তৃণমূল বিএনপিতে অর্ধশত নেতার যোগদান, ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
তৃণমূল বিএনপিতে অর্ধশত নেতার যোগদান, ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সারা দেশ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী তৃণমূল বিএনপিতে যোগদান করেছেন। আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাব অডিটরিয়ামে তৃণমূল বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনাসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিতে যোগদান করা নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও আইনজীবীও।

যোগদান অনুষ্ঠান শেষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মুবিন চৌধুরী। আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, তৃণমূল বিএনপির প্রতিটি সদস্য দলের নেতা।

আমরা সব নেতাকর্মীর মতামত শুনব, নির্বাচনের প্রস্তুতি নেব। আশা করি, আগামী নির্বাচনে আমরা ৩০০টি আসনেই প্রার্থী দেব। প্রতিটি আসনে একজন করে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। বিজয়ী হয়ে তারা সংসদে তৃণমূলের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

তিনি আরো বলেন, ১৯ সেপ্টেম্বর আমাদের জাতীয় কাউন্সিল হয়, আজ ৮ নভেম্বর অসংখ্য নেতাকর্মী তৃণমূল বিএনপিতে যোগদান করেছেন। এটি প্রমাণ করে, বাংলার মানুষ একটি নতুন ধরনের রাজনীতি দেখতে চায়। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সর্বস্বান্ত হয়ে আজ শ্রমিকরা রাস্তায় বিক্ষোভ করছেন। সামনে নির্বাচন আসছে, আমরা আশা করি নির্বাচন কমিশন তার ক্ষমতা যথাযথ প্রয়োগ করে একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করবে।

জনগণ ভোট দেবে। আমরা হত্যার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না, সেটি লগি-বইঠা দিয়ে হত্যা হোক কিংবা পেট্রলবোমা দিয়ে হত্যা হোক।

তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, 'আপনাদের আশ্বস্ত করে বলতে চাই, তৃণমূল বিএনপি হবে বাংলাদেশের তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল বিএনপি কোনো প্রাইভেট লিমিটেড কম্পানি হবে না। এটা হবে জনগণের দল, জনবান্ধন দল।

'

বিএনপির সাবেক এই নেতা বলেন, 'বিএনপির অনেক নেতার নামে গাড়ি পোড়ানোর মামলা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ অনেক নেতার নামে ঢালাওভাবে মামলা দিচ্ছে। আমরা আমাদের সরকারপ্রধানসহ সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু যারা দল (বিএনপি) করছে, তাদের বিরুদ্ধে যেন ব্যবস্থা না নেওয়া হয়।'

তৃণমূল বিএনপির কো-চেয়ারপারসন কে এ জাহাঙ্গীর মাজমাদারের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের নির্বাহী চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট অন্তরা সেলিমা হুদা, সিনিয়র ভাইস চেয়ারপারসন মেজর (অব.) ডা. শেখ হাবিবুর রহমান, ভাইস চেয়ারপারসন ও মিডিয়া উইং চিফ সালাম মাহমুদ। সঞ্চালনা করেন তৃণমূল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মো. আনাস আলী খান।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

জনগণ আমাদের রাজনীতির সবচেয়ে বড় পুঁজি : তারেক রহমান

বাসস
বাসস
শেয়ার
জনগণ আমাদের রাজনীতির সবচেয়ে বড় পুঁজি : তারেক রহমান
সংগৃহীত ছবি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য রাজনীতিবিদদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘একটি পরিবর্তনের জন্য জনগণ রাজনৈতিক দলগুলোকে সমর্থন দিয়েছে বলেই স্বৈরাচার মাফিয়া বিদায় নিতে বাধ্য হয়েছে। এখন জনগণের ইস্যুগুলো নিয়ে আমাদের কথা বলা উচিত। এটাই রাজনীতি।

আসুন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সকলে মিলে কাজ করি।’

তারেক রহমান আজ রবিবার রাজধানীর পুরনো পল্টনে ফারস হোটেলে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে লন্ডন থেকে ‘ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে’ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। 
 
তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ যখন প্রচণ্ড সংকটের মধ্যে ছিলো তখন গণতন্ত্রের পক্ষের সকল দলগুলো পলাতক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে একসঙ্গে রাজপথে ছিলাম। সেই সকল গণতন্ত্রমনা দলগুলো একসঙ্গে মিলে ২ বছর আগে জাতির সামনে ৩১ দফা উপস্থাপন করেছিলাম।

কারণ, আমরা দেখেছিলাম পলাতক স্বৈরাচার কিভাবে দেশের প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছিল। সবচেয়ে প্রথমেই যেটা ধ্বংস করেছিল সেটা হলো দেশের নির্বাচনব্যবস্থা।’ 

পলাতক স্বৈরাচার শেখ হাসিনা দেশের সকল সেক্টরকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাষ্ট্রের যেসব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল; সেগুলো ফের মেরামত করতে হবে। কারণ, আমাদের রাজনীতির সবচেয়ে বড় পুঁজি হচ্ছে দেশের জনগণ।

রাষ্ট্রের এই কাঠামোগুলো যদি আমরা মেরামত করতে না পারি দেশটাকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে পারব না। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী গড়ে তুলতে সক্ষম হবো না।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের চারপাশে সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হচ্ছে। সকলকে সম্মান রেখেই বলতে চাই; অনেকেই সংস্কার নিয়ে অনেক কিছুই বলছেন। বাংলাদেশের সবকিছুতে যে সংস্কার প্রয়োজন সেটি সবচেয়ে আগে আমাদের দল বিএনপি বলেছে।

তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল লাখ-লাখ মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে। এরপর বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্রকে ব্যাহত করেছে অনেকেই। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার যে অভ্যুত্থান, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জনমনের সমর্থন ছিল বলেই মাফিয়া স্বৈরাচারকে এ দেশ থেকে বিতাড়িত করা সম্ভব হয়েছে। এই যে জনগণ রাজপথে বেরিয়ে এসেছে, রাজনৈতিক দলগুলোর পাশে এসে দাড়িঁয়েছে, সবাই মনে করেছে একটা পরিবর্তন জরুরি, এটাই নতুন দেশ গঠনের স্বপ্নকে তরান্বিত করে।’

সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে আলোচনা হচ্ছে এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা সংস্কার নিয়ে কথা বলছি। উচ্চকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট, ক্ষমতার ভারসাম্য, একজন ব্যক্তি কতোবার প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন এসব বিষয় নিয়ে কথা বলছি। সংস্কারের যে বিষয়গুলো নিয়ে মিডিয়া গরম সেই বিষয়গুলো পরিবর্তন বা পারিমার্জন হলে হয়তো রাজনৈতিক দলগুলো উপকৃত হবে। কিন্তু দিন শেষে যারা আমাদের রাজনীতির সবচেয়ে বড় পুঁজি সেই জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলো নিয়ে আমাদের কি কথা বলা উচিৎ না? অবশ্যই উচিৎ। কারণ, তারাই (জনগণ) আমাদের রাজনীতির সবচেয়ে বড় পুঁজি।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘নিশ্চয়ই বাংলাদেশের জনগণ জানতে চায়, হাসপাতালের ইমাজেন্সিতে পৌঁছানোর জন্য অসুস্থ্য আপনজনকে নিয়ে কতোক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে এ্যাম্বুলেন্সের জন্য। সেই এ্যাস্বুলেন্সটি কতো দ্রুত এসে ওই অসুস্থ মানুষটিকে হাসপাতালে পৌঁছে দেবে সেটাই নিশ্চিত করা রাজনীতিবিদদের দায়িত্ব। দেশের জনগণ এটাই প্রত্যাশা করে। তাই আসুন আমরা সংস্কারের পাশাপাশি জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা শুরু করি।’

মন্তব্য

আ. লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে রাজধানীতে মশাল মিছিল

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
আ. লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে রাজধানীতে মশাল মিছিল
ছবি ভিডিও থেকে নেওয়া।

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে রাজধানীতে মশাল মিছিল করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি।

রবিবার রাতে মোহাম্মদপুরে এ মিছিল করে দলটির নেতাকর্মীরা। এসময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা।

আরো পড়ুন
সেনাপ্রধানের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন না : জিল্লুর রহমান

সেনাপ্রধানের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন না : জিল্লুর রহমান

 

মিছিলের পর সমাবেশে বক্তব্য দেন দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব আকরাম হোসেন।

তিনি বলেন, আ. লীগ পালিয়েছে তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো আলাপ নেই। যারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে চায় আগামীদিনে তাদের সঙ্গে আমাদের লড়াই হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগে ভালো বলে কিছুই নেই। কাজেই জুলাই গণহত্যাসহ গত ১৫ বছরে করা আওয়ামী লীগের সকল অপরাধের বিচার করতে হবে।

দলটিকে নিষিদ্ধ করতে হবে। আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন কিংবা এ সংক্রান্ত আলোচনা ছাত্র-জনতা মানবে না।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

‘অপরাধে জড়িত বিএনপি নেতাকর্মীদের তালিকা হচ্ছে’

বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
শেয়ার
‘অপরাধে জড়িত বিএনপি নেতাকর্মীদের তালিকা হচ্ছে’
ছবি : কালের কণ্ঠ

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব হাজী জসিম উদ্দিন বলেছেন, ‘বিএনপির নেতাকর্মীরা কেউ যদি চাঁদাবাজি বা অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে তাদের নামের তালিকা হচ্ছে এবং কেন্দ্রে পাঠানো হবে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রের সিনিয়র নেতাকর্মীরা বিভাগীয় সাংগঠনিক সভায় নির্দেশনায় দিয়ে গেছেন।’

রবিবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যায় কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে বাকশীমূল কেন্দ্রীয় ঈদগাহে এতিম শিশুদের সাথে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন। 

আরো পড়ুন
‘বিএনপির বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে’

‘বিএনপির বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে’

 

হাজী জসিম উদ্দিন বলেন, তারা (কেন্দ্রীয় নেতারা) বলে গেছেন বিএনপির কেউ যদি চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, লুটপাট, মাদক, মাটিকাটাসহ অন্যান্য অপরাধের সাথে জড়িত থাকলে তাহলে তাদের নামের তালিকা করে কেন্দ্রে পাঠাতে হবে।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারাম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যের কোনো বিকল্প নাই, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দলের জন্য কাজ করতে হবে।’

এতে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন। সভাপতিত্ব করেন বাকশীমূল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল ইসলাম ও বুড়িচং উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রহিম খান লিটন।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

দেশ-বিদেশের যারা নির্বোধ তারা আমার কথা বুঝবে না : মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
দেশ-বিদেশের যারা নির্বোধ তারা আমার কথা বুঝবে না : মির্জা আব্বাস
ফাইল ছবি

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘দেশে কিংবা বিদেশে যারা নির্বোধ আছে, তারা আমার কথা বুঝবে না। আমি বলেছি, এই সরকার যে সংস্কার লিখে দেবে, আমরা সেগুলো কারেকশন করবো। রাজনৈতিক দলগুলো মিলে ঐকমত্যে আসব, তারপরেই আমরা সেটাকে মানবো। এটাকে বিকৃত করে ওরা লিখেছে আমি নাকি কিছুই মানি না।

রবিবার বিকালে পুরানা পল্টনের তোপখানা রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে প্রয়াত ফটো সাংবাদিকদের স্মরণ, দোয়া ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।  

আরো পড়ুন
৯ এপ্রিল থেকে দেশে স্টারলিংক ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু

৯ এপ্রিল থেকে দেশে স্টারলিংক ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমি রাজনীতি করি বলে সত্য কথা স্বাধীনভাবে বলতে পারবো না? এটা হতে পারে না। আপনারা যারা আজ স্বাধীনভাবে কথা বলেন, তা আমরা অর্জন করে দিয়েছি। জেলে থেকে পঁচে-পঁচে, নিজের পরিবারকে ধ্বংস করে দিয়ে, সেই অধিকারটা অর্জন করে দিয়েছি।

দীর্ঘ সময় আমরা লড়াই সংগ্রাম করেছি, কারাগারে কাটিয়েছি, একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছি। আজ এই সময়ে এসে যারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে যেতে নানা বাহানা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভালো নয়। দেশবাসীকে তাদের প্রতি সজাগ থাকতে হবে।’

সত্য প্রকাশ করাই সাংবাদিকদের কাজ মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ভয়ভীতি উপেক্ষা করে সত্য এবং ন্যায়ের পক্ষে উচ্চ কণ্ঠে কথা বলাই প্রকৃত সাংবাদিকতা।

দেশে থেকে কারা ষড়যন্ত্র করে এবং দেশের বাইরে থেকেও কারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, দেশকে কারা পেছনে নিয়ে যেতে চায়; সেসব কুশীলবদের নাম গণমাধ্যমে তুলে ধরুন, জাতিকে জানান।’

অনুষ্ঠানে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদারের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশের শুরা সদস্য মো. দেলোয়ার হোসাইন। আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন, অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এ বি এম রফিকুর রহমান প্রমুখ।
 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ