বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনে কর্মরত ৯৮ জন শিক্ষক চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে তিন মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস পাননি। এর ফলে এসব পরিবারের সদস্যদের ঈদ আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে। তাঁদের চোখেমুখে দেখা দিয়েছে হতাশার ছাপ।
ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগৈলঝাড়ায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত মসজিদভিত্তিক সহজ কোরআন শিক্ষার (মক্তব) ৪৬টি কেন্দ্র রয়েছে।
অন্যদিকে শিশুদের জন্য প্রাক-প্রাথমিকের ৩৮টি কেন্দ্র রয়েছে। এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন উপজেলা অফিসে একজন সুপারভাইজার, একজন মডেল কেয়ারটেকার ও তিনজন সাধারণ কেয়ারটেকার রয়েছেন। তাঁদের কারোরই জানুয়ারি থেকে তিন মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস হয়নি।
উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী ফকিরবাড়ি জামে মসজিদে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের (সহজ কোরআন শিক্ষা) শিক্ষক মো. আবুল হাসান বখতিয়ার বলেন, ‘সারা বছর শিশুদের পাঠদান করাই।
অপেক্ষায় থাকি বেতন-বোনাসের টাকা দিয়ে পরিবারের জন্য কেনাকাটা করে আনন্দে ঈদ করব, কিন্তু এখনো বেতন-বোনাস হয়নি। পরিবার নিয়ে কিভাবে ঈদ উদযাপন করব, তা ভেবে পাচ্ছি না।’
উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সুপারভাইজার মোহাম্মদ নুরনবী বলেন, ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠানটি সরকারি করা হোক। আমাদের বেতন-বোনাস যেন নিয়মিত পেয়ে পরিবার নিয়ে ভালো থাকতে পারি।
’
এ ব্যাপারে বরিশাল জেলার ১০ উপজেলার দায়িত্বে থাকা ফিল্ড অফিসার মোহাম্মদ ফোরকান হোসেন বলেন, ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এই প্রকল্পের সবার ঈদের আগে বেতন-বোনাস পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। কমপক্ষে আরো দুই মাস পরে বেতন-বোনাস পেতে পারেন।’