ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ মার্চ ২০২৫
১৩ চৈত্র ১৪৩১, ২৬ রমজান ১৪৪৬

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ মার্চ ২০২৫
১৩ চৈত্র ১৪৩১, ২৬ রমজান ১৪৪৬
মুসলিম ইতিহাস

যেমন ছিল মমতাজ মহলের জীবন

আলেমা হাবিবা আক্তার
আলেমা হাবিবা আক্তার
শেয়ার
যেমন ছিল মমতাজ মহলের জীবন

আগ্রার তাজমহলকে মানুষ প্রেম ও ভালোবাসার প্রতীক হিসেবেই জানে। সম্রাট শাহজাহান প্রিয়মতা স্ত্রী মমতাজ মহলের স্মরণে ঐতিহাসিক এই স্থাপনা নির্মাণ করেন। তাজমহল শুধু ভালোবাসার প্রতীক নয়, বরং তা স্থাপনাশিল্পের বিস্ময়ও বটে। অপূর্ব নকশা, কারুকাজ ও ব্যবহৃত মূল্যবান পাথর; এর সব কিছুই মোহিত করে দর্শককে।

প্রশ্ন হলো, যার জন্য নির্মিত হয়েছিল এমন অনিন্দ্যসুন্দর স্থাপত্য সেই মমতাজ মহলের জীবন কেমন ছিল? আজ সেটাই জানার চেষ্টা করব।

মমতাজ মহল অর্থ প্রাসাদের নির্বাচিত নারী। সম্রাট শাহজাহান ভালোবেসে তাঁকে এই উপাধি দিয়েছিলেন। কেননা সম্রাটের চোখে তিনিই ছিলেন প্রাসাদের নারীদের ভেতর দৈহিক ও চারিত্রিক সৌন্দর্যে সবচেয়ে অগ্রগামী।

তাঁর প্রকৃত নাম আর্জুমান্দ বানু বেগম। তিনি আগ্রার একটি অভিজাত পার্সিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আবুল হাসান আসাফ খান। তিনি ছিলেন সম্রাজ্ঞী নুরজাহানের ভাগ্নি।
তাঁর বোনের বিয়ে হয়েছিল একজন মোগল রাজপুত্রের সঙ্গে। ১৬০৭ সালে শাহজাদা খুররমের সঙ্গে তাঁর বাগদান এবং ১০ মে ১৬১২ খ্রিস্টাব্দে তাঁদের বিয়ে হয়। যিনি পরবর্তী সময়ে শাহজাহান নামধারণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন। মমতাজ মহল ছিলেন সম্রাট শাহজাহানের তৃতীয় স্ত্রী।

সম্রাট শাহজাহানের তিন স্ত্রীর সবাই স্ত্রীর অধিকার ও মর্যাদা ভোগ করলেও ভালোবাসার প্রশ্নে মমতাজ মহল ছিলেন সবার চেয়ে এগিয়ে।

সম্রাট শাহজাহান ছিলেন তাঁর ভালোবাসায় আচ্ছন্ন। তাঁর এই ভালোবাসার একমাত্র কারণ রূপ ও সৌন্দর্য নয়। মমতাজ মহলের চারিত্রিক মাধুর্য, আচরণ, দয়া, মহানুভবতা ও বুদ্ধিমত্তাও সম্রাটকে মুগ্ধ করেছিল। ফলে মমতাজ মহলের জীবদ্দশায় বহু কবি তাঁর সৌন্দর্য, দয়া ও অনুভবতার প্রশংসা করে কবিতা লিখেছেন।

মমতাজ মহল ছিলেন সম্রাট শাহজাহানের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সহচর। সাম্রাজ্যের নানা প্রান্তে ভ্রমণের সময় তিনি সম্রাটের সঙ্গে থাকতেন। সম্রাট তাঁর রাজকীয় সিলমোহর মোহর উজাহ তাঁর কাছে গচ্ছিত রাখতেন। ক্ষমতা ও প্রভাব বিস্তারের বিবেচনায় তিনি ছিলেন তাঁর খালা ও সম্রাট জাহাঙ্গীরের স্ত্রী নুরজাহান বেগমের প্রতিচ্ছবি। সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহল তাঁর এই প্রভাব-প্রতিপত্তিকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করতেন। তৎকালে স্থাপত্যশিল্পের সঙ্গে মোগল নারীদের সম্পৃক্ততা ছিল খুবই সাধারণ বিষয়। মমতাজ মহল আগ্রায় যমুনা নদীর তীরে একটি বাগান তৈরিতে অবদান রাখেন।

সম্রাটের সঙ্গে মমতাজ মহলের দাম্পত্যজীবন ছিল ১৯ বছরের। এর ভেতর তিনি ১৪ বার গর্ভধারণ করেন। এদের মধ্যে সাতজনই জন্মের সময় বা শৈশবে মারা যায়। বারবার গর্ভধারণের ফলে সম্রাজ্ঞী দুর্বল হয়ে পড়েন। তার পরও সামরিক অভিযানসহ যেকোনো সফরে তিনি সম্রাটের সঙ্গেই থাকতেন। ১৬৩১ সালে সম্রাট শাহজাহান দক্ষিণাত্যের একটি মরুভূমিতে অভিযানে বের হন। গর্ভবতী সম্রাজ্ঞীও সঙ্গে ছিলেন। সফরে ১৪তম সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় তাঁর মৃত্যু হয়। প্রথমে মমতাজ মহলকে বুরহানপুরের একটি বাগানে দাফন করা হয়। তাপ্তি নদীর তীরবর্তী এই বাগান নির্মাণ করেছিলেন মোগল শাহজাদা দানিয়েল।

মমতাজ মহলের মৃত্যুর পর সম্রাট শাহজাহান মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। তিনি এক বছর পর্যন্ত শোকে মূহ্যমান হয়ে থাকেন। দুঃখ-শোকে তাঁর চুল-দাড়ি পেকে যায়। সম্রাটের বড় মেয়ে জাহানারা তাঁকে শোকমুক্ত করেন। মমতাজ মহলের ব্যক্তিগত সম্পদ, যার বাজারমূল্য প্রায় ১০ কোটি রুপির সমান ছিল, এর অর্ধেক জাহানারা পান এবং অন্য সন্তানরা পায় অর্ধেক। ১৬৩১ সালের ডিসেম্বর মাসেই শাহজাদা শাহ সুজার নেতৃত্বে মমতাজ মহলের লাশ আগ্রায় নিয়ে আসা হয়। প্রথমে একটি ছোট ভবনের ভেতর তাঁকে সমাহিত করা হয়। পরে সেখানে নির্মাণ করা হয় তাজমহল। তাজমহল নির্মাণ করতে সময় লেগেছিল ২২ বছর। ১৬৬৬ মৃত্যু আগ পর্যন্ত সম্রাট শাহজাহান মমতাজ মহলের ভালোবাসা বুকে নিয়েই বেঁচে ছিলেন।

তথ্যঋণ : হিস্টোরি অব ইসলাম ডটকম,

বই : স্টোরি অব তাজ

 

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

ভ্রমণের সুন্নতগুলো

শেয়ার

কোরআন থেকে শিক্ষা

    পর্ব, ৭৩৩
শেয়ার
কোরআন থেকে শিক্ষা

আয়াতের অর্থ : ‘যারা কুফরি করে তাদের কাজ মরুভূমির মরীচিকাসদৃশ, পিপাসার্ত যাকে পানি মনে করে, কিন্তু সে তার কাছে উপস্থিত হলে দেখবে তা কিছু নয় এবং সে পাবে সেখানে আল্লাহকে, অতঃপর তিনি তার কর্মফল পূর্ণ মাত্রায় দেবেন। আল্লাহ হিসাব গ্রহণে তৎপর। অথবা তাদের কাজ গভীর সমুদ্রতলের অন্ধকারসদৃশ, যাকে আচ্ছন্ন করে তরঙ্গের ওপর তরঙ্গ, যার ঊর্ধ্বে মেঘপুঞ্জ, অন্ধকারপুঞ্জ স্তরের ওপর স্তর...।’

(সুরা : নুর, আয়াত : ৩৯-৪০)

আয়াতদ্বয়ে পরকালের ব্যাপারে অবিশ্বাসীদের অসারতা তুলে ধরা হয়েছে।

শিক্ষা ও বিধান

১. উপদেশ প্রদানে কোরআনের রীতি হলো সুসংবাদ ও হুঁশিয়ারি পাশাপাশি নিয়ে আসা। যেন মানুষের ভেতর আশা বা ভয় কোনোটাই প্রবল না হয়।

২. পরকালের ব্যাপারে অবিশ্বাসীদের প্রত্যাশা মিথ্যা ও মূল্যহীন। পরকালে তাদের কোনো প্রাপ্য নেই।

৩. অবিশ্বাসীদের ভালো কাজগুলো মরীচিকার মতো নিষ্ফল ও বিভ্রম মাত্র, যা দূর থেকে পানি মনে হলেও প্রকৃত পক্ষে পানি নয়। (আত-তাহরির ওয়াত তানভির : ৩৯-৪০)

৪. তিন জিনিসের অভাবে মানুষের আমল নিষ্ফল হয় : ক. ঈমান, খ. ইখলাস বা নিষ্ঠা, গ. শরিয়তের অনুসরণ।

৫. ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘তরঙ্গ আচ্ছন্ন করে’ বাক্য দ্বারা অবিশ্বাসীদের অন্তর, চোখ ও কানের ওপর বিরাজমান পর্দা উদ্দেশ্য।

  (তাফসিরে ইবনে কাসির : ৮/১৩৪)

 

 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

শবেকদরে পড়ার দোয়া

শেয়ার
শবেকদরে পড়ার দোয়া

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন কারিম, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা‘ফু আন্নি।

অনুবাদ : হে আল্লাহ! তুমি সম্মানিত ক্ষমাকারী, তুমি ক্ষমা করতেই পছন্দ করো। অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দাও।

সূত্র : আয়েশা (রা.) বলেন, আমি একদিন আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! যদি আমি ‘লাইলাতুল কদর’ জানতে পারি তাহলে সে রাতে কী বলব? তখন তিনি তাঁকে এই দোয়া শিক্ষা দেন।

(তিরমিজি, হাদিস : ৩৫১৩)

 

হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত অন্য বর্ণনায় এসেছে,

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা‘ফু আন্নি।

অনুবাদ : হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমা করতেই ভালোবাসো, অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দাও। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩৮৫০)

 

 

 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য
পর্ব : ২৬

তারাবিতে কোরআনের বার্তা

শেয়ার
তারাবিতে কোরআনের বার্তা

সুরা ফাতাহ

আলোচ্য সুরায় প্রধানত হুদাইবিয়ার সন্ধি সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। মক্কার কুরাইশদের সঙ্গে মুসলমানদের ঐতিহাসিক এই সন্ধি হয়েছিল। এরপর কাফিরদের জন্য জাহান্নামের এবং ঈমানদারদের জন্য জান্নাতের ওয়াদা করা হয়েছে। পরে বাইআতে রিদওয়ান সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।

তিনটি কথার মাধ্যমে সুরাটি শেষ হয়েছে : এক. ইসলাম এসেছে বিজয়ী হওয়ার জন্য, দুই. ঈমানদাররা পরস্পরের ওপর সদয়, তিন. ঈমানদারদের জন্য আছে ক্ষমা ও উত্তম প্রতিদান।

 

আদেশ-নিষেধ-হিদায়াত

১. বিজয় আল্লাহর অনুগ্রহ। (আয়াত : ১-২)

২. আল্লাহর ব্যাপারে মন্দ ধারণা পোষণ কোরো না। (আয়াত : ৬)

৩. সকাল-সন্ধ্যা আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করো।

(আয়াত : ৯)

৪. দ্বিনের কাজে পিছিয়ে থেকো না। (আয়াত : ১১)

৫. আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করো।

(আয়াত : ১৭)

৬. মানুষকে মসজিদে যেতে বাধা দিয়ো না।

(আয়াত : ২৫)

৭. যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে মানুষকে রক্ষা করো।

(আয়াত : ২৫)

৮. গোত্রীয় অহমিকা পরিহারযোগ্য। (আয়াত : ২৬)

৯. পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল হও। (আয়াত : ২৯)

১০. সিজদার চিহ্ন মুমিনের গৌরব। (আয়াত : ২৯)

 

সুরা হুজুরাত

এ সুরায় মুসলমানদের আদব-কায়দা, শিষ্টাচার ও আচরণ শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংবাদ যাচাই-বাছাই করেই গ্রহণ করতে হবে।

মুসলমানদের একে অপরকে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করা, বদনাম ও উপহাস করা, খারাপ নামে আখ্যায়িত করা, খারাপ ধারণা পোষণ করা, অন্যের গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান করা ইত্যাদি গুনাহের কাজ থেকে বেঁচে থাকতে বলা হয়েছে। এগুলো সমাজে বিপর্যয় সৃষ্টি করে।

 

আদেশ-নিষেধ-হিদায়াত

১. দ্বিনের পথে অগ্রগামীরাই সিদ্ধান্ত নেবে।

(আয়াত : ১)

২. বড়দের সামনে উচ্চকণ্ঠ হয়ো না। (আয়াত : ২)

৩. সাহাবায়ে কিরাম (রা.) ক্ষমাপ্রাপ্ত। (আয়াত : ৩)

৪. প্রচারের আগে সংবাদ যাচাই করো। (আয়াত : ৬)

৫. মানুষের বিবাদ মিটিয়ে দাও। (আয়াত : ৯)

৬. কাউকে নিয়ে উপহাস কোরো না। (আয়াত : ১১)

৭. কাউকে মন্দ নামে ডেকো না। (আয়াত : ১১)

৮. খারাপ ধারণা ও গিবত থেকে বেঁচে থেকো।

(আয়াত : ১২)

৯. আল্লাহভীতি সম্মানের মাপকাঠি। (আয়াত : ১৩)

১০. মৌখিক দাবি ঈমান গ্রহণযোগ্য হওয়ার পক্ষে যথেষ্ট নয়। (আয়াত : ১৪)

 

সুরা কাফ

আলোচ্য সুরায় কাফিরদের ঈমানবিমুখতা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। তাদের কথা খণ্ডন করা হয়েছে, যারা পুনরুত্থানে বিশ্বাস করে না। পরে সৃষ্টিজগতের বিভিন্ন বস্তুর কথা তুলে ধরে আল্লাহর কুদরতের প্রমাণ দেওয়া হয়েছে। অতীতের পাপীদের কিছু উদাহরণ আনা হয়েছে। যারা আল্লাহর আজাবকে ভয় করে, তাদের কোরআনের মাধ্যমে সতর্ক করার নির্দেশ দিয়ে সুরাটি শেষ করা হয়েছে।

 

আদেশ-নিষেধ-হিদায়াত

১. সত্য স্পষ্ট হওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান কোরো না। (আয়াত : ৫)

২. আল্লাহ মানুষের সন্নিকটে উপস্থিত। (আয়াত : ১৬)

৩. মানুষের সব কথাই লিপিবদ্ধ হয়। (আয়াত : ১৮)

৪. মৃত্যু অবধারিত। (আয়াত : ১৯)

৫. অতৃপ্তি জাহান্নামের বৈশিষ্ট্য। (আয়াত : ৩০)

৬. আল্লাহমুখী মানুষের জন্য জান্নাত। (আয়াত : ৩২)

৭. আল্লাহকে ভয় করো। (আয়াত : ৩৩-৩৪)

 

সুরা জারিয়াত

আলোচ্য সুরায় আল্লাহর ওয়াদা সত্য হওয়ার কিছু নজির তুলে ধরা হয়েছে। এখানে বিভিন্ন নবীর ঘটনা বর্ণনা করে দেখানো হয়েছে যে যুগে যুগে আল্লাহর আজাবের ওয়াদা সত্য হয়েছে। কিয়ামতের বর্ণনার মাধ্যমে সুরাটি শুরু হয়েছে। সুরার শেষের দিকে বলা হয়েছে, মানুষ ও জিন জাতিকে সৃষ্টি করা হয়েছে আল্লাহর পরিচয় লাভের জন্য, তাঁর ইবাদতের জন্য।

 

আদেশ-নিষেধ-হিদায়াত

১. মিথ্যাচারীরা আল্লাহর দরবারে অভিশপ্ত।

(আয়াত : ১০-১১)

২. তাহাজ্জুদ আল্লাহর প্রিয় আমল। (আয়াত : ১৭-১৮)

৩. ধনীর সম্পদে গরিবের অধিকার রয়েছে।

(আয়াত : ১৯)

৪. সালাম দ্বারা পরস্পরকে অভিনন্দিত করো।

(আয়াত : ২৫)

৫. আল্লাহ বন্ধ্যা নারীকেও সন্তান দিতে পারেন।

(আয়াত : ২৯-৩০)

৬. অভিশপ্ত জাতিদের দেখে শিক্ষা নাও। (আয়াত : ৩৭)

৭. ক্ষমতার দম্ভে সত্যবিমুখ হয়ো না। (আয়াত : ৩৯)

৮. দ্বিন প্রচারকরা সমালোচনা উপেক্ষা করবে।

(আয়াত : ৫৪-৫৫)

 

সুরা তুর

আলোচ্য সুরায় বিভিন্ন বিষয়ের কসম খেয়ে সেই ওয়াদার পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে। পাশাপাশি মহানবী (সা.)-এর প্রতি দ্বীন প্রচারের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কাফিরদের অপপ্রচারে কান দিতে নিষেধ করা হয়েছে। মহানবী (সা.)-এর প্রতি ধৈর্যের উপদেশ দিয়ে সুরাটি শেষ হয়েছে।

 

আদেশ-নিষেধ-হিদায়াত

১. অর্থহীন কথা ও কাজ পরিহার করো।

(আয়াত : ১১-১২)

২. জাহান্নামিদের অপমানের সঙ্গে হাজির করা হবে। (আয়াত : ১৩-১৪)

৩. কোরআন সব সংশয়ের ঊর্ধ্বে। (আয়াত : ৩৩-৩৪)

 

গ্রন্থনা : মুফতি আতাউর রহমান

 

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ