ঢাকা, রবিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, রবিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৬

‘আপনার কি স্যুট নেই’— প্রশ্নের জবাবে যা বললেন জেলেনস্কি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
‘আপনার কি স্যুট নেই’— প্রশ্নের জবাবে যা বললেন জেলেনস্কি
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির নজিরবিহীন বাগবিতণ্ডার ঘটনাটি ঘিরে নানা আলোচনা চলছে বিশ্বজুড়ে। তবে হোয়াইট হাউসে গত শুক্রবারের এই বৈঠকে উপস্থিত হয়েই জেলেনস্কি পোশাক নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন। 

বিবিসি ও নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়, বৈঠকে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হলে কট্টর রক্ষণশীল সংবাদমাধ্যম রিয়েল আমেরিকা’স ভয়েস-এর প্রধান হোয়াইট হাউস প্রতিবেদক ব্রায়ান গ্লেন সরাসরি প্রশ্ন করেন জেলেনস্কির পোশাক নিয়ে। ডানপন্থী এ নেটওয়ার্ক ট্রাম্পের মিত্র হিসেবে পরিচিত।

ব্রায়ান গ্লেন বলেন, আপনি কেন স্যুট পরেন না? আপনি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর অফিসে উপস্থিত হয়েছেন, অথচ যথাযথ পোশাক পরার প্রয়োজন মনে করেননি। আপনার কি স্যুট নেই? অনেক আমেরিকান মনে করেন, আপনি এই অফিসের মর্যাদাকে সম্মান করছেন না।  

জবাবে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে জেলেনস্কি বলেন, এ নিয়ে আপনার কোনো সমস্যা আছে?

উত্তরে ওই সাংবাদিক বলেন, যে ব্যক্তি ওভাল দপ্তরের ড্রেস কোডকে সম্মান করে না তাকে নিয়ে বহু আমেরিকানের সমস্যা আছে।

তখন জেলেনস্কি বলেন, হ্যাঁ, এই যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর আমি স্যুট পরব।

হতে পারে আপনার মতো কিছু পরব। হয়তো বা আরো ভালো কিছু। জানি না, দেখা যাক। অথবা হয়তো আরো কম দামি কিছু পরব।
ধন্যবাদ। এর মধ্যেই এই আলোচনায় ট্রাম্পও যোগ দেন এবং জানান, তিনি জেলেনস্কির পোশাক পছন্দ করেছেন।

জেলেনস্কি মূলত সামরিক ধাঁচের কালো সোয়েটার শার্ট পরেন, যাতে ইউক্রেনের জাতীয় প্রতীক ‘ত্রিশূল’ চিহ্নিত। ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণ মাত্রার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে জেলেনস্কি সরকারি বৈঠক, আন্তর্জাতিক সম্মেলন, এমনকি মার্কিন কংগ্রেসে ভাষণ দেওয়ার সময়ও স্যুট-টাই বাদ দিয়ে এই সামরিক পোশাকই বেছে নিয়েছেন।  

আরো পড়ুন
এনসিপির ২১৭ সদস্যের কমিটিতে ঠাঁই পেলেন যারা

এনসিপির ২১৭ সদস্যের কমিটিতে ঠাঁই পেলেন যারা

 

জেলেনস্কির মতে, এটি ইউক্রেনের যোদ্ধাদের প্রতি সংহতি প্রকাশের একটি প্রতীক।

তবে দীর্ঘদিন ধরেই মার্কিন ডানপন্থী সমালোচকদের মধ্যে এটি বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে। আর শুক্রবারের বৈঠকে সেই বিতর্ক যেন নতুন মাত্রা পেল।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

ফের ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ফের ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু

ক্ষমতা গ্রহণের পর দ্বিতীয়বারের মতো ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন। সোমবার হোয়াইট হাউসে তারা সাক্ষাৎ করবেন বলে শনিবার ইসরায়েলি ও হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই সফরে তারা সম্প্রতি ঘোষিত ব্যাপক শুল্কনীতি নিয়ে আলোচনা করবেন। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।

গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটি নেতানিয়াহুর চতুর্থ ও ট্রাম্পের জানুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণের পর দ্বিতীয় যুক্তরাষ্ট্র সফর। এই সফরে নেতানিয়াহু প্রথম বিদেশি নেতা হিসেবে নতুন শুল্কনীতির ওপর ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করবেন। ট্রাম্পের নীতির আওতায় ইসরায়েলি পণ্যের ওপর ১৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

শনিবার রাতে নেতানিয়াহু নিজেও সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তার কার্যালয় জানায়, দুই নেতা ‘জিম্মিদের মুক্তির জন্য চুক্তিতে পৌঁছানো, ইসরায়েল-তুরস্ক সম্পর্ক, ইরানি হুমকি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)-এর বিষয়’ নিয়েও আলোচনা করবেন।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ব্যক্তিগত ও উষ্ণ সম্পর্ককে মূল্যায়ন করেন এবং তাকে ধন্যবাদ জানান যে তিনি বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের পর প্রথম নেতা হিসেবে নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন; যেমন তিনি হোয়াইট হাউসে যোগদানের পরও প্রথম বিদেশি নেতা হিসেবে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন।

আরো পড়ুন
গাজায় ১৫ চিকিৎসাকর্মীকে হত্যার পর ভুল স্বীকার করল ইসরায়েল

গাজায় ১৫ চিকিৎসাকর্মীকে হত্যার পর ভুল স্বীকার করল ইসরায়েল

 

ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে নেতানিয়াহু সম্ভবত মঙ্গলবার সকালে ওয়াশিংটন থেকে ইসরায়েলে ফিরবেন বলে টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়। 

মন্তব্য

গাজায় ১৫ চিকিৎসাকর্মীকে হত্যার পর ভুল স্বীকার করল ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
গাজায় ১৫ চিকিৎসাকর্মীকে হত্যার পর ভুল স্বীকার করল ইসরায়েল
সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণ গাজায় ১৫ চিকিৎসাকর্মীকে হত্যার ঘটনায় তাদের সৈন্যরা ভুল করেছিল বলে স্বীকার করেছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। গত ২৩ মার্চ প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির অ্যাম্বুল্যান্স, জাতিসংঘের একটি গাড়ি এবং গাজার সিভিল ডিফেন্সের একটি অগ্নিনির্বাপক গাড়ির সমন্বয়ে গঠিত বহর রাফাহর কাছে এই হামলার শিকার হয়েছিল। 

রবিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথমে ইসরায়েল দাবি করেছিল যে সৈন্যরা গুলি চালায়, কারণ ওই গাড়ির বহরটি ‘সন্দেহজনকভাবে’ অন্ধকারে হেডলাইট না জ্বালিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল। এ ছাড়া ওই যানবাহনগুলোর চলাচলের বিষয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আগে থেকে সমন্বয় করা হয়নি বা কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি।

কিন্তু নিহত এক প্যারামেডিকের মোবাইল ফোনে ধারণ করা ফুটেজে দেখা যায়, গাড়িগুলোর লাইট জ্বালানো ছিল এবং তারা আহত মানুষকে সাহায্য করতে সাড়া দিয়েছিল।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে যে নিহত চিকিৎসাকর্মীর অন্তত ছয়জন হামাসের সঙ্গে যুক্ত ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা এর সপক্ষে কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি। তবে ইসরায়েলি বাহিনী স্বীকার করেছে, গুলি চালানোর সময় তারা নিরস্ত্র ছিল।

নিউ ইয়র্ক টাইমস শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, ভোরের আগে রাস্তায় গাড়িগুলো দাঁড়ানো মাত্র গুলি চালানো শুরু হয়।

ভিডিওটি পাঁচ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে চলে, যেখানে চিকিৎসাকর্মী রিফাত রাদওয়ানকে তার শেষ প্রার্থনা পড়তে শোনা যায়, এরপর ইসরায়েলি সৈন্যদের কণ্ঠ শোনা যায়, যারা গাড়িগুলোর দিকে এগিয়ে আসে।

শনিবার সন্ধ্যায় এক আইডিএফ কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, এর আগে সৈন্যরা তিনজন হামাস সদস্য থাকা একটি গাড়িতে গুলি চালায়। 

যখন অ্যাম্বুল্যান্সগুলো সাড়া দিয়ে ঘটনাস্থলের দিকে এগোয়, তখন আকাশ থেকে নজরদারি চালানো পর্যবেক্ষকরা মাটিতে থাকা সৈন্যদের জানান যে কনভয়টি ‘সন্দেহজনকভাবে অগ্রসর হচ্ছে’।

ভিডিওটি পাঁচ মিনিটের বেশি সময় ধরে চলে, যেখানে প্যারামেডিক রেফাত রাদওয়ানকে শেষ প্রার্থনা করতে শোনা যায়, এরপর ইসরায়েলি সৈন্যদের কণ্ঠস্বর শোনা যায়, যারা গাড়িগুলোর দিকে এগিয়ে আসছিল।

শনিবার সন্ধ্যায় এক আইডিএফ কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, সৈন্যরা এর আগে এক গাড়িতে থাকা তিনজন হামাস সদস্যকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। পরে অ্যাম্বুল্যান্সের বহরটি ঘটনাস্থলে পৌঁছলে আকাশপথ থেকে নজরদারি চালানো পর্যবেক্ষকরা সৈন্যদের সতর্ক করেন যে ‘সন্দেহজনকভাবে’ কিছু গাড়ি এগিয়ে আসছে। যখন অ্যাম্বুল্যান্সগুলো হামাস সদস্যদের গাড়ির পাশে দাঁড়ায়, সৈন্যরা মনে করে তাদের ওপর হামলা হতে পারে এবং গুলি চালায়। যদিও জরুরি সহায়তাকারীদের হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না।

ইসরায়েল স্বীকার করেছে, তারা আগে যে বলেছিল গাড়িগুলোতে লাইট ছিল না সেটি ভুল ছিল এবং এ জন্য ঘটনায় জড়িত সৈন্যদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বলা হয়েছে জানিয়ে তাদের দায়ী করা হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়িগুলো স্পষ্টভাবে চিহ্নিত ছিল এবং চিকিৎসাকর্মীরা দূর থেকে দৃশ্যমান ক্ষমতাসম্পন্ন পোশাক পরে ছিলেন।

আইডিএফ কর্মকর্তা বলেন, ১৫ জন নিহত কর্মীর মৃতদেহ বন্য প্রাণীদের হাত থেকে রক্ষা করতে সৈন্যরা বালুর নিচে পুঁতে রাখে। পরদিন রাস্তা পরিষ্কার করার জন্য গাড়িগুলো সরিয়ে কবর দেওয়া হয়।

ঘটনার এক সপ্তাহ পরও জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা করতে না পারায় এবং ঘটনাস্থলের অবস্থান নির্ধারণে ব্যর্থ হওয়ায় মরদেহগুলো উদ্ধার করা যায়নি। পরে একটি ত্রাণদল মরদেহগুলো খুঁজে পেলে রেফাত রাদওয়ানের মোবাইল ফোনও তারা পায়, যাতে ওই হামলার ভিডিও ছিল।

নিহতদের কারো হাত বাঁধা ছিল বা তাদের কাছ থেকে খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল বলে কিছু প্রতিবেদনে বলা হলেও তা অস্বীকার করেছেন ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তা।

আইডিএফ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, তারা এ ঘটনার একটি ‘বিশদ তদন্ত’ চালাবে, যাতে ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিস্থিতি মোকাবেলার পদ্ধতি বোঝা যায়। রেড ক্রিসেন্টসহ অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা এ ঘটনায় একটি স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

আরো পড়ুন
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচারের অভিযোগ

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচারের অভিযোগ

 

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় গাজায় ৫০ হাজার ৬০০-র বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

মন্তব্য

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচারের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচারের অভিযোগ

যুক্তরাজ্যের সাবেক সিটি মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক ৬ লাখ পাউন্ড মূল্যের বাংলাদেশি ফ্ল্যাটের মালিকানা নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল শনিবার (৫ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশে নিজের নামে থাকা ফ্ল্যাট তিনি তার বোনের বলে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ভুল তথ্য দিয়েছিলেন। 

কারণ ডেইলি মেইল গত সপ্তাহে ঢাকা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অনুসন্ধান চালিয়ে জানতে পেরেছে যে তার প্রকৃত মালিক এখনো টিউলিপ। তবে ৪২ বছর বয়সী সিদ্দিক যেকোনো ধরনের অন্যায়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

 

তিনি ডেইলি মেইলকে জানিয়েছেন, ২০০২ সালে ফ্ল্যাটটি তার বাবা-মা তাকে উপহার দেন এবং ২০১৫ সালের মে মাসে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তা ‘আইনগত ও বৈধভাবে’ তার বোন আজমিনার (৩৪) নামে হস্তান্তর করেন।

তবে দুর্নীতিবিরোধী কমিশনের (দুদক) অনুরোধে ছয় লাখ পাউন্ড সমমূল্যের ফ্ল্যাটটি বাংলাদেশ সরকার জব্দ করেছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে তদন্তও চলছে।

যুক্তরাজ্যের ওয়েস্ট মিনস্টার রেজিস্টারে এমপিদের সম্পর্কে যে তথ্য আছে সে অনুযায়ী, ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত এই সম্পদটি পরিবারের সদস্যের সঙ্গে টিউলিপের যৌথ মালিকানাধীন ছিল।

পরের মাসে তিনি এটি হস্তান্তর করে দেন। তবে ডেইলি মেইল গত সপ্তাহে ঢাকা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অনুসন্ধান করে জানতে পেরেছে, টিউলিপ সিদ্দিক এখনো ফ্ল্যাটটির মালিক। যেমনটা বাংলাদেশের দুদক দাবি করছে। এখন বাংলাদেশের আদালত সিদ্ধান্ত নেবে ফ্ল্যাটটির মালিক কে।

গত মাসে দুর্নীতি দমন কমিশন জানায় যে ২০১৫ সালে ফ্ল্যাটটি আজমিনার নামে হস্তান্তর করার জন্য টিউলিপ ‘হেবা’ নামক একটি ইসলামিক দলিল ব্যবহার করেন, যা একজন ব্যক্তি ভালোবাসা বা স্নেহের কারণে নিজের সম্পদ অন্যকে হস্তান্তর করতে ব্যবহার করে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশি আইনে ফ্ল্যাট হস্তান্তর তখনই বৈধ হিসেবে গণ্য হয় যখন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে মালিকানা পরিবর্তনের নথিভুক্তি সম্পন্ন হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশন দাবি করেছে, হেবা দলিলটি ছিল ‘জাল’, কারণ যে ব্যারিস্টার এটি সত্যায়িত করেছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে, তিনি এতে নিজের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেছেন, তার স্বাক্ষর নকল করা হয়েছে।

তবে টিউলিপের আইনজীবীরা বলছেন, হেবা যথাযথভাবে সম্পাদিত হয়েছে এবং ফ্ল্যাটটি ‘একজন পরিবারের সদস্যের সঙ্গে যৌথ মালিকানায়’ ছিল, কারণ এর সমস্ত ভাড়ার অর্থ তার বোন আজমিনা পেতেন।

আরো পড়ুন
প্রেস সচিবের বক্তব্যকে ‘ক্ষতিকর’ বলছে ভারতীয় মিডিয়া

প্রেসসচিবের বক্তব্যকে ‘ক্ষতিকর’ বলছে ভারতীয় মিডিয়া

 

গত শুক্রবার রাতে টিউলিপের আইনজীবী পল থোয়েট বলেন, একজন বাংলাদেশি আইন বিশেষজ্ঞ তাকে জানিয়েছেন যে হেবা দলিলটি মালিকানা হস্তান্তরের জন্য যথেষ্ট।

তিনি বলেন, সংসদে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগটি ‘অযৌক্তিক’।

মন্তব্য

ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ হয়েছে। শনিবার জার্মানির বার্লিন ও ফ্রাঙ্কফুর্ট, ফ্রান্সের প্যারিস এবং যুক্তরাজ্যের লন্ডনে একত্র হন বিক্ষোভকারীরা। খবর এএফপি ও দ্য গার্ডিয়ানের।

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যাপক হারে কর্মী ছাঁটাই এবং প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার যথেচ্ছ ব্যবহারের অভিযোগসহ বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ বিক্ষোভ হয়।

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে এক দিনে এটিই সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার ওয়াশিংটনের মেঘাচ্ছন্ন আকাশ এবং হালকা বৃষ্টির মধ্যেও হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলে ট্রাম্পবিরোধী প্রতিবাদে অংশ নেয় বেশ কিছু সংগঠন। ওয়াশিংটন ছাড়াও নিউ ইয়র্কে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেন অসংখ্য মানুষ।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, শুল্কনীতির আড়ালে ট্রাম্প প্রশাসন তাদের কর্তৃত্ববাদী রূপের বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছে। প্রতিবাদকারীদের মধ্যে ছিলেন বিজ্ঞানী, শিল্পী, শিক্ষক, এমনকি সাধারণ গৃহিণীও। তাদের মতে, এই শুল্কনীতি শুধু আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নয়, খাদ্য, প্রযুক্তি ও জ্বালানির দামকেও প্রভাবিত করছে।

শনিবারের এই বিক্ষোভের নাম দেওয়া হয়েছে ‘হ্যান্ডস অফ’।

এর একটি অর্থ হতে পারে,‘আমাদের নিজের মতো চলতে দাও’। এসব বিক্ষোভে ১৫০টির মতো গোষ্ঠী অংশ নিয়েছে।

আরো পড়ুন
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

 

ট্রাম্পবিরোধী এ বিক্ষোভের জোয়ার যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্য ছাড়াও কানাডা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, মেক্সিকো ও পর্তুগালেও ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ব্যানার হাতে জড়ো হয়েছেন প্রায় ২০০ প্রতিবাদকারী, যাদের অধিকাংশই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি, যা বিশ্ববাণিজ্যের ওপর একতরফা হস্তক্ষেপ বলে মনে করছেন তারা।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ