সাধারণ মানুষ যখন দ্রব্যমূল্যের কশাঘাতে জর্জরিত, ঠিক সেই সময় দেশে আধালিটারের বোতলজাত পানির দাম একধাক্কায় পাঁচ টাকা বাড়ানো হয়। ১৫ টাকা থেকে গায়ের মূল্য করা হয় ২০ টাকা। অথচ কম্পানিগুলো খুচরা বিক্রেতাদের কাছে দাম রাখে ১০ টাকার আশপাশে। অর্থাৎ খুচরা বিক্রেতার ১০ টাকা বিনিয়োগ করে মুনাফা হয় ১০ টাকা।
বোতলের পানি নিয়ে নৈরাজ্য, ৭ কম্পানির হাতে বাজারের নিয়ন্ত্রণ
- ► খুচরায় প্রায় শতভাগ লাভ দিচ্ছে কম্পানিগুলো
- ► ভোক্তার পকেট কাটার সুযোগ দিচ্ছে ৫ কম্পানি
- ► পাইকারি দাম ১০ টাকা গায়ের মূল্য ২০ টাকা
- ► দাম কমিয়েছে দুই কম্পানি
- ► ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে প্রথম পানির দাম বাড়ায় অ্যাকুয়াফিনা
শিহাবুল ইসলাম

জানা গেছে, দাম বাড়ানোর পেছনে রয়েছে অ্যাকুয়াফিনা ও কিনলে ব্র্যান্ডের এক অনৈতিক বিপণননীতি। দেশের পানির বাজার দখলে নিতে তারা খুচরা বিক্রেতাদের প্রায় দিগুণ লাভের সুযোগ করে দেয়। যেসব কম্পানি এই লাভের সুযোগ দেয় না, তাদের পানি রাখেন না খুচরা বিক্রেতারা।
এতেই অন্য কম্পানিগুলো প্রায় বাধ্য হয়ে ৫০০ মিলিলিটারের বোতলে গায়ের দাম ১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা করে। সঙ্গে অন্যান্য বোতলের পানির দামও বাড়ে যথানিয়মে। বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন বলছে, সবার আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে প্রথম পানির দাম বাড়িয়েছে অ্যাকুয়াফিনা ব্র্যান্ড। এরপর বাড়ায় কিনলে।
এতে ২০২০-২১ অর্থবছরে কিনলে ব্র্যান্ডের মার্কেট শেয়ার ছিল ২.৫১ শতাংশ। ২০২১-২২ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩.৬ শতাংশে। আর ২০২২-২৩ অর্থবছরে বোতলের গায়ের মূল্য বাড়ানোর পর মার্কেট শেয়ার বেড়ে দাঁড়ায় ৪.১৬ শতাংশ। অন্যদিকে ২০২০-২১ অর্থবছরে অ্যাকুয়াফিনা ব্র্যান্ডের পানির মার্কেট শেয়ার ছিল ১৩.৩৩ শতাংশ, ২০২১-২২ অর্থবছরে সামান্য বেড়ে হয় ১৩.৮৪ শতাংশ। আর দাম বাড়ানোর পর ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১৬.৮৮ শতাংশে।
২০২৩ সালের ৬ মার্চ পানির অস্বাভাবিক দাম ও মুনাফা নিয়ে ‘পানির আধালিটার বোতল ২০ টাকা’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে কালের কণ্ঠ। এ ছাড়া আরো বেশ কিছু গণমাধ্যম পানির দাম নিয়ে খবর প্রকাশ করে। এতে নড়েচড়ে বসে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন। শুরু করে অনুসন্ধান। এরপর তারা চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে সাত কম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করে।
কোন কম্পানির কত শতাংশ বাজার দখলে
জানা গেছে, দেশে পানি বোতলজাত করার অনুমতি দেয় বিএসটিআই। সরকারি এই সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশে পানি উৎপাদন ও বাজারজাতকারী ২৩২টি নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরের ২৪.১৭ শতাংশ মার্কেট শেয়ার নিয়ন্ত্রণে ছিল ‘ফ্রেশ’ পানির।
একইভাবে ১৭.৭৬ শতাংশ শেয়ার নিয়ে দ্বিতীয় ছিল ‘প্রাণ’ পানি, ১৬.৮৮ শতাংশ শেয়ার নিয়ে তৃতীয় ছিল ‘অ্যাকুয়াফিনা’, ১৬.৪৪ শতাংশ মার্কেট শেয়ার নিয়ে চতুর্থ ‘মাম’, ১৩.৮১ শতাংশ শেয়ার নিয়ে পঞ্চম ‘স্পা’, ৪.১৬ শতাংশ শেয়ার নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে ছিল ‘কিনলে’ পানি, আর সপ্তম স্থানে ছিল ‘জীবন’ ব্র্যান্ডের পানি, এই কম্পানির মার্কেট শেয়ার ৪ শতাংশ। মূলত এই সাতটি কম্পানিই দেশের ৯৭ শতাংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করে বা মার্কেট শেয়ার রয়েছে।
খুচরা বাজারে কোন কম্পানির পানির দাম কত
রাজধানীর গুলশান, বনানী, বাড্ডা ও ভাটারা এলাকার অন্তত ১৫টি মুদি দোকান, রেস্টুরেন্ট ও চায়ের দোকানে সরেজমিনে খোঁজ নেন এই প্রতিবেদক। খুচরা বিক্রেতারা জানান, সাধারণ এক কেস ধরে বিক্রি করা হয় বোতলজাত পানি। এক কেসে ২৪টি বোতল থাকে। প্রতি কেস একেক কম্পানির দাম একেক রকম। খুচরা বিক্রেতারা পাইকারি কেনেন।
এতে মাম পানি এক কেসের দাম ধরা হয় ২৭০ টাকা। ফ্রেশ পানির এক কেস ২৫০ টাকা, কিনলে ২৫০ টাকা, অ্যাকুয়াফিনার এক কেস ২৪০ টাকা, স্পা ২৩৫ টাকা, প্রাণ ২০০ টাকা, সিটি গ্রুপের ১২ পিসের কেস জীবন পানি ১১০ টাকা। অর্থাৎ খুচরা বিক্রেতাদের মাম পানির আধালিটার কিনতে হয় ১১ টাকা ২৫ পয়সায়। একইভাবে ফ্রেশ ও কিনলে ১০ টাকা ৪১ পয়সা, অ্যাকুয়াফিনা ১০ টাকা, স্পা ৯ টাকা ৭৯ পয়সা।
অথচ খুচরা বিক্রির জন্য বোতলের গায়ে দাম দেওয়া আছে ২০ টাকা। প্রাণ পানি কিনতে খরচ হয় ৮ টাকা ৩৩ পয়সা এবং জীবন ৯ টাকা ১৬ পয়সায়। কিন্তু এ দুই কম্পানি দাম বাড়ানোর পর এখন আবার কমিয়েছে। এখন বোতলের গায়ের মূল্য দেওয়া আছে ১৫ টাকা। পানির বাজার সম্পর্কে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল কালের কণ্ঠকে বলেন, একই ইন্ডাস্ট্রিতে একটা প্রতিষ্ঠান যদি এটা করে (দাম বাড়ায়), বাকিদেরও ফলো করতে হয়।
প্রতিযোগিতা কমিশনের মামলা
মামলার বিষয়ে প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য মো. হাফিজুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মামলাটি এখন শুনানির পর্যায়ে রয়েছে। কমিশনে আগের চেয়ারপারসনের পদত্যাগ করার কারণে আমরা শুনানিতে পিছিয়ে যাই। সামনে শুনানি করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সম্পর্কিত খবর

বৃষ্টি নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস
অনলাইন ডেস্ক

দেশের সাত বিভাগে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানায়, আগামী কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন বিভাগে টানা বৃষ্টি ঝরবে। এরপর বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে আসবে। এ সময় তাপমাত্রা ওঠানামার মধ্যে থাকবে।
রবিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে— এ অবস্থায় ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। পাশাপাশি আজ সারা দেশ দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সংস্থাটি জানায়, দিনাজপুর, সৈয়দপুর, ফেনী, মৌলভীবাজার, বরিশাল এবং পটুয়াখালী জেলাসহ রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
সোমবার (৭ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ দিন সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
পরদিন মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ দিনও সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী বুধবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবনতা কমতে পারে।
এদিকে গতকাল শনিবার সকাল ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রাজশাহীতে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে খুলনায় ১২ মিলিমিটার।

সদ্য তোলা রঙিন ছবি না দিলে পদোন্নতি নয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

সদ্য তোলা রঙিন ছবি না দিলে পদোন্নতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। রবিবার (৬ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখার অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম স্বাক্ষরিত অতি জরুরি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী বাতায়নে (জিইএমএস) পিডিএস-এর ব্যক্তিগত তথ্য হালনাগাদকরণের ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ছয় মাসের মধ্যে তোলা রঙিন ছবি সংযোজনসহ সকল ব্যক্তিগত তথ্য নিজ দায়িত্বে জরুরি ভিত্তিতে হালনাগাদ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, যে সকল কর্মকর্তা নতুন রঙিন ছবি সংযোজনসহ জিইএমএস-এ পিডিএস-এর তথ্য হালনাগাদ করতে ব্যর্থ হবেন, তাদের কেস পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবে না।

ভারতে ৭০ বাংলাদেশি নিয়ে দুর্ঘটনার কবলে বাস
অনলাইন ডেস্ক

ভারতের ওড়িশায় ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় এক ব্যক্তি নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। বাসটিতে ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী ছিলেন। আজ রবিবার সকালে রাজ্যের ভুবনেশ্বরের উত্তরচকে দুর্ঘটনার শিকার হয় বাসটি।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় জানা যায়নি।
ওড়িশা টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাসটিতে ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি ছিলেন। তারা পুরির দিকে যাচ্ছিলেন। এর আগে এই তীর্থযাত্রী কাশি বিশ্বনাথ মন্দিরে গিয়েছিলেন।
জানা গেছে, বাসটি উত্তরচকের কাছে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এরপর বাসটি উলটে যায়।
দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ক্যাপিটাল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মোদি সরকারের সমালোচনা করে যা বললেন আসিফ নজরুল
অনলাইন ডেস্ক

ভারতে মোদি সরকার মুসলমানবিরোধী আরো একটি পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। রবিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভ্যারিফায়েড পেজে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আসিফ নজরুল বলেন, নতুন আইন পাস করে তারা মুসলমানদের ‘ওয়াক্ফ’ সম্পত্তি পরিচালনা বোর্ডে অমুসলিমদেরও রাখার এবং এসব সম্পত্তিতে সরকারের সরাসরি খবরদারির বিধান করেছে। এই আইন ব্যবহার করে পুরনো মসজিদসহ মুসলমানদের বহু ঐতিহাসিক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আইন উপদেষ্টা লেখেন, ভারতে হিন্দু মন্দির পরিচালনা কমিটিতে অন্য ধর্মাবলম্বীরা স্থান পান না। এই প্রশ্ন সেখানে উঠেছে যে, ওয়াক্ফ বোর্ডে তাহলে অমুসলিমদের রাখা হবে কেন?
তিনি আরো লেখেন, এই আইন ভারতে মুসলমান ও অন্যান্য সংখ্যালঘু ধর্মের মানুষের বিরুদ্ধে ভারতের হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর ক্রমাগত বৈষম্য ও নিপীড়নের আরেকটি অধ্যায় রচনা করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আসিফ নজরুল বলেন, পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, এরাই আবার বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিপীড়নের ভুয়া অভিযোগ তুলে যাচ্ছে অব্যাহতভাবে।