ময়মনসিংহের ভালুকায় হিমায়িত ও প্যাকেটজাত করে মানব দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অংশ বিশেষ (নারীদের গর্ভফুল) পাচারচক্রের তিন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এই ঘটনায় শুক্রবার (২৯ মার্চ) রাতে ভালুকা মডেল থানায় মামলা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এস আই মো. নজরুল ইসলাম।
এর আগে পৌর এলাকার এআর ফিলিং স্টেশনের বিপরিত পাশ থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন দেওয়ানগঞ্জের চর কালিকাপুরের মো. হযরত আলী ছেলে মো. আলমগীর (৩৫), ময়মনসিংহ ধোবাউড়া মান্দারতলীর গিলবার্ট চিচাংয়ের ছেলে উর্গম মানকিন (২২), মানিকগঞ্জ হাপানিয়া গ্রামের মো. হাবিব শেখের চেলে মো. নাহিদ শেখ (২৪)।
মামলা ও থানা সূত্রে জানা গেছে, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল হাসপাতালসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে নারীদের গভফুল অবৈধভাবে বিভিন্ন দেশ এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছে। বুধবার গর্ভফুল হিমায়িত ও প্যাকেটজাত করে গাজীপুরের দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ দল এআর ফিলিং স্টেশন এলাকায় অবস্থান নেয়। ওই সময় একটি হাইব্রীজ মাইক্রোবাসে তল্লাশী চালিয়ে আসামিদের আটক এবং তিনটি ককশিট বক্সে কস্টেপ দিয়ে মোড়ানো ১৫০টি গর্ভফুল জব্দ করে তারা।
মামলার বাদী বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানান, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে আয়াদের মাধ্যমে অবৈধভাবে গর্ভফুল সংগ্রহ এবং বিক্রির উদেশ্যে হিমায়িত ও প্যাকেটজাত করে বিদেশে পাচার করে তারা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভালুকা মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মো. আমিনূল ইসলাম জানান, আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামছুল হুদা খান জানান, অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত।