ঠাকুরগাঁওয়ে বিষাক্ত সাপের কামড়ে প্রাণ গেল শিশুর

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
শেয়ার
ঠাকুরগাঁওয়ে বিষাক্ত সাপের কামড়ে প্রাণ গেল শিশুর
সংগৃহীত ছবি

ঠাকুরগাঁওয়ে ফুফুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে বিষাক্ত সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে অর্ণব (৭) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার (২ এপ্রিল) রাতে সদর উপজেলা গড়েয়া ইউনিয়নের বাঘের হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সে সরকারপাড়া মহল্লার ইব্রাহীম আলীর ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার বিকেলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঠাকুরগাঁও গড়েয়া ইউনিয়নের বাঘের হাট এলাকায় ফুফুর বাড়িতে বেড়াতে যায় অর্ণব।

ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে অর্ণব পটকা ফোটানোর জন্য বাড়ি পাশে যায়। এ সময় তার হাতে থাকা দিয়াশলাই একটি গর্তের মধ্যে পড়ে যায়। পরে দিয়াশলাইটি বের করতে গর্তে হাত ঢুকিয়ে দিলে গর্তে থাকা বিষধর সাপ হাতে কামড় দেয়।

আরো পড়ুন
চরের জমিতে তরমুজ চাষে বিপ্লব

চরের জমিতে তরমুজ চাষে বিপ্লব

 

পরে শিশুটি ব্যথা অনুভব করলে পরিবারে সদস্যদের জানায়।

বিষয়টি সেভাবে গুরুত্ব না দেওয়ায় এক পর্যায় তার শরীরে বিষক্রিয়া বাড়তে থাকে এবং ধীরে ধীরে নিস্তেজ হতে থাকে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা এলাকার এক ওঝার কাছে নিয়ে যান। কিন্ত তাতে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. রকিবুর আলম বলেন, ‘শিশুটি শেষ মুহূর্তে নিয়ে আসা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে এলে হয়তো শিশুটির প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হতো। এ ক্ষেত্রে মানুষকে আরো সচেতন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন।’

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

কটিয়াদীতে বাস-পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে পিকআপের হেলপার নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, হাওরাঞ্চল
নিজস্ব প্রতিবেদক, হাওরাঞ্চল
শেয়ার
কটিয়াদীতে বাস-পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে পিকআপের হেলপার নিহত

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বাস ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে প্রান্ত চন্দ্র বর্মণ (২০) নামের এক পিকআপ হেলপার নিহত হয়েছেন। উপজেলার বেতাল-মঠখোলা সড়কে রবিবার (৬ এপ্রিল) ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত প্রান্ত নারায়ণগঞ্জ সদরের আনন্দবাজার দামদরদি গ্রামের সুজন চন্দ্র বর্মণের ছেলে।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে প্রতিদিনের মতো প্রান্ত তারই এলাকার পিকআপ চালক সানির সঙ্গে কাজে বের হন।

রাতে মালামাল নামিয়ে রবিবার ভোরে কটিয়াদী থেকে পিকআপ ভ্যানটি মঠখোলা রোড হয়ে নারায়ণগঞ্জে ফিরে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা উজানভাটি নামের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে পিকআপটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পিকআপ ভ্যানটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রান্ত চন্দ্র বর্ষণের মৃত্যু হয়।
পরে খবর পেয়ে নিহতের পরিবারের লোকজন কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে নিহতের লাশ শনাক্ত করে।

কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে সড়ক পরিবহণ আইনে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। নিহতের মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করানো হয়েছে।’ 

মন্তব্য

বগুড়ায় সংখ্যালঘুর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া
নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া
শেয়ার
বগুড়ায় সংখ্যালঘুর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

বগুড়ায় বিশেষ অভিযানে সংখ্যালঘুর বাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মো. রহিমকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল থানাধীন কানাইপুকুর বাজার থেকে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ রবিবার কালের কণ্ঠকে তথ্যটি নিশ্চিত করেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ (ওসি/ডিবি)পরিদর্শক ইকবাল বাহার। গ্রেপ্তার রহিম বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কুড়াহার কাঁঠালকুশি এলাকার মো. মমতাজের ছেলে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ (ওসি/ডিবি)পরিদর্শক ইকবাল বাহার জানান, বাদী শ্রী সুইট চন্দ্র মণ্ডল চলতি মাসের ৪ তারিখে বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানায় হাজির হয়ে এজাহার দায়ের করেন। পরবর্তীতে এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানায় দণ্ডবিধির ১৪৩/৪৪৮/৪২৭/৪৩৫/৩৮০/৫০৬/১১৪/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ ধারায় একটি মামলা করা হয়।

পরে বগুড়ার পুলিশ সুপার জেদান আল মুসার সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক রাকিব হোসেনের নেতৃত্বে ডিবি বগুড়ার একটি চৌকস টিম তথ্য-প্রযুক্তি ও নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সমর্থ হয়।

বিস্তারিত জানতে তদন্তকারী কর্মকর্তা শিবগঞ্জ থানার এসআই কাওসার মাহমুদের যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

 

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহীনুজ্জামান জানান, বাদীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং অন্যান্য আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মন্তব্য

প্রতিবাদের মুখে যোগদান করতে পারলেন না খুমেক হাসপাতালের উপপরিচালক

খুলনা অফিস
খুলনা অফিস
শেয়ার
প্রতিবাদের মুখে যোগদান করতে পারলেন না খুমেক হাসপাতালের উপপরিচালক
ডা. সুজাত আহমেদ

প্রতিবাদের মুখে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক পদে যোগদান করতে পারলেন না করোনা পরীক্ষার ইউজার ফির দুই কোটি ৬১ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় অভিযুক্ত খুলনার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ। রবিবার (৬ এপ্রিল) সকালে তিনি খুমেক হাসপাতালে যোগদানের জন্য এলে প্রত্যাখ্যাত হন।

এর আগে ২০২৩ সালের ২৯ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি করা হয় ডা. সুজাত আহমেদকে। গত ২৫ মার্চ তাকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আদেশে খুমেক হাসপাতালে উপপরিচালক পদে বদলি করা হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বদলি আদেশ নিয়ে রবিবার যোগদান করতে এসে চিকিৎসকদের বাধার মুখে পড়েন। হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকরা পরিচালকের কক্ষে জড়ো হয়ে ডা. সুজাতকে উপপরিচালক পদে যোগদানের ক্ষেত্রে আপত্তি জানান। তাদের আপত্তির মুখে ডা. সুজাত ওই পদে যোগ দিতে না পেরে ফিরে যান।

এদিকে একই আদেশে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মুহাম্মদ নূরুল ইসলামকে ঢাকার মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বদলি করা হয়।

তিনি রবিবার (৬ এপ্রিল) হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র গ্রহণ করেছেন।

খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহসিন আলী ফরাজী জানান, কর্মরত চিকিৎসকরা তার কক্ষে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। তারা ডা. সুজাতের বিরুদ্ধে বিগত স্বৈরাচারের দোসর, করোনা টিকার টাকা লুটপাটকারী আখ্যা দেয়। তিনি উপপরিচালক পদে যোগ দিলে হাসপাতালের প্রশাসনিক অস্থিরতা তৈরি হবে বলে জানান।

তাদের আপত্তির কারণে ডা. সুজাত উপপরিচালক পদে যোগদান করতে পারেননি।

মন্তব্য

ধর্ষণচেষ্টা ও চাঁদা দাবির অভিযোগে ওসিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
রাজবাড়ী প্রতিনিধি
শেয়ার
ধর্ষণচেষ্টা ও চাঁদা দাবির অভিযোগে ওসিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা
প্রতীকী ছবি

হয়রানি, ধর্ষণচেষ্টা ও চাঁদা দাবির অভিযোগে রাজবাড়ীর পাংশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। রবিবার (৬ এপ্রিল) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ভুক্তভোগী। ওসির দাবি, কোনো কারণ ছাড়াই তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন ওই নারী।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে ওসি মো. সালাউদ্দিনের নির্দেশে এসআই হিমাদ্রি হাওলাদার ও সহযোগী আরিফ হোসেন ওই গৃহবধূর বাড়িতে হানা দেন।

এ সময় হিমাদ্রি, আরিফসহ সঙ্গীয় ফোর্স ওই গৃহবধূর বাড়ির বিভিন্ন কক্ষে তার স্বামীকে খোঁজার অজুহাতে তল্লাশি চালান। স্বামীকে না পেয়ে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তারা। 

আরো বলা হয়েছে, রাতেই ওই গৃহবধূকে থানায় নিয়ে ওসির নির্দেশে শারীরিক, মানসিক ও দৈহিক নির্যাতন করা হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা ওই গৃহবধূকে ছাড়িয়ে আনার জন্য থানায় গেলে তাদের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহণসহ মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন অভিযুক্তরা।

বিক্ষুব্ধ জনতার চাপের মুখে পরদিন ওই গৃহবধূকে ছেড়ে দেন তারা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর অভিযোগ করা হয়েছে। 

রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. জাহিদ হোসেন জানান, অভিযোগ তদন্তের জন্য মামলার নথিপত্র পিবিআই দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

পাংশা থানার ওসি বলেন, ‘একটি অপহরণ মামলার আসামি ওই নারী ও তার স্বামী।

তাদের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে ওই নারীকে আটক করে আনা হয়। তাকে গ্রেপ্তারের পর অপহৃতকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তারপর সিনিয়র এক পুলিশ কর্মকর্তার অনুরোধে তাকে মুচলেকায় পারিবারিক জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। অথচ কোনো কারণ ছাড়াই তিনি আমাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।’

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ