জন্মস্থান পাবনার হিমসাগর এলাকায় রয়েছে মহানায়িকা সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংগ্রহশালা। সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে এই সংগ্রহশালা দারুণ দর্শনীয় একটি জায়গা। সেখানে তার স্মৃতিবিজড়িত সংগ্রহশালা সরেজমিনে দেখতে গিয়ে লক্ষ্য করা যায়, তার এই সংগ্রহশালায় রয়েছে তার বিভিন্ন সময়ের ছবির মূহুর্ত যা ফ্রেমে বাঁধাই করা।

তার পুরস্কার সমগ্র, আবক্ষ মূর্তি, স্মৃতিস্তম্ভসহ আরো অনেক কিছুই। এছাড়াও ফ্রেম ও ফেস্টুনে বাঁধাই করা রয়েছে তার বিভিন্ন সময়ে বলা উল্লেখযোগ্য কথা।

টেলিফোনের প্রতি তার অনীহা বিষয়ে জানা গেছে সেই স্মৃতি সংগ্রহশালা থেকেই। সেখানে দেয়ালে টানানো একটি ফ্রেমে দেখা যায়, সেই কথারই একটা অংশ।

যেখানে লিখা রয়েছে, তিনি (সুচিত্রা সেন) কখনো টেলিফোন ধরতে চাইতেন না। একেবারে কেউ হাতের কাছে না থাকলে, রিসিভার তুলে নিজের সহজাত কন্ঠকে কিছুটা বিকৃত করে জবাব দেন, একেবারে আপন মানুষ না হলে, নিজেই বলে দেন, উনি একটু বেরিয়েছেন অথবা ঘুমিয়ে আছেন। পরে ফোন করবেন। কারণ জানতে চাইলে রমা (সুচিত্রা সেন) বলতেন, ‘কত কথা বলবো বল? দিনরাত মিলে কমপক্ষে একশ ফোন আসবে। এক মিনিট করে কথা বললেও একশ মিনিট কথা বলতে হবে।

Suchitra Sen
মহানায়িকা সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংগ্রহশালায় দেয়ালে টানানো ফ্রেম। ছবি: ইমরুল নূর

সুচিত্রা সেনের প্রকৃত নাম ছিল রমা দাশগুপ্ত। আজ তার ৯৪তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল ব্রিটিশ ভারতের বাংলা প্রেসিডেন্সির (অধুনা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অন্তর্গত সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানার অন্তর্গত সেন ভাঙ্গাবাড়ী গ্রাম সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক নিবাস) পাবনা জেলার সদর পাবনায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন এই কিংবদন্তি। তার বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত ছিলেন এক স্থানীয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও মা ইন্দিরা দেবী ছিলেন গৃহবধূ। তিনি ছিলেন পরিবারের পঞ্চম সন্তান ও তৃতীয় কন্যা। পাবনা শহরেই তিনি পড়াশোনা করেছিলেন। তার আরেকটি পরিচয় হলো, তিনি ছিলেন কবি রজনীকান্ত সেনের নাতনী।

১৯৪৭ সালে বিশিষ্ট শিল্পপতি আদিনাথ সেনের পুত্র দিবানাথ সেনের সঙ্গে সুচিত্রা সেনের বিয়ে হয়। তাদের একমাত্র কন্যা মুনমুন সেনও একজন খ্যাতনামা অভিনেত্রী। তার দুই নাতনী রিয়া সেন ও রাইমা সেনও অভিনেত্রী। ১৯৫২ সালে শেষ কোথায় ছবির মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয় কিন্তু তার অভিনীত প্রথম ছবিটি মুক্তি পায়নি।

উত্তম কুমারের বিপরীতে সাড়ে চুয়াত্তর ছবিতে তিনি অভিনয় করেন। ছবিটি বক্স-অফিসে সাফল্য লাভ করে এবং উত্তম-সুচিত্রা জুটি আজও স্মরণীয় হয়ে আছে। বাংলা ছবির এই অবিসংবাদিত জুটি পরবর্তী ২০ বছরে ছিলেন আইকন স্বরূপ।

বাংলাদেশে এই মহানায়িকার জন্মভিটা দীর্ঘকাল অবহেলিত ও বেদখল হয়ে ছিল। ২০১৭ সালে প্রশাসনের উদ্যোগে সুচিত্রা সেনের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটি উদ্ধার করা হয়। এখানে প্রতিষ্ঠিত হয় সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংগ্রহশালা।

বর্তমানে এই সংগ্রহশালার তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রুবেল। সেই রুবেল জানিয়েছিলেন, দখলমুক্ত হওয়ার পর ২০১৭ সালে মহানায়িকার বাড়িতে তার স্মৃতি সংগ্রহশালা স্থাপন করে পাবনা জেলা প্রশাসন। সরকার এখানে একটি চলচ্চিত্র আর্কাইভ এবং একটি লাইব্রেরি করার পরিকল্পনা করেছে।

মন্তব্য

‘যতই দেই তাদের খুশি করা যায় না’, গৃহকর্মী প্রসঙ্গে পরীমনির পাশে দাঁড়ালেন ন্যান্সি

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
শেয়ার
‘যতই দেই তাদের খুশি করা যায় না’, গৃহকর্মী প্রসঙ্গে পরীমনির পাশে দাঁড়ালেন ন্যান্সি
ন্যান্সি ও পরীমনি

গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগে থানায় জিডি হয়েছে ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা পরীমনির নামে। জানা গেছে, এক বছরের কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে গৃহকর্মীকে মারধর করেন পরীমনি। এ ঘটনায় পিংকি আক্তার নামের ওই গৃহকর্মী ঢাকার ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনার মুখে পড়েন এ নায়িকা।

ফেসবুক লাইভে এসে আবেগঘন কথাও বলেন ভক্তদের উদ্দেশে। এবার পরীমনির পাশে দাঁড়ালেন জনপ্রিয় গায়িকা ন্যান্সি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গৃহকর্মীদের প্রসঙ্গে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন ন্যান্সি। নিজেও বেশ কয়েকজন গৃহকর্মীর প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন গায়িকা।

সেই সঙ্গে পরীমনিকে নিয়ে সংবেদনশীল হওয়ার জন্য সাংবাদিকদের আহ্বানও জানান তিনি।

ন্যান্সি লিখেছেন, ‘গৃহকর্মী নির্যাতিত হয় যেমন সত্যি ঠিক তেমনি কিছু গৃহকর্মীর দ্বারা গৃহকর্ত্রীও কম সমস্যার মুখোমুখি হন না! আমার পুরো বাসায় সিসি ক্যামেরা আছে শুধু মাত্র গৃহকর্মীর মিথ্যা হয়রানি থেকে বাঁচার জন্য!’

আরো পড়ুন
পরকীয়া বন্ধে যে আইন করতে চান অপু বিশ্বাস

পরকীয়া বন্ধে যে আইন করতে চান অপু বিশ্বাস

 

নিজের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে কণ্ঠশিল্পী লিখেছেন, ‘বছর দশেক আগে আমার বাসার গৃহকর্মী বাসার দারোয়ান এর সাথে পালিয়ে যায়। গৃহকর্মীর পরিবার তাদের মেয়ে গুম হয়েছে অভিযোগ তুলে মোটা টাকা দাবি করে। আমি সরাসরি পুলিশের শরণাপন্ন হই এবং তাদের আন্তরিক সহযোগিতায় ঘন্টা দুয়েকের মাথায় পলাতক গৃহকর্মী তার প্রেমিক সহ উদ্ধার হয়।

পরে জানতে পারি, আমাকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা পূর্ব পরিকল্পিত! এ ঘটনার পরই আমার বাসায় কথা রেকর্ড হয় এমন সিসি ক্যামেরা সেটাপ করি।’

আরেকটি অভিজ্ঞতা শেয়ার করে ন্যান্সি লেখেন, ‘দু বছর আগে আমার ছোট্ট মেয়েটাকে দেখাশোনার জন্য এজেন্সি থেকে যে মেয়েটাকে এনেছিলাম সে তার বোনের সাথে মিলে আমার বিয়ের গয়না এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এর স্বর্ণপদক চুরি করে। থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর উল্টো গৃহকর্মী আমার নামে নির্যাতনের অভিযোগ তোলার চেষ্টা করে। আমি সিসি ক্যামেরার বদৌলতে হয়রানির হাত থেকে বেঁচে যাই।’

আরো পড়ুন
দুঃসময় কাটাতে বাজরাঙ্গির সিক্যুয়াল আনছেন সালমান খান

দুঃসময় কাটাতে বাজরাঙ্গির সিক্যুয়াল আনছেন সালমান খান

 

তিনি আরও লেখেন, ‘বাসার রান্নার লোক যে কত জ্বালিয়েছে তার হিসেব নেই।

বেতনের বাইরে যতোই দেইনা কেন তাদের খুশি করা যায়না। মন চাইলে কাজে আসে, অন্যথায় আসেনা। গত বছর ফেব্রুয়ারী মাসে পুরো বাসার সিংহ ভাগ ফার্নিচার বদলাই। আগের সব আসবাব আমার বাসার রান্নার মহিলা ট্রাক ভর্তি করে নিয়ে যায়, আমিও ভাবলাম এবার হয়তো সে আর কাজে ফাঁকি দিবেনা। এতো বড় উপকারের ফলাফল হিসেবে কি পেলাম জানেন? তার চাহিদা এখন আর হাজারের ঘরে রইলো না, লাখের ঘরে চলে গেলো! বিগত জুলাই মাসে বিরক্ত হয়ে তাকে বিদায় করলাম। আমার বাসার সব রান্না দশ মাস যাবৎ আমিই করি। আমার ঘরে এখন বাজার খরচ কমে গেছে, বাসি খাবার খাইনা বললেই চলে। স্বামী সন্তান ভাই ও খুশি, তাদের রান্না করে খাইয়ে আমিও অনেক তৃপ্তি পাই। ঘরের কাজে সহযোগিতার জন্য একজন এখনো আছে। আসলে কিছু করার নেই। বিশেষ করে কর্মজীবী মায়েদের সন্তানের জন্য হলেও অপরিচিত একজনের ওপর ভরসা করতে হয়। প্রতিবার আশা করি এবারের গৃহকর্মী পরিবারের সদস্যর মত হবে। সে আশা কখনো পূরণ হয়, বেশিরভাগ সময় হয়না।’

সবশেষে সংবাদকর্মীদের দায়িত্ব সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তিনি লিখেছেন, ‘সংবাদ মাধ্যম একটু সংবেদনশীল হোন। সব কিছুতে বাণিজ্য দেখবেন না। নির্যাতিতার পরিচয় গৃহকর্মীও হতে পারে আবার গৃহকর্ত্রীও হতে পারে। সত্যিকারের ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়ান। পরীমনির মত এমন আরও তারকাদের ঘাড়ে ভর করে আর কত শিরোনাম বেচবেন বলুন! আপনাদেরও নিশ্চই কিছু দায় আছে, তাইনা?’

আরো পড়ুন
অন্যের ডিরেকশনে কাজ করতে ভালো লাগে না

অন্যের ডিরেকশনে কাজ করতে ভালো লাগে না

 

এক বছরের কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ ওঠেছে পরীমনির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পিংকি আক্তার নামের ওই গৃহকর্মী ঢাকার ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ভাটারা থানা পুলিশ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো তোপের মুখে পড়েন এ নায়িকা। গণমাধ্যমেও শিরোনামে পরিণত হন। বিতর্কিত এ ঘটনাটি নিয়ে শুক্রবার রাতে ফেসবুকে লাইভে আসেন পরীমনি। জানান, তার হাতে সব প্রমাণ আছে। কিন্তু তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলে সেগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় দিতে চাচ্ছেন না। সেই সঙ্গে মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করারও আহ্বান জানান পরীমনি।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ