শীতের রাতে পায়ে মোজা পরে ঘুমানো কি ভালো?

জীবনযাপন ডেস্ক
জীবনযাপন ডেস্ক
শেয়ার
শীতের রাতে পায়ে মোজা পরে ঘুমানো কি ভালো?
সংগৃহীত ছবি

ডিসেম্বরের শেষ ও জানুয়ারির শুরুর দিকে পুরোদমে শীত পড়ে। এই সময়ে শীতের তীব্রতা থেকে রক্ষা পেতে সবাই শীতের জামা-কাপড় পরে থাকেন। সেই সঙ্গে ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা পেতে হাতে ও পায়ে মোজা পরে থাকেন। অনেকেই আবার শীতের রাতে উষ্ণতা পেতে মোজা পরেই ঘুমিয়ে পড়েন।

বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুদের ক্ষেত্রে পায়ে মোজার ব্যবহার বিশেষভাবে প্রচলিত। কিন্তু ঠাণ্ডার হাত থেকে বাঁচতে এই অভ্যাস অজান্তেই শরীরের ক্ষতি করছে। কীভাবে ক্ষতি করছে, চলুন জেনে নেওয়া যাক।

পায়ে মোজা পরে ঘুমালে কী কী ক্ষতি হতে পারে

রক্ত সঞ্চালন

রাতে পায়ে মোজা পরে ঘুমালে দেহে রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হয়।

বেড়ে যেতে পারে হার্টরেট। ঘুমের মধ্যে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, রক্ত সঞ্চালন সঠিক না হলে মস্তিষ্ক থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সমস্যা হতে পারে।

পায়ের ত্বকের সমস্যা

দীর্ঘক্ষণ পায়ে মোজা পরে থাকলে পায়ের চামড়া ঘেমে ত্বকে সংক্রমণ হতেই পারে।

বিশেষ করে যদি সেই মোজা নাইলনের হয়, তা হলে ক্ষতি আশঙ্কা অনেকটাই বেশি। ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে বিশেষজ্ঞরা সব সময়ে সুতির জিনিস পরার পরামর্শ দেন। এ ছাড়া দীর্ঘক্ষণ মোজা পরে থাকলে ত্বকে র‌্যাশ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

আরো পড়ুন
ফল চিবিয়ে খাওয়া ভালো কেন

ফল চিবিয়ে খাওয়া ভালো কেন

 

মোজা ছাড়া কীভাবে পা গরম রাখবেন

  • সরিষার তেল বা অলিভ অয়েল হালকা গরম করে পায়ের তলায় মালিশ করতে পারেন।
  • পায়ের পাতায় গরম পানির সেঁক দিতে পারেন।
  • হট প্যাড গরম করেও পায়ে সেঁক দিতে পারেন।
  • সূত্র : আনন্দবাজার

    মন্তব্য

    সম্পর্কিত খবর

    বিশ্ব সুন্দরী হওয়ার আগে যা খেতেন মানুষী

    জীবনযাপন ডেস্ক
    জীবনযাপন ডেস্ক
    শেয়ার
    বিশ্ব সুন্দরী হওয়ার আগে যা খেতেন মানুষী

    ২০১৭ সালে মিস ওয়ার্ল্ড মুকুট জিতেছিলেন মানুষী চিল্লার। বুদ্ধির ঝলকে ঘেরা সৌন্দর্য তাকে বিশ্ব সুন্দরীর শিরোপার পাশাপাশি এনে দিয়েছে মডেলিং ও বলিউডে খ্যাতি। ১৭ বছর পর মানুষীর হাত ধরে মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট ভারতে এসেছিল। এর পেছনে ছিল মানুষীর কঠোর পরিশ্রম।

    সুন্দরী প্রতিযোগিতায় যোগ দেওয়ার সময় তিনি বিশেষ জোর দেন তার ডায়েট ও ওয়ার্কআউটে।

    আপনিও মেনে চলতে পারেন মানুষীর লাইফস্টাইল। মানুষী যখন বিশ্ব সুন্দরীর হয়েছিলেন, সেই সময় সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ দিন ওয়ার্কআউট করতেন।

    আরো পড়ুন
    ‘পোশাক বদলের সময় পরিচালক ঢুকে পড়েন’

    ‘পোশাক বদলের সময় পরিচালক ঢুকে পড়েন’

     

    মানুষীর পুষ্টিবিদ নমমী আগারওয়াল জানিয়েছেন, মানুষী কঠোর পরিশ্রম করতেন সুন্দরী প্রতিযোগিতার জন্য।

    রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমতেন, এর ফল তার ত্বকের ওপর লক্ষ করা যেত। পাশাপাশি ঘুমাতে যাওয়ার ২ ঘণ্টা আগে ফোন বন্ধ করে দিতেন। এ ছাড়া সারা দিনে ৩ লিটার জল পান করতেন মানুষী। বাড়ির তৈরি খাবার ছাড়া অন্য খাবার ছুঁয়ে দেখতেন না তিনি।
    এমনকি তিনি সব সময় তাড়াতাড়ি ডিনার সারতেন এবং চেষ্টা করতেন রাতে হালকা খাবার খাওয়ার।

    এখন প্রশ্ন থাকতে পারে সারা দিন কী খেতেন মানুষী? 

    নায়িকার দিন শুরু হত এক গ্লাস পানি পান করে। তাতে মাঝেমধ্যে লেবুর রসও মেশাতেন। ব্রেকফাস্টে থাকত ওটস, টক দই ও বাদাম। লাঞ্চে খেতেন এক বাটি ভাত না হলে দুটি রুটি।

    সঙ্গে সবজির তরকারি ও সালাদ। বিকেলবেলা মানুষী খেতেন ফলের স্মুদি। মাঝেমধ্যে থাকত শসা, গাজর ও টক দই। সন্ধ্যা ৭টায় ডিনার শেষ করতেন মানুষী। সেখানে থাকত কিনোয়ার স্যালাদ কিংবা স্যুপ। ডিনার শেষে মানুষী খেতেন তাজা ফল। এটাই ছিল মানুষীর ডায়েট প্ল্যান। মানুষীর মতো ডায়েট ও ওয়ার্কআউট করলে আপনিও পেয়ে যাবেন মেদহীন চেহারা।

    মন্তব্য

    ভাত খেলেও ওজন বাড়বে না, জেনে নিন উপায়

    জীবনযাপন ডেস্ক
    জীবনযাপন ডেস্ক
    শেয়ার
    ভাত খেলেও ওজন বাড়বে না, জেনে নিন উপায়
    সংগৃহীত ছবি

    ভাত বাঙালির প্রিয় খাবার। অনেকেই ওজন কমানোর জন্য ভাত খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেন। পুষ্টিবিদের মতে, সঠিক পদ্ধতিতে ভাত খেলে ওজনও বাড়বে না পাশাপাশি স্বাস্থ্যও থাকবে ভালো।

    রান্নার পদ্ধতি
    ভাত রান্নার সময় যদি শুধুমাত্র চাল ধুয়ে চুলায় বসানো হয়, তবে স্টার্চ বের হয় না।

    কিন্তু যদি চাল আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে, সেই পানি ফেলে নতুন পানিতে ভাত রান্না করা হয়, তাহলে প্রথমেই কিছু পরিমাণ স্টার্চ বের হয়ে যায়। এর ফলে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমে যায়। প্রেশার কুকারে রান্না করা ভাত কম স্বাস্থ্যকর। 

    খাওয়ার পদ্ধতি
    ভাতকে ডাল, ভাজি, তরকারি, সালাদ ইত্যাদির সঙ্গে মেশালে এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) কমে যায়।

    কারণ এসব খাবারে প্রচুর ফাইবার ও প্রোটিন থাকে। শুধু লবণ দিয়ে ফ্যান-ভাত খেলে জিআই কমবে না।

    খাওয়ার সময়
    ভাত খাওয়ার সেরা সময় দুপুর। রাতে ভাত কম খাওয়াই ভালো।

    কারণ রাতে শরীরের নড়াচড়া কম থাকে এবং কার্বোহাইড্রেটের বিপাক কম হয়। তবে সবচেয়ে ভালো সময় হলো জিম বা শরীরচর্চার পর ভাত খাওয়া। কারণ তখন শরীর আরো বেশি ক্যালোরি বার্ন করে।

    কত পরিমাণ খেতে হবে
    ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে দিনে ৩০ গ্রাম চালের ভাত রান্না করা উচিত, যা এক কাপের সমান। এতে প্রায় ১৫০-১৭০ কিলোক্যালোরি থাকে।

    ভাতের উপকারিতা
    ভাত ভিটামিন বি, ফলিক অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়ামের ভালো উৎস। এটি অন্ত্র ও ত্বকের জন্য উপকারী। বাজারে বিভিন্ন ধরনের চাল পাওয়া যায় অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর কালো চাল। বাদামি চাল যা ফাইবারে সমৃদ্ধ এবং লাল চাল যার প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এসব চাল ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। ভাত খেতে হবে কিন্তু সঠিক পদ্ধতিতে, তবেই তা শরীরের জন্য উপকারী।

    সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

    মন্তব্য

    হাঁটার সময় যেসব ভুলে শরীরের ক্ষতি

    জীবনযাপন ডেস্ক
    জীবনযাপন ডেস্ক
    শেয়ার
    হাঁটার সময় যেসব ভুলে শরীরের ক্ষতি
    সংগৃহীত ছবি

    শরীরকে সক্রিয় রাখার সহজ ও সুবিধাজনক পদ্ধতি হল হাঁটা। তাই অনেকেই এটিকে সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি হিসেবে বেছে নেন। তবে হাঁটার সময় কিছু ভুল অভ্যাস শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এই ভুলগুলো শরীরের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    চলুন, জেনে নিই।

    ভুল পেশির ব্যবহার
    দীর্ঘ সময় হাঁটার পর কোমরের নিচের অংশে ব্যথা অনুভব করলে, এটি ভুল পেশির ব্যবহারের কারণে হতে পারে। অনেকেই নিতম্বের ফ্লেক্সর পেশি অতিরিক্ত ব্যবহার করেন। যা পেশিতে টান ধরিয়ে দেয়।

    এর পরিবর্তে, পিঠ ও পায়ের কাফ পেশি ব্যবহার করলে হাঁটা আরও সহজ হবে।

    পায়ের পাতার সমতল অংশ ফেলে হাঁটা
    হাঁটার সময় যদি পায়ের সমতল অংশ মাটিতে পড়ে তা হলে আপনি ভুল করছেন। এই অভ্যাসকে প্যাসিভ ফুট স্ট্রাইক বলা হয়। যা হাঁটুতে ঝাঁকুনির সৃষ্টি করে ক্ষতির সম্ভাবনা বাড়ায়।

    তাই আগে গোড়ালি ও পরে পায়ের গোড়া মাটিতে দিয়ে হাঁটুন।

    হাঁটার সময় মাথার অবস্থান
    ফোনে বা রাস্তার দিকে তাকিয়ে হাঁটলে শরীরের ভঙ্গি খারাপ হয়। এর ফলে কাঁধ, পিঠ ও মেরুদণ্ডে চাপ পড়ে। খারাপ ভঙ্গির কারণে শরীরের অক্সিজেন সরবরাহে সমস্যা হতে পারে। সঠিক ভঙ্গিতে হাঁটার জন্য মাথা ও মেরুদণ্ড সমান্তরাল রেখে হাঁটুন।

    হাঁটার সময় হাতের অবস্থান
    হাত স্থির রেখে হাঁটার পরিবর্তে, হাত দুলিয়ে হাঁটুন। এতে আপনার শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকবে এবং পেশিগুলি সচল থাকবে। 

    ভুল জুতার ব্যবহার
    হাঁটার জন্য উপযুক্ত জুতা পরা জরুরি। ভুল জুতা ব্যবহার করলে গাঁটে ব্যথা হতে পারে এবং পায়ের পাতায় দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

    বড় বড় পা ফেলে হাঁটা
    অনেকে মনে করেন, বড় পা ফেললে হাঁটা আরো কার্যকর হবে। কিন্তু আসলে এটি ভুল। বড় পা ফেলা আপনার গাঁটে চাপ সৃষ্টি করে। স্বাভাবিকভাবে হাঁটাই সবচেয়ে ভালো।

    সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

    মন্তব্য

    তাজা মাছ চিনে নেওয়ার ৫ কার্যকরী টিপস

    জীবনযাপন ডেস্ক
    জীবনযাপন ডেস্ক
    শেয়ার
    তাজা মাছ চিনে নেওয়ার ৫ কার্যকরী টিপস
    সংগৃহীত ছবি

    বাঙালিরা মাছ খেতে অনেক ভালোবাসে, তবে সব বাঙালি কি সঠিকভাবে ভালো মাছ চিনতে পারে? বাজারে মাছ কেনার অভিজ্ঞতা থাকলে অনেক কিছুই সহজে চেনা যায়। তবে যারা তেমন অভিজ্ঞ নন, তাদের জন্য কিছু টিপস রয়েছে, যা সাহায্য করবে ভালো মাছ চেনার জন্য। 

    চলুন, জেনে নেওয়া যাক তাজা মাছ চিনে নেওয়ার কয়েকটি টিপস। 

    চোখ
    তাজা মাছের চোখ হবে উজ্জ্বল, ঝকঝকে এবং পরিচ্ছন্ন।

    যদি চোখে ধূসর ভাব বা অনুজ্জ্বল রং দেখা যায়, তাহলে বুঝে নেবেন মাছ তাজা নয়।

    ফুলকো
    তাজা মাছের ফুলকো হবে উজ্জ্বল লাল বা গোলাপি রঙের। মাছ কেনার সময় কানকোর আবরণ তুলে ফুলকো পরীক্ষা করুন। যদি ফুলকো খয়েরি বা ধূসর হয়ে থাকে তাহলে সেই মাছ তাজা নয়।

    গন্ধ
    তাজা মাছে সমুদ্রের পানির মতো হালকা গন্ধ থাকবে। অতিরিক্ত আঁশটে বা খারাপ গন্ধ পেলে সে মাছ না নেওয়াই ভালো।

    নমনীয়তা
    মাছের গায়ে আলতো করে চাপ দিয়ে দেখুন। তাজা মাছের গা নরম হবে, তবে চাপ দিলে গর্ত হয়ে চেপে বসবে না।

    যদি চাপ দিলে টোল পড়তে থাকে, তাহলে মাছ তাজা নয়।

    চকচকে
    তাজা মাছের ত্বক হবে আর্দ্র ও চকচকে। যদি দেখেন মাছের গায়ে চকচকে ভাব নেই বা অনুজ্জ্বল দেখাচ্ছে, তবে সেই মাছ তাজা নয়।

    এই সহজ উপায়গুলো মেনে চললে আপনি সহজেই তাজা মাছ চেনার সক্ষমতা অর্জন করতে পারবেন।

    সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

    প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    সর্বশেষ সংবাদ