প্রয়াত অভিনেতা ইরফান খানের বড় ছেলে বাবিল খান ‘কালা’ চলচ্চিত্র দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন। অনভিতা দত্তের পরিচালনায় এটিতে আরো অভিনয় করেছেন তৃপ্তি দিমরি, স্বস্তিকা মুখার্জি এবং অমিত সিয়াল। নেটফ্লিক্সে মুক্তির জন্য প্রস্তুত রয়েছে ‘কালা’। গতকাল সোমবার (২৯ আগস্ট) চলচ্চিত্র দিবস-এর অনুষ্ঠানে সিনেমাটি ঘোষণা করা হয়েছে।
নেটফ্লিক্সে অভিষেক হচ্ছে ইরফানপুত্র বাবিল খানের
বিনোদন ডেস্ক

সিনেমাটি সম্পর্কে প্রথমবারের মতো মিডিয়ার সঙ্গ আলাপচারিতায় বাবিল বলেছেন যে তিনি চিত্রনাট্য পড়ার আগেই এই কাজে যোগ দিতে আগ্রহী ছিলেন। তিনি আরো বলেছিলেন যে তাঁর বাবার মৃত্যুর পর তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। তখন তাঁর দল তাকে নিরাপদ বোধ করিয়েছিল।
নিজের প্রথম কাজ সম্পর্কে বাবিল খান বলেন, “আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মধ্যে একজন পরিচালক অনভিতার সহকারী ছিলেন এবং আমি স্ক্রিপ্ট পড়ার আগেই সিনেমাটি করতে চেয়েছিলাম।
পরিচালক অনভিতা নবাগতের জন্য সমস্ত প্রশংসা করে বলেন যে বাবিল প্রচুর প্রাকৃতিক শক্তি নিয়ে সেটে এসেছিলেন। তিনি ইরফান খানের ছেলে। পর্দায় তাঁর দুর্দান্ত উপস্থিতি রয়েছে এবং সিনেমায় তিনি ‘সুন্দর, নির্দোষ এবং অবিশ্বাস্য’ ছিলেন।
সূত্র : দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
সম্পর্কিত খবর

সিনেমা দেখতে বাসায় থিয়েটার আনার আবদার শাকিবপুত্রের
বিনোদন প্রতিবেদক

এবার ঈদুল ফিতরে শাকিব খান ও শবনম বুবলী; দুজনের সিনেমাই মুক্তি পেয়েছে প্রেক্ষাগৃহে। দেশের ১২০ প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে শাকিবের ‘বরবাদ’ এবং অন্যদিকে বুবলী অভিনীত ‘জংলি’ চলছে ১১টি প্রেক্ষাগৃহে।
বাবা-মায়ের সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে চললেও বয়স কম হওয়ায় হলে গিয়ে ছবি দেখা হয়নি শাকিবপুত্র শেহজাদ খান বীরের। তবে সিনেমা দেখার জন্য বাসায় থিয়েটার নিয়ে আসার আবদার করেছেন তাদের ছেলে।
শেহজাদ খান বীরের একাধিক স্থিরচিত্র ফেসবুকে পোস্ট করে তার মা শবনম বুবলী লিখেছেন, তাদের ছেলে সিনেমা দেখবেন, তবে থিয়েটারে গিয়ে নয়, থিয়েটারটাই যেন বাসায় নিয়ে আসা হয়। শেহজাদ নাকি এমন কথা তার মা শবনম বুবলীকে বলেছেন। ফেসবুকে তা প্রকাশ করেছেন।
জানা গেছে, শাকিব খানের গুলশানের বাসায় তোলা হয়েছে এসব স্থিরচিত্র।
বুবলীর এমন পোস্টের নিচের অনেকে অনেক ধরনের মন্তব্য করছেন। ইসমাইল নামের একজন লিখেছেন, ‘শেহজাদ স্যার তো পুরা ভিআইপি লেভেলের! থিয়েটারে যাবে না, থিয়েটারকেই বাসায় আনবে! নেটফ্লিক্স তো পুরান কথা, এখন থিয়েটার হোম ডেলিভারি! স্যার বললে, হতেই হয়!’
মিরাজ নামের একজন লিখেছেন, ‘দারুণ বলেছে। এত কষ্ট করে থিয়েটারে যেয়ে দেখার সময় নাই, বাড়িতে নিয়ে আসো দেখে নেব।

‘স্বাধীনতা কনসার্ট’
চার শহরে গানে গানে মাতাবেন দেশসেরা শিল্পীরা
বিনোদন ডেস্ক

একসঙ্গে চার শহরে স্বাধীনতা দিবস কনসার্টের আয়োজন করছে সবার আগে বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন। রোজার কারণে ২৬ মার্চ আয়োজন করা না গেলেও ১১ এপ্রিল ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বগুড়ায় অনুষ্ঠিত হবে স্বাধীনতা কনসার্ট। গানে গানে মঞ্চ মাতাবেন শিল্পীদের পাশাপাশি জনপ্রিয় সব ব্যান্ড।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে কনসার্টের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে এ কনসার্ট আয়োজন করা হচ্ছে। মার্চে রমজান মাস থাকায়, পিছিয়ে অনুষ্ঠানটি এপ্রিলে নেওয়া হয়।
ঢাকায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে পারফর্ম করবেন নগর বাউল জেমস। বিজয় দিবস কনসার্টেও জেমসের পরিবেশনা দিয়ে শেষ হয়েছিল আয়োজন।
চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে গান শোনাবে ব্যান্ড মাইলস, সোলস, আর্ক, লালন, অ্যাশেজ, সাবকনসাস, বে অব বেঙ্গল, তীরন্দাজ, মেট্রিক্যাল, সংগীতশিল্পী কিরণ দাস, ইমরান, কোনাল, চিশতি বাউল, তাসনিম আনিকা, সালমা, রায়হান, শুভ্র, মৌসুমী, ইথুন বাবু, পরাণ আহসান, আকলিমা মুক্তা ও ঋতুরাজ।
খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে দর্শক মাতাবে ব্যান্ড ওয়ারফেজ, আর্বোভাইরাস, সোনার বাংলা সার্কাস, কার্নিভাল, বাংলা ফাইভ, কাগুল, কুঁড়েঘর, বিবর্তন, সংগীতশিল্পী মনির খান, আসিফ আকবর, বালাম, তাহসান খান, কনা, নাসির, জয় শাহরিয়ার, টুনটুন বাউল, রুখসার রহমান, লিজা ও পলাশ।
বগুড়া আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে গাইবে ব্যান্ড আর্টসেল, অ্যাভয়েড রাফা, ডিফরেন্ট টাচ, এমএনবি, ভাইকিংস, বাগধারা, সংগীতশিল্পী খুরশীদ আলম, বেবী নাজনীন, কনকচাঁপা, আলম আরা মিনু, হৃদয় খান, কর্নিয়া, মিজান, লুইপা, কে জেড রাব্বী, মুত্তাকী হাসিব, রাজীব ও মুহিন।
ঘোষণা মতে, ১১ এপ্রিল চার শহরে একযোগে শুরু হবে কনসার্ট।

কখনো টেলিফোন ধরতে চাইতেন না সুচিত্রা সেন

ইমরুল নূর

সুচিত্রা সেন, বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক কিংবদন্তি অভিনেত্রীর নাম। তাকে মহানায়িকা বলেও আখ্যায়িত করা হয়। টেলিফোনের প্রতি অনীহা ছিল এই মহানায়িকার। তিনি কখনো টেলিফোন ধরতে চাইতেন না।
অভিনেত্রীর জন্মস্থান পাবনার হিমসাগর এলাকায় রয়েছে মহানায়িকা সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংগ্রহশালা। সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে এই সংগ্রহশালা দারুণ দর্শনীয় একটি জায়গা। সেখানে তার স্মৃতিবিজড়িত সংগ্রহশালা সরেজমিনে দেখতে গিয়ে লক্ষ্য করা যায়, তার এই সংগ্রহশালায় রয়েছে তার বিভিন্ন সময়ের ছবির মূহুর্ত যা ফ্রেমে বাঁধাই করা।
টেলিফোনের প্রতি তার অনীহা বিষয়ে জানা গেছে সেই স্মৃতি সংগ্রহশালা থেকেই। সেখানে দেয়ালে টানানো একটি ফ্রেমে দেখা যায়, সেই কথারই একটা অংশ।

সুচিত্রা সেনের প্রকৃত নাম ছিল রমা দাশগুপ্ত। আজ তার ৯৪তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল ব্রিটিশ ভারতের বাংলা প্রেসিডেন্সির (অধুনা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অন্তর্গত সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানার অন্তর্গত সেন ভাঙ্গাবাড়ী গ্রাম সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক নিবাস) পাবনা জেলার সদর পাবনায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন এই কিংবদন্তি। তার বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত ছিলেন এক স্থানীয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও মা ইন্দিরা দেবী ছিলেন গৃহবধূ। তিনি ছিলেন পরিবারের পঞ্চম সন্তান ও তৃতীয় কন্যা। পাবনা শহরেই তিনি পড়াশোনা করেছিলেন। তার আরেকটি পরিচয় হলো, তিনি ছিলেন কবি রজনীকান্ত সেনের নাতনী।
১৯৪৭ সালে বিশিষ্ট শিল্পপতি আদিনাথ সেনের পুত্র দিবানাথ সেনের সঙ্গে সুচিত্রা সেনের বিয়ে হয়। তাদের একমাত্র কন্যা মুনমুন সেনও একজন খ্যাতনামা অভিনেত্রী। তার দুই নাতনী রিয়া সেন ও রাইমা সেনও অভিনেত্রী। ১৯৫২ সালে শেষ কোথায় ছবির মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয় কিন্তু তার অভিনীত প্রথম ছবিটি মুক্তি পায়নি।
উত্তম কুমারের বিপরীতে সাড়ে চুয়াত্তর ছবিতে তিনি অভিনয় করেন। ছবিটি বক্স-অফিসে সাফল্য লাভ করে এবং উত্তম-সুচিত্রা জুটি আজও স্মরণীয় হয়ে আছে। বাংলা ছবির এই অবিসংবাদিত জুটি পরবর্তী ২০ বছরে ছিলেন আইকন স্বরূপ।
বাংলাদেশে এই মহানায়িকার জন্মভিটা দীর্ঘকাল অবহেলিত ও বেদখল হয়ে ছিল। ২০১৭ সালে প্রশাসনের উদ্যোগে সুচিত্রা সেনের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটি উদ্ধার করা হয়। এখানে প্রতিষ্ঠিত হয় সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংগ্রহশালা।
বর্তমানে এই সংগ্রহশালার তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রুবেল। সেই রুবেল জানিয়েছিলেন, দখলমুক্ত হওয়ার পর ২০১৭ সালে মহানায়িকার বাড়িতে তার স্মৃতি সংগ্রহশালা স্থাপন করে পাবনা জেলা প্রশাসন। সরকার এখানে একটি চলচ্চিত্র আর্কাইভ এবং একটি লাইব্রেরি করার পরিকল্পনা করেছে।

‘যতই দেই তাদের খুশি করা যায় না’, গৃহকর্মী প্রসঙ্গে পরীমনির পাশে দাঁড়ালেন ন্যান্সি
বিনোদন প্রতিবেদক

গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগে থানায় জিডি হয়েছে ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা পরীমনির নামে। জানা গেছে, এক বছরের কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে গৃহকর্মীকে মারধর করেন পরীমনি। এ ঘটনায় পিংকি আক্তার নামের ওই গৃহকর্মী ঢাকার ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনার মুখে পড়েন এ নায়িকা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গৃহকর্মীদের প্রসঙ্গে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন ন্যান্সি। নিজেও বেশ কয়েকজন গৃহকর্মীর প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন গায়িকা।
ন্যান্সি লিখেছেন, ‘গৃহকর্মী নির্যাতিত হয় যেমন সত্যি ঠিক তেমনি কিছু গৃহকর্মীর দ্বারা গৃহকর্ত্রীও কম সমস্যার মুখোমুখি হন না! আমার পুরো বাসায় সিসি ক্যামেরা আছে শুধু মাত্র গৃহকর্মীর মিথ্যা হয়রানি থেকে বাঁচার জন্য!’
নিজের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে কণ্ঠশিল্পী লিখেছেন, ‘বছর দশেক আগে আমার বাসার গৃহকর্মী বাসার দারোয়ান এর সাথে পালিয়ে যায়। গৃহকর্মীর পরিবার তাদের মেয়ে গুম হয়েছে অভিযোগ তুলে মোটা টাকা দাবি করে। আমি সরাসরি পুলিশের শরণাপন্ন হই এবং তাদের আন্তরিক সহযোগিতায় ঘন্টা দুয়েকের মাথায় পলাতক গৃহকর্মী তার প্রেমিক সহ উদ্ধার হয়।
আরেকটি অভিজ্ঞতা শেয়ার করে ন্যান্সি লেখেন, ‘দু বছর আগে আমার ছোট্ট মেয়েটাকে দেখাশোনার জন্য এজেন্সি থেকে যে মেয়েটাকে এনেছিলাম সে তার বোনের সাথে মিলে আমার বিয়ের গয়না এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এর স্বর্ণপদক চুরি করে। থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর উল্টো গৃহকর্মী আমার নামে নির্যাতনের অভিযোগ তোলার চেষ্টা করে। আমি সিসি ক্যামেরার বদৌলতে হয়রানির হাত থেকে বেঁচে যাই।’
তিনি আরও লেখেন, ‘বাসার রান্নার লোক যে কত জ্বালিয়েছে তার হিসেব নেই।
সবশেষে সংবাদকর্মীদের দায়িত্ব সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তিনি লিখেছেন, ‘সংবাদ মাধ্যম একটু সংবেদনশীল হোন। সব কিছুতে বাণিজ্য দেখবেন না। নির্যাতিতার পরিচয় গৃহকর্মীও হতে পারে আবার গৃহকর্ত্রীও হতে পারে। সত্যিকারের ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়ান। পরীমনির মত এমন আরও তারকাদের ঘাড়ে ভর করে আর কত শিরোনাম বেচবেন বলুন! আপনাদেরও নিশ্চই কিছু দায় আছে, তাইনা?’
এক বছরের কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ ওঠেছে পরীমনির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পিংকি আক্তার নামের ওই গৃহকর্মী ঢাকার ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ভাটারা থানা পুলিশ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো তোপের মুখে পড়েন এ নায়িকা। গণমাধ্যমেও শিরোনামে পরিণত হন। বিতর্কিত এ ঘটনাটি নিয়ে শুক্রবার রাতে ফেসবুকে লাইভে আসেন পরীমনি। জানান, তার হাতে সব প্রমাণ আছে। কিন্তু তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলে সেগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় দিতে চাচ্ছেন না। সেই সঙ্গে মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করারও আহ্বান জানান পরীমনি।