ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামে ফ্যাক্টচেকার রাখছে না মেটা

বিবিসি বাংলা
বিবিসি বাংলা
শেয়ার
ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামে ফ্যাক্টচেকার রাখছে না মেটা
সংগৃহীত ছবি

কোনো পোস্ট সত্য নাকি মিত্যা তা বিচারের ভার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের ওপর ছেড়ে দিচ্ছে টেক জায়ান্ট কোম্পানি মেটা। ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামে স্বাধীন ফ্যাক্টচেকারদের ব্যবহার বাদ দিচ্ছে তারা।

এর পরিবর্তে এক্স বা সাবেক টুইটারের অনুকরণে ‘কমিউনিটি নোটস’ চালু করার ঘোষণা দিয়েছে কম্পানিটি।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) একটি ভিডিও বার্তা ও একটি ব্লগ পোস্ট করে মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ফ্যাক্ট চেকের ক্ষেত্রে যেসব থার্ড পার্টি মডারেটরদের ওপর নির্ভর করা হচ্ছিলো তারা ‘রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট’ ছিল। তাই তিনি মনে করেন, বাক স্বাধীনতায় ফিরে যাওয়ার সময় হয়েছে।

আরো পড়ুন
১০০ টাকা মোবাইল রিচার্জে কর দিতে হবে ৫৬ টাকা!

১০০ টাকা মোবাইল রিচার্জে কর দিতে হবে ৫৬ টাকা!

 

এই ঘোষণার পর মনে করা হচ্ছে জাকারবার্গ ও তার কম্পানির নির্বাহীরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে বসতে যাওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার চেষ্টা করছেন। কারণ ট্রাম্প ও তার সহযোগীরা মেটার বিরুদ্ধে ফ্যাক্ট চেকিং পলিসি নিয়ে অভিযোগ তোলেন এবং দাবি করেন, কম্পানিটি ডানপন্থিদের বাকস্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণ করছে।

২০১৬ সালে মেটার এই ফ্যাক্ট চেকিং প্রকল্প হয়েছিল। কোনো পোস্ট ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর মনে হলে স্বাধীন ফ্যাক্টচেকারদের তা যাচাই করতে বলা হতো। যাচাইয়ের পর কোনো পোস্ট অসত্য প্রমাণিত হলে তার ওপর আলাদা করে ট্যাগ যুক্ত করে দিয়ে রিচ কমিয়ে দেওয়া হতো।

প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে এই ফ্যাক্টচেকিং বন্ধ হচ্ছে।

মেটা জানিয়েছে, ইউরোপ অঞ্চলেও জন্য এখনই থার্ড পার্টি ফ্যাকট চেকিং বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা নেই তাদের।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

এআই মাস্টারক্লাস : কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এক নতুন দিগন্ত

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক
শেয়ার
এআই মাস্টারক্লাস : কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এক নতুন দিগন্ত

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য আয়োজিত ‘এআই মাস্টারক্লাস ফর কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এই মাস্টারক্লাসের জন্য অনলাইনে নিবন্ধন চালু হওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ৫০০ জনের বেশি বাঙালি কনটেন্ট ক্রিয়েটর নিবন্ধন করেন। বিপুল সাড়া পাওয়ার পর নতুন নিবন্ধন বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওয়ার্কশপের উদ্যোগ নিয়েছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রবিন রাফান।

গত ২৫ মার্চ এই অনলাইন ওয়ার্কশপটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। লাইভ ক্লাসে প্রায় ৪০০ জন কনটেন্ট ক্রিয়েটর একসাথে উপস্থিত ছিলেন। যারা লাইভ ক্লাসে অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য রেকর্ডেড ভার্সন সরবরাহ করা হয়েছে।

ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারীরা এআই ব্যবহার করে কনটেন্ট তৈরি, ক্যাপশন ও হ্যাশট্যাগ জেনারেশন, ইমেজ থেকে ভিডিও এবং এনিমেশন তৈরি, প্রম্পট জেনারেশন, এআই-জেনারেটেড মিউজিক তৈরি সহ আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেছেন।

অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা নিয়ে বেশ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। এই ধরনের উদ্যোগ এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বলেই মনে করছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটররা।

এ প্রসঙ্গে রবিন রাফান বলেন, ‘আমি প্রথমবার এত বড় সংখ্যক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে একসাথে এআই সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিয়েছি, যা আমার জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতা। ভবিষ্যতে আরও এমন ওয়ার্কশপ আয়োজনের পরিকল্পনা করছি।

প্রথম সিজনের এই আকাশছোঁয়া সাফল্যের পর রবিন রাফান ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় সিজনের ঘোষণা করেছেন। এই নতুন ওয়ার্কশপটি আগামী ১৪ এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হবে এবং ইতোমধ্যেই ৩০০ জনেরও বেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর এর জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

মন্তব্য

মোবাইলে পানি ঢুকে গেলে করণীয়

শেয়ার
মোবাইলে পানি ঢুকে গেলে করণীয়
সংগৃহীত ছবি

আজকাল স্মার্টফোন আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। তাই মোবাইলের মধ্যে পানি ঢুকে গেলে তা আমাদের জন্য বিরাট এক সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। 

চলুন, জেনে নিই মোবাইলে পানি ঢুকে গেলে কী করতে হবে এবং কোন ভুল কাজগুলো করবেন না।

মোবাইলে পানি ঢুকে গেলে প্রথমে যা করবেন:

প্রথমে ফোনটি বন্ধ করে দিন, এতে শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা কমে।

যদি সম্ভব হয় ফোনের ব্যাটারি, সিম ও মেমোরি কার্ড বের করে ফেলুন ও শুকনো জায়গায় রাখুন। একটি শুকনো কাপড় দিয়ে ফোনের বাইরের অংশটি আলতোভাবে মুছে ফেলুন। তবে অতিরিক্ত চাপ না দেওয়ার চেষ্টা করুন। 

আপনার ফোনকে চালের পাত্রে রাখুন ২৪-৪৮ ঘণ্টার জন্য।

যাতে পানি শুষে নিয়ে ফোন দ্রুত শুকিয়ে যায়।

যে ভুলগুলো করা উচিত নয়:

ফোন শুকানোর আগে সেটি চালু করার চেষ্টা করবেন না, এতে ফোনটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে ফোন শুকানোর চেষ্টা করবেন না। এটি ফোনের সার্কিটে ক্ষতি করতে পারে।

ফোন ঝাঁকালে পানি আরো গভীরে চলে যেতে পারে, যা ফোনের ক্ষতি বাড়িয়ে দিতে পারে।

আপনার ফোন যদি ৪৮ ঘণ্টায় চালু না হয় তাহলে নিকটস্থ সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যান। ভুল পদক্ষেপ নিলে আপনার ফোন স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই সঠিক উপায়ে মোবাইল শুকিয়ে নিন এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন।

সূত্র : আজতাক বাংলা

মন্তব্য

পুরনো ও গুরুত্বপূর্ণ মেইল সহজে খুঁজে বের করবে জিমেইল

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
পুরনো ও গুরুত্বপূর্ণ মেইল সহজে খুঁজে বের করবে জিমেইল
সংগৃহীত ছবি

জরুরি অথচ বেশ পুরনো। এমন ই-মেইল খুঁজতে গিয়ে আমরা প্রায় সময়ই হয়রান হই। তবে এবার আর সে কষ্ট করতে হবে না। জিমেইল নিয়ে এল ফিচার।

‘এআই-পাওয়ার্ড’ সার্চের এই ফিচারটি সহজেই প্রয়োজনীয় অথচ অনেক পুরনো ই-মেইল খুঁজে দেবে।

সার্চ অপশনে কিওয়ার্ডের সাহায্যে পুরনো ই-মেইল খোঁজা বেশ জনপ্রিয় পন্থা। কিন্তু এই নতুন পদ্ধতি আরো আকর্ষণীয়। এখানে মাথায় রাখা হয় ঘনঘন ক্লিক করা ই-মেইল, নিয়মিত মেইল চালাচালি হয় এমন ই-মেইল অ্যাড্রেস ইত্যাদি।

এর সাহায্যে সার্চ করলে সময় বাঁচবে এবং দ্রুত কাঙ্ক্ষিত ই-মেইল খুঁজে পাওয়া যাবে।

‘মোস্ট রিলেভ্যান্ট’ সার্চ রেজাল্ট এবার বিশ্বজুড়েই ব্যক্তিগত জিমেইল অ্যাকাউন্টের জন্য চালু হয়েছে। ওয়েব ও জিমেইলের অফিসিয়াল অ্যাপ সর্বত্রই তা পাওয়া যাবে। অ্যাপের ক্ষেত্রে অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস, দুই ধরনের ডিভাইসেই এটি পাওয়া যাবে।

ইউজাররা ‘মোস্ট রিলেভ্যান্ট’ এবং ‘মোস্ট রিসেন্ট’ এই দুই অপশন থেকে বেছে নিয়ে সার্চ করতে পারবেন।

আরো পড়ুন
ওয়াই-ফাইয়ের তরঙ্গ কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?

ওয়াই-ফাইয়ের তরঙ্গ কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?

 

কিভাবে এআই-এর সাহায্যে এই সার্চ করা হয়

গুগল জানিয়েছে, মূলত তিনটি বিষয় খেয়ালে রাখা হয়।

  • কারা আপনাকে নিয়মিত মেইল পাঠায়।
  • কোন ইউজারকে আপনি বেশি ই-মেইল পাঠান।
  • আপনার আগের ই-মেইল সার্চ।

কিভাবে এই সার্চ অপশনকে ‘গেম চেঞ্জার’ মনে করা হচ্ছে

দৈনিক শতাধিক মেইল ঢুকতে থাকে ইনবক্সে। ফলে সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ খুঁজে বের করা দুষ্কর হয়ে ওঠে। এই কঠিন চ্যালেঞ্জ সহজেই সামলে নিতে পারবে এআই-নিয়ন্ত্রিত সার্চ অপশন। এর ফলে জিমেল আরো স্মার্ট হয়ে উঠবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পুরনো সকল মেইলের তালিকার ভেতর থেকে যা আপনাকে খুঁজে দেবে সেই প্রয়োজনীয় ই-মেইলটি, যেটি আপনি খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত।

আরো পড়ুন
গরমে হার্ট ভালো রাখতে ৫ টিপস

গরমে হার্ট ভালো রাখতে ৫ টিপস

 

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

মন্তব্য

সাবমেরিন ক্যাবলে সব ধরনের ইন্টারনেটের দাম কমছে ১০ শতাংশ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
সাবমেরিন ক্যাবলে সব ধরনের ইন্টারনেটের দাম কমছে ১০ শতাংশ
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিএল) সব ধরনের ইন্টারনেটের দাম ১০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। গতকাল কোম্পানির বোর্ড সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে মোবাইল ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ড উভয় ক্ষেত্রেই ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর খরচ কমবে।

প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়ব জানান, সরকার ইন্টারনেটের দাম কমানোর জন্য কাজ করছে।

জনগণের যেন সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট পায়, সে জন্য বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাইকারি পর্যায়ে দাম কমানো এর মধ্যে অন্যতম। এই সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) পর্যায়ে সব ব্যান্ডউইথের দাম ১০ শতাংশ কমবে।

এ ছাড়া, ব্যাকবোন পর্যায়ে মোবাইল কোম্পানিগুলোকে ডিডাব্লিউডিএম (DWDM) সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

এর ফলে টেলিকম কোম্পানিগুলোর ট্রান্সমিশন খরচ ৩৯ শতাংশ কমবে।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আরো বলেন, 'ইতোমধ্যে টেলিকম অপারেটরদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, অপারেটররা ভোক্তা পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনবেন।'

ফয়েজ আহমদ তৈয়ব জানান, আগামী বছরের মাঝামাঝি তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সিমিউই-৬ এর সঙ্গে যুক্ত হবে বাংলাদেশ।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ