বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন কাটাবেন ঢাকায় নিজ বাড়িতে। এদিন তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও নিজ নির্বাচনী এলাকা মিরপুরের বাসিন্দাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে মুজিবুল আলমের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে জানানো হয়েছে, দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান ঢাকায় নিজ বাড়িতে, নায়েবে আমির সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান মক্কায়, নায়েবে আমির সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় নিজ বাড়িতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।
আরো বলা হয়েছে, সাবেক এমপি মাওলানা শামসুল ইসলাম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় নিজ বাড়িতে, সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনার খানজাহান আলী থানায় নিজ বাড়িতে, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মা’ছুম কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামে, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার নওকৈড় গ্রামে, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আযাদ ঢাকার বসুন্ধরায়, এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের মক্কায়, এড. মোয়াজ্জম হোসাইন হেলাল বরিশালে নিজ বাড়িতে ঈদ উদযাপর করবেন।
এছাড়া মাওলানা মো. শাহজাহান চট্টগ্রাম মহানগরীতে, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এড. মতিউর রহমান আকন্দ ঢাকার উত্তরায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
এদিকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ এবং দেশবিরোধী সব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, দেশ থেকে ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও তারা বিদেশে বসে এবং দেশে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থেকে তাদের দোসরদের দিয়ে দেশে নানাভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেই যাচ্ছে।
দেশে যাতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন না হতে পারে সেজন্য নানাভাবে বিতর্ক এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। এ অবস্থার অবসান ঘটিয়ে সরকারকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। সেইসঙ্গে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং দেশবিরোধী সব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানবিক বাংলাদেশ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত দেশবাসীকে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।