’
ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সেনাপ্রধান আরো বলেন, ‘আমি যতবারই ড. ইউনূসের সঙ্গে কথা বলেছি হি কমপ্লিটলি অ্যাগ্রিড উইথ মি, দেয়ার শুড বি ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ইনক্লুসিভ ইলেকশন অ্যান্ড দ্যাট ইলেকশন শুড বি উইদিন ডিসেম্বর অর... (আমি যতবারই ড. ইউনূসের সঙ্গে কথা বলেছি তিনি সম্পূর্ণভাবে আমার সঙ্গে একমত হয়েছেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হওয়া উচিত এবং সেই নির্বাচন হওয়া উচিত ডিসেম্বরের মধ্যে বা...)। যেটা আমি প্রথমেই বলেছিলাম, ১৮ মাসের মধ্যে একটা ইলেকশন। আমার মনে হয়, সরকার সেদিকেই ধাবিত হচ্ছে। ড. ইউনূস যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন দেশটাকে ইউনাইটেড রাখতে। কাজ করে যাচ্ছেন উনি, তাঁকে আমাদের সাহায্য করতে হবে, উনি যেন সফল হতে পারেন। সেদিকে আমরা সবাই চেষ্টা করব। আমরা একসঙ্গে ইনশাআল্লাহ কাজ করে যাব।’
‘সেনাবাহিনীর প্রতি আক্রমণ করবেন না’
সেনাবাহিনীর প্রতি আক্রমণাত্মক কথা না বলার আহ্বান জানিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘একটা কমন জিনিস আমি দেখতে পাচ্ছি, সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধানের প্রতি বিদ্বেষ কারো কারো। কিন্তু কী কারণে আজ পর্যন্ত আমি এটা খুঁজে পাইনি।’
সেনাপ্রধান আরো বলেন, ‘আমরা হচ্ছি একমাত্র ফোর্স, যেটা আপনাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি, দাঁড়িয়ে আছি প্ল্যাটফর্মে অফকোর্স নেভি অ্যান্ড এয়ারফোর্স। আমাদের সাহায্য করেন, আমাদের আক্রমণ করবেন না। আমাদের অনুপ্রাণিত করেন, আমাদের উপদেশ দেন। আমাদের প্রতি আক্রমণ করবেন না। উপদেশ দেন, আমরা অবশ্যই ভালো উপদেশ গ্রহণ করব। আমরা একসঙ্গে থাকতে চাই এবং দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।’
এ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোয় রাওয়া ক্লাবের চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আবদুল হকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, ‘উনি আমাকে সুযোগ করে দিয়েছেন আজ এখানে আপনাদের সঙ্গে এসে কথা বলার জন্য। একটু মন খুলেই কথা বললাম। এত দিন যে কথা মনের মধ্যে ছিল, সব সময় প্রকাশ করতে পারি না, প্রকাশ করাও যায় না, আজ প্রকাশ করলাম।’
আমার কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘আজ একটু স্পষ্ট করে কথা বলতে চাই। আপনাদের সবার হয়তো ভালো লাগতে না-ও পারে। কিন্তু বিশ্বাস করেন, এটা যদি গ্রহণ করেন, আপনারা লাভবান হবেন। কোনো ক্ষতি হবে না দেশের। আমার অন্য কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই, একটাই আকাঙ্ক্ষা। দেশ এবং জাতিকে একটা সুন্দর জায়গায় রেখে ছুটি করা, আই হেড এনাফ, ওয়াজ লাস্ট সেভেন-এইট মান্থস আই হেড এনাফ। আমি চাই দেশ এবং জাতিকে একটা সুন্দর জায়গায় রেখে আমরা সেনানিবাসে ফেরত আসব।’
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে যা বললেন
দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার পেছনে কিছু কারণ তুলে ধরে সেনাপ্রধান বলেন, ‘প্রথম কারণটা হচ্ছে—আমরা নিজেরা হানাহানি নিয়ে ব্যস্ত। একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে বিষোদগারে ব্যস্ত। এটা একটা চমৎকার সুযোগ অপরাধীদের জন্য। যেহেতু আমরা একটা অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে বিরাজ করছি, তারা খুব ভালোভাবেই জানে এই সময় যদি এসব অপরাধ করা যায়, তাহলে এখান থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। সে কারণে এই অপরাধগুলো হচ্ছে। আমরা যদি সংগঠিত, একত্র থাকি, তাহলে অবশ্যই সম্মিলিতভাবে এটা মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।’
সেনাপ্রধান বলেন, ‘পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, ডিজিএফআই, এনএসআই—সব সংস্থাই অতীতে দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে। তারা কিছু খারাপ কাজের সঙ্গে অসংখ্য ভালো কাজও করেছে। আজ দেশের যে স্থিতিশীলতা, দেশটাকে যে এত বছর স্থিতিশীল রাখা হয়েছে, এটার কারণ হচ্ছে—এই সশস্ত্র বাহিনীর বহু সদস্য, সিভিলিয়ান সবাই মিলে, অসামরিক-সামরিক সবাই মিলে এই অর্গানাইজেশনগুলোকে ইফেক্টিভ (কার্যকর) রেখেছে। সে জন্য আজ এত দিন ধরে একটা সুন্দর পরিবেশ পেয়েছি।’
অপরাধ করলে তার শাস্তি পেতে হবে, সে কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘না হলে সেই জিনিস আবার ঘটবে। আমরা সেটাকে বন্ধ করতে চাই চিরতরে। কিন্তু তার আগে মনে রাখতে হবে, আমরা এমনভাবে কাজটা করব, এসব অর্গানাইজেশনকে যেন আন্ডারমাইন করা না হয়। আজ পুলিশ সদস্যরা কাজ করছে না, একটা বিশাল বড় কারণ হচ্ছে—অনেকের বিরুদ্ধে মামলা, অনেকে জেলে। র্যাব, বিজিবি, ডিজিএফআই, এনএসআই প্যানিকড (আতঙ্কিত)। র্যাব, বিজিবি, ডিজিএফআই, এনএসআইয়ের বিরুদ্ধে গুম-খুনসহ বিভিন্ন দোষারোপের তদন্ত চলছে। অবশ্যই তদন্ত চলবে, দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। এমনভাবে কাজটা করতে হবে, যেন এ অর্গানাইজেশনগুলো আন্ডারমাইন্ড (অবমূল্যায়ন) না হয়।’
সেনাপ্রধান বলেন, ‘এই অর্গানাইজেশনগুলোকে আন্ডারমাইন করে যদি আপনারা মনে করেন দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বিরাজ করবে, সবাই শান্তিতে থাকবেন, এটা হবে না। সেটা সম্ভব না, আমি আপনাদের স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছি।’
দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব শুধু সেনাবাহিনীর না মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘দুই লাখ পুলিশ আছে, বিজিবি আছে, র্যাব আছে, আনসার-ভিডিপি আছে। আমার আছে ৩০ হাজার সৈন্য। আমি ৩০ হাজার সৈন্য দিয়ে কিভাবে এটা পূরণ করব? ৩০ হাজার থাকে, তারা চলে যায় ক্যান্টনমেন্টে, আরো ৩০ হাজার আসে। এটা দিয়ে আমরা দিন-রাত চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘দেশের উচ্ছৃঙ্খল কাজগুলো আমাদের (দেশের মানুষ) নিজস্ব তৈরি। বিপরীতমুখী কাজ করলে দেশে কখনো শান্তি-শৃঙ্খলা আসবে না। জিনিসটা আপনাদের মনে রাখতে হবে।’
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়া নষ্ট করবেন না
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারিক প্রক্রিয়াকে নষ্ট না করার জন্য আহ্বান জানিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘এই জিনিসটা আমাদের খুব পরিষ্কার করে মনে রাখা প্রয়োজন, এই বিচারিক প্রক্রিয়াকে নষ্ট করবেন না। যেসব সদস্য শাস্তি পেয়েছে, তারা শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।’
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘আজ একটা বেদনাবিধুর দিবস। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি আমরা এই ৫৭ জন চৌকস সেনা অফিসার এবং শুধু তাই নয়, তাঁদের পরিবারের কিছু সদস্যকে হারিয়েছি। এখানে আসার সময় এই ছবিগুলো আমি দেখছিলাম। এই ছবিগুলো আপনারা অনেকে দেখেছেন। কিন্তু এগুলো আমার সব চাক্ষুষ দেখা। আমি একটা চাক্ষুষ সাক্ষী এসব বর্বরতার।’
বিদ্রোহ ও হত্যা মামলার বিচার হলেও ক্ষমতার পালাবদলের পর পুনরায় তদন্তের দাবি ওঠে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে গত ডিসেম্বর সাত সদস্যের স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার।
এ প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান বলেন, “একটা জিনিস আমাদের সব সময় মনে রাখতে হবে। এই বর্বরতা কোনো সেনা সদস্য করেনি। সম্পূর্ণটাই তদানীন্তন বিজিবি (বিডিআর) সদস্য দ্বারা সংঘটিত। ফুলস্টপ। এখানে কোনো ‘ইফ’ এবং ‘বাট’ (যদি ও কিন্তু) নেই। এখানে যদি ‘ইফ’ এবং ‘বাট’ আনেন, এই যে বিচারিক কার্যক্রম এত দিন ধরে হয়েছে, ১৬ বছর ধরে, ১৭ বছর ধরে যারা জেলে আছে, যারা কনভিকটেড, সেই বিচারিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। এই জিনিসটা আমাদের খুব পরিষ্কার করে মনে রাখা প্রয়োজন। এই বিচারিক প্রক্রিয়াকে নষ্ট করবেন না। যেসব সদস্য শাস্তি পেয়েছে, তারা শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।”
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘এখানে কোনো রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কি না, ইনভলভ (জড়িত) ছিলেন কি না, বাইরের কোনো শক্তি এর মধ্যে ইনভলভ ছিল কি না, সেটার জন্য কমিশন করা হয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান এখানে আছেন। উনি এটা বের করবেন এবং আপনাদের জানাবেন।’
সেনাপ্রধান বলেন, ‘বটম লাইন (আসল কথা) হচ্ছে, আমাদের এই চৌকস সেনা সদস্য যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন তদানীন্তন বিডিআর সদস্যদের গুলিতে। আমরা নিজেরা এসব জিনিস নিয়ে অনেক ভিন্নমত পোষণ করছি কেউ কেউ। এই জিনিসটাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছি। সেটা আমাদের জন্য মঙ্গলজনক হবে না।’
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘আজ আমার কিছু উপদেশ আমি দিয়ে যাব, সেটা যদি আপনারা গ্রহণ করেন, আপনারা লাভবান হবেন। আমি এটা আপনাদের নিশ্চিত করছি। আমরা নিজেরা ভেদাভেদ সৃষ্টি না করি। আমরা নিজেরা ইউনাইটেড (ঐক্যবদ্ধ) থাকি। আমাদের মধ্যে যদি কোনো সমস্যা থেকে থাকে, কোনো ব্যত্যয় থেকে থাকে, সেটা আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধা করব। এটার জন্য ডানে-বাঁয়ে দৌড়িয়ে কোনো লাভ হবে না। নিজের ক্ষতি ছাড়া কোনো লাভ হবে না। আমি আপনাদের এই জিনিসটা নিশ্চিত করে দিচ্ছি।’
সেনাপ্রধান বলেন, ‘কিছু সদস্যের দাবি, তাঁরা ২০০৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত বিভিন্ন শাস্তি পেয়েছেন। কেউ কেউ দায়ী করছেন তাঁরা অযাচিতভাবে শাস্তি পেয়েছেন। সেটার জন্য আমি একটা বোর্ড করে দিয়েছি। একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সেই বোর্ডের সদস্য। প্রথম ফেজে (পর্যায়ে) ৫১ জন সদস্যের ব্যাপারে আমার কাছে রিকমেন্ডেশন (সুপারিশ) নিয়ে এসেছে। তাঁর রিকমেন্ডেশনের (সুপারিশ) বেশির ভাগই আমি গ্রহণ করেছি। নেভি, এয়ারফোর্সও (নৌবাহিনী-বিমানবাহিনী) তাদের এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আমার স্ট্যান্ড পয়েন্ট (অবস্থান) হচ্ছে, যদি কেউ অপরাধ করে থাকে, সেটার জন্য কোনো ছাড় হবে না। বিন্দুমাত্র ছাড় নেই। আমি আপনাদের পরিষ্কার করে দিচ্ছি, ইট ইজ আ ডিসিপ্লিনড ফোর্স (এটা একটা সুশৃঙ্খল বাহিনী)। ডিসিপ্লিনড ফোর্সকে ডিসিপ্লিনড থাকতে দেন।’
দেশের ক্রান্তিকালে আজ সব বাহিনী, সব প্রতিষ্ঠান বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘খালি সেনাবাহিনী টিকে আছে। বিমানবাহিনী টিকে আছে। নৌবাহিনী টিকে আছে। কেন? বিকজ অব ডিসিপ্লিন (শৃঙ্খলার জন্য)। তার পরও আমি আমার অফিসারকে আদেশ দিয়েছি। যদি সামান্যতম কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকে, কারো বিরুদ্ধে যে অ্যাকশন (শাস্তিমূলক ব্যবস্থা) নেওয়া হয়েছে, অপরাধী কি না, যদি সামান্য কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকে, সেটা তাদের ফেভারে (পক্ষে) যাবে। এটা হচ্ছে আমার ঢালাও নির্দেশ। সেই হিসেবে বিভিন্ন প্রস্তাব আমার কাছে এসেছে। কোনো কোনো প্রস্তাবে আমি আরো আমার নিজে থেকে যোগ করে আরো বেশি দিয়েছি। এভাবে পর্যায়ক্রমে অফিসাররা অ্যাপিয়ার করবেন, আসবেন এবং তাঁদের এই জিনিসগুলো আমরা দেখব। দেখে যদি মনে হয় তাঁদের কিছু করার অবকাশ আছে, অবশ্যই আমরা করব। ন্যায়নীতিতে আমরা প্রতিষ্ঠিত থাকব, ইনশাআল্লাহ।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, রাওয়া ক্লাবের চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল হক, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদ পরিবারের সদস্যরা, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ ও জামায়াতে ইসলামীর সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরসহ বিভিন্ন সেক্টরের প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানে সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে শোকসভা, চিত্র প্রদর্শনী, ডকুমেন্টারি ভিডিও, স্মরণিকা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শহীদ ৫৭ জন সেনা অফিসারকে নৃশংসভাবে হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচারের দাবি করা হয়।
এর আগে গতকাল সকাল ১০টায় বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের সমাধিতে রাওয়া ক্লাবের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। অন্যদিকে সন্ধ্যায় মিরপুর ডিওএইচএসের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।