প্রথমার্ধ গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধের ৮ মিনিটের মধ্যে দুই গোলে এগিয়ে গেল ম্যানচেস্টার সিটি। সেখান থেকে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রত্যাবর্তনের অনবদ্য এক গল্প লিখল পিএসজি। ৪-২ গোলের জয়ে শেষ ষোলোর আশা দারুণভাবে বাঁচিয়ে রাখল ফরাসি ক্লাবটি।
চ্যাম্পিয়নস লিগ
পিএসজির জাদুকরী প্রত্যাবর্তন, খাদের কিনারায় সিটি
ক্রীড়া ডেস্ক

প্যারিসে বৃষ্টিভেজা রাতে রোমাঞ্চের ইঙ্গিতটা ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল। প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুই দল। আক্রমণ, প্রতি-আক্রমণের ধারায় ২৭তম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত পিএসজি। কর্নারের পর ফাবিয়ান রুইজের হাফ-ভলি গোললাইন থেকে ফেরান সিটি ডিফেন্ডার গাভারদিওল।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫০তম মিনিটে সিটিকে এগিয়ে নেন সাভিনিয়োর বদলি নামা গ্রিলিশ। ইংলিশ তারকার গোলের ৩ মিনিট পর সিটির ব্যবধান ২-০ করেন আর্লিং হালান্ড। যখন মনে হচ্ছিল ঘরের মাঠে ম্যাচটা হারতে যাচ্ছে পিএসজি, তখন নাটকীয়ভাবেই ঘুরে দাঁড়ায় তারা। ৫৬ থেকে ৬০ মিনিটের মধ্যে দুই গোল শোধ করে অবিশ্বাস্যভাবে সমতায় ফেরে দলটি।
প্রথম গোল করেন দেম্বেলে। দ্বিতীয় গোলটি ব্রাডলি বারকোলার। সমতা ফিরিয়েও আর গতি কমায়নি দলটি। ৭৮তম মিনিটে সমর্থকদের আরেকবার উল্লাসে ভাসিয়ে এগিয়ে যায় পিএসজি। ডান দিক থেকে ভিতিনিয়ার ফ্রি-কিকে দূরের পোস্টে চমৎকার হেডে গোলটি করেন নাভাস। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে জালের দেখা পান দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামা রামোস। শুরুতে অফসাইডের পতাকা উঠলেও, ভিএআরে গোলের বাঁশি বাজান রেফারি। উল্লাসে ফেটে পড়ে পার্ক দ্য প্রিন্সেস।
এ জয়ে শেষ ষোলোর আশা দারুণভাবে বাঁচিয়ে রাখল পিএসজি। পয়েন্ট তালিকায় ২৬ নম্বর থেকে ৭ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে ২২ নম্বরে আসল তারা। অন্যদিকে সিটি চ্যাম্পিয়নস লিগে শেষ ষোলো নিশ্চিত করার জন্য প্লে অফ খেলতে হলে শেষ ম্যাচে ক্লাব ব্রুগার বিপক্ষে জিততেই হবে তাদের। তবে ৭ ম্যাচ শেষে ৮ পয়েন্ট নিয়ে ২৫ নম্বরে থাকা সিটি এই মুহূর্তে বাদ পড়াদের কাতারেই আছে।
সম্পর্কিত খবর

পিএসএলের নতুন প্রযুক্তি এমওটি কী
ক্রীড়া ডেস্ক

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দশম আসরে থাকছে ম্যাচ অফিশিয়ালস টেকনোলজি (এমওটি) প্রযুক্তি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে খবরটি দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
এর আগেও পরীক্ষামূলকভাবে এই প্রযুক্তি দেখা গিয়েছিল পিএসএলে। তবে এবার পুরো আসরেই থাকবে এই প্রযুক্তি।
ম্যাচ অফিশিয়ালস টেকনোলজির (এমওটি) সুবিধার আওতায় :
১. আম্পায়ার কমিউনিকেশন সিস্টেম (মাঠের ওপর এবং মাঠের বাইরে)
২. মাল্টিস্ক্রিন রিপ্লে ভিউয়ার
৩. আল্ট্রামোশন ক্যামেরা ব্যবহার করে অটো নো-বল শনাক্তকরণ
৪. রিয়েল-টাইম DRS এবং ইনিংস টাইমার
৫. তৃতীয় আম্পায়ারের জন্য ট্যাবলেটভিত্তিক লগিং
৬. ম্যাচ রেফারিদের জন্য তাৎক্ষণিক ক্লিপ অ্যাক্সেস
৭. উন্নত রিভিউয়ের জন্য অ্যাম্বেডেড কমিউনিকেশন ও মাইক অডিও
আগামী ১১ এপ্রিল পর্দা উঠছে পিএসএলের দশম আসরের।

মৌসুম শেষ চেলসি ডিফেন্ডারের!
ক্রীড়া ডেস্ক

চেলসি ডিফেন্ডার ওয়েসলি ফোফানা সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল শনিবার চেলসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিগগিরই পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করবেন ২৪ বছর বয়সী ফোফানা।
বিভিন্ন ইংলিশ গণমাধ্যমের খবর, মৌসুমের বাকি অংশে এই ডিফেন্ডারকে পাবে না চেলসি। আসছে ক্লাব বিশ্বকাপেও তাকে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললে চলে।
পেশির চোটে দীর্ঘ সময়ের জন্য মাঠের বাইরে ছিলেন ফোফানা। গত মাসের শুরুর দিকে ফিরে দুটি লিগ ম্যাচ খেলতেই আবারও ইনজুরিতে পড়েন এই ডিফেন্ডার।
ফোফানা এই মৌসুমে চেলসির হয়ে মাত্র ১৪টি প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচ খেলেছেন। ২০২২ সালে ক্লাবটিতে যোগ দেওয়ার পর ফরাসি এই ফুটবলার সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে খেলেছেন মাত্র ৩৪ ম্যাচ।

পিএসএলের ধারাভাষ্যে আতহার আলী
ক্রীড়া ডেস্ক

পিএসএলের দশম আসরের জন্য ধারাভাষ্য প্যানেল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। যেখানে মাইক্রোফোন হাতে প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি হিসেবে দেখা যাবে আতহার আলীকে।
এর আগে দেশের ক্রিকেটে খেলাগুলোতেই ধারাভাষ্যকার হিসেবে দেখা গেছে বাংলাদেশের আতহার আলীকে। ছিলেন অনেক আইসিসি ইভেন্টেও।
এ ছাড়া পিএসএলের ধারাভাষ্য প্যানেলে থাকছেন ইংল্যান্ডের সাবেক টেস্ট অধিনায়ক স্যার অ্যালিস্টার কুক, এমসিসির সাবেক সভাপতি মার্ক নিকোলাস, ডমিনিক কর্ক এবং মার্ক বুচার। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে থাকছেন জেপি ডুমিনি এবং মাইক হেইসম্যান। নিউজিল্যান্ডের মার্টিন গাপটিলও থাকছেন এই প্যানেলে।
পাকিস্তান থেকে থাকছেন চারজন সাবেক টেস্ট অধিনায়ক—আমির সোহেল, রমিজ রাজা, ওয়াকার ইউনুস ও ওয়াসিম আকরাম। তাদের সঙ্গে থাকবেন সাবেক টেস্ট খেলোয়াড় বাজিদ খান, পাকিস্তান নারী দলের সাবেক অধিনায়ক উরুজ মুমতাজ এবং ক্রিকেট বিশ্লেষক সিকান্দার বখত।
এ ছাড়া প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ উর্দু ধারাভাষ্যও প্রচার করবে তারা।
উল্লেখ্য, ১১ এপ্রিল থেকে শুরু হবে পিএসএল। চলবে ১৮ মে পর্যন্ত।

১৫ বলে হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড পারভেজ ইমনের
ক্রীড়া ডেস্ক

১৫ বলে ফিফটি করে রেকর্ড বইয়ে নাম লিখিয়েছেন পারভেজ হোসেন ইমন। স্বীকৃত ক্রিকেটে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড এটি।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে আবাহনীর ওপেনার ইমন ১৫ বলে ফিফটি করেন পারভেজ। পরে ৪ চার ও ৬ ছক্কায় ২৩ বলে ৬১ রান করেন এই টাইগার ব্যাটার।
সব সংস্করণ মিলিয়ে বাংলাদেশের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ডটি আগে ছিল শুভাগত হোমের। ২০১৯ সালে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টিতে শাইনপুকুরের হয়ে মোহামেডানের বিপক্ষে ১৬ বলে ফিফটি করেছিলেন তিনি।
লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ১৮ বলে ফিফটি আছে ফরহাদ রেজা ও হাবিবুর রহমানের। ২০১৯ সালের প্রিমিয়ার লিগে প্রাইম দোলেশ্বরের হয়ে ১৮ বলে ফিফটি করেন ফরহাদ।
বিকেএসপিতে আজ রবিবার শাইনপুকুরের মুখোমুখি হয়েছিল আবাহনী লিমিটেড। শাইনপুকুরকে ৮৮ রানে গুটিয়ে দিয়ে মাত্র ৬ দশমিক ৪ ওভারেই ১০ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় আবাহনী।
ছোট লক্ষ্যে পারভেজের টর্নেডো ব্যাটিংয়ে ৪০ বলে ম্যাচ জিতে যায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।