কৃষ্ণ সাগরে যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে রাশিয়া। আর যুক্তরাষ্ট্র সেই দাবির মুখে দৃঢ় অবস্থানে থাকবে বলে প্রত্যাশা করছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি। গত বুধবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার চাপ প্রতিরোধ করবে কি না, জানতে চাইলে জেলেনস্কি বলেন, আমি আশা করছি তারা করবে।
দেখি কী হয়।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের জন্য তিনি খুবই কৃতজ্ঞ। তবে তাদের কেউ কেউ রাশিয়ার প্রপাগান্ডার মাধ্যমে প্রভাবিত। আমরা এর সঙ্গে একমত নই।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে কি না, এমন প্রশ্নে জেলেনস্কি বলেন, আমি জানি না। আমার পক্ষে এটা বলা কঠিন। আমি জানি না তাঁদের কী সম্পর্ক আছে। তাঁদের কতবার কথা হয়েছে, তা-ও জানি না।
কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং জোট গঠনের প্রচেষ্টার কথা উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। এ প্রসঙ্গে জেলেনস্কি বলেন, উইটকফ আবাসন ব্যবসায়ীর সঙ্গে যুক্ত। কিভাবে সম্পদ বেচাকেনা করতে হয়, তা ভালো জানার কথা তাঁর। এ বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন।
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার লন্ডনে কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং জোটের বৈঠকে অংশ নেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ ও জেলেনস্কি।
বৈঠক শেষে স্টারমার বলেন, রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সময় এখন নয়।
যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে ধন্যবাদ জানিয়ে জেলেনস্কি বলেন, সবাই বুঝেছে যে, রাশিয়া কোনো শান্তি চায় না। নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে বৈঠকে আলাপ হয়েছে। সূত্র : বিবিসি