মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি, খুলনায় বিক্ষোভ

খুলনা অফিস
খুলনা অফিস
শেয়ার
মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি, খুলনায় বিক্ষোভ
সংগৃহীত ছবি

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও ফ্যাসিস্ট সরকারের র‌্যাব কর্মকর্তা আলেপ উদ্দিন কর্তৃক বন্দীর স্ত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে খুলনায় বিক্ষোভ হয়েছে।

শুক্রবার (২১ শে ফেব্রুয়ারি) বাদ জুমা নগরীর শিববাড়ি মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করে তৌহিদী জনতা।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, মহান আল্লাহ এবং আমাদের প্রাণপ্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটুক্তিকারী রাখাল রাহা ও সোহেল হাসান গালিবদের ঠাই এই বাংলায় হবে না। বক্তারা বর্তমান  সরকারের কাছে রাখাল রাহা এবং র‌্যাব কর্মকর্তা আলেপের মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানান।

বক্তারা বলেন, একটি মুসলিম রাষ্ট্রে কীভাবে রাখাল রাহা এবং হাসাল গালিব মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটুক্তি করে? অবিলম্বে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি এবং র‌্যাব কর্মকর্তা আলেপকে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

দাফনের আড়াই মাস পর বাড়ি ফিরলো কিশোর!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
দাফনের আড়াই মাস পর বাড়ি ফিরলো কিশোর!
সংগৃহীত ছবি

তিন মাস আগে কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি থেকে চলে যায় তোফাজ্জল হোসেন তুফান (১৫) নামের এক কিশোর। পরে একটি ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা গেছেন মনে করে অজ্ঞাতনামা লাশকে নিজেদের ছেলে মনে করে দাফন করে তুফানের পরিবার। 

মরদেহ দাফনের তিন মাস পর শুক্রবার (২৮ মার্চ) সকালে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদি ইউনিয়নের বৈদ্যনাথপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে ফিরে আসে তুফান। তাকে দেখতে বাড়িতে ভিড় করছেন গ্রামবাসী।

আরো পড়ুন
বরিশালে ছাত্রদল নেতাসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বরিশালে ছাত্রদল নেতাসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

 

তুফানের বাবা আবু সাঈদ জানান, প্রায় তিন মাস আগে তুফান বাড়ির কাউকে কিছু না বলে অজানা উদ্দেশে চলে যায়। আড়াই মাস আগে সংবাদ পান গাইবান্ধায় এক কিশোর সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে। ওই কিশোরের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তুফানের বাবাসহ গ্রামের কয়েকজন মিলে গাইবান্ধায় যান। মরদেহের সঙ্গে সবাই তুফানের চেহারার মিল পান।

সেখানে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ আলমডাঙ্গায় গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। বৈদ্যনাথপুর গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়।

সাঈদ আরো জানান, তুফানের মা সে সময় দাবি করেছিলেন মরদেহটি তার সন্তানের নয়। চেহারায় মিল থাকলেও সেটি তুফানের মরদেহ নয়।

তুফানের কোমরে কালো রঙের একটি দাগ ছিল। কিন্তু মরদেহের কোমরে সেই দাগ না থাকায় তার মা সন্তানের নয় বলে জানিয়েছিলেন।

তুফান জানায়, পরিবারের কাউকে না জানিয়ে সে একাই কাজের সন্ধানে ঢাকার শ্যামলী এলাকায় চলে যায়। সেখানেই দিনমজুরের কাজ করতে থাকে। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়িতে ফিরে আসে সে।

এরপর জানতে পারে তার মত চেহারার একজনকে পরিবারের লোকজন মৃত ভেবে দাফন করেন।

এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমিও শুনেছি। ছেলেটি জীবিত অবস্থায় বাড়িতে ফিরে এসেছে আজ সকালে। 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

নানা বাড়ি যাওয়ার কথা মীমের, ৭ ঘণ্টার পরেই লাশ মিলল হাসপাতালে

দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
শেয়ার
নানা বাড়ি যাওয়ার কথা মীমের, ৭ ঘণ্টার পরেই লাশ মিলল হাসপাতালে
সংগৃহীত ছবি

নানার বাড়িতে বেড়ানোর কথা বলে বাসা থেকে বের হওয়ার ৭ ঘণ্টার পর স্কুলছাত্রীর লাশ মিলেছে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজে। কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের গঙ্গানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত স্কুল ছাত্রী জান্নাতুল মীম (১৪) জাফরগঞ্জ গঙ্গানগর এলাকায় বসবাসকারী ডিস লাইন কর্মচারী সবুজ মিয়ার বড় মেয়ে। সে জাফরগঞ্জ মাজেদা আহসান মুন্সী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

তার বাবা সবুজ মিয়া জাফরগঞ্জ গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেনের ভাই হেলালের ডিস ও ওয়াইফাই লাইনের কর্মচারী।

আরো পড়ুন
ঋণের কারণে স্বামীকে হারানো তাসলিমার ঘরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ উপহার

ঋণের কারণে স্বামীকে হারানো তাসলিমার ঘরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ উপহার

 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে মীমকে পাশের ছয়গুরা গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে শাহেদ (১৬) নামে এক কিশোর প্রেমের প্রস্তাব দেয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গভীর হয়ে উঠে। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সকাল ১০ টায় জান্নাতুল মীম গঙ্গানগর গ্রামে নানার বাড়িতে বেড়াতে আসার কথা বলে প্রেমিকের সাথে দেখা করতে ছয়গুরা গ্রামে শাহেদের বাড়িতে চলে আসে।

শাহেদকে বিয়ে করতে চাপ প্রয়োগ করে। শাহেদ এতে রাজি না হওয়ায় মীম আত্মহত্যার হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে মীম তার সাথে রাখা ঘুমের ৩০টি সেবন করে ফেলে। মীম অসুস্থ হয়ে পড়লে শাহেদ তার বন্ধুদের সহযোগীতায় কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল পৌনে ৫টায় মারা যায়।

আরো পড়ুন
আজ থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৯ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

আজ থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৯ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

 

মীমের বাবা সবুজ মিয়া জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় তার নানার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। দুপুরে তার শাহেদের নেতৃত্বে কিশোরগ্যাংই তার মেয়েকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করে মুখে বিষ ঢেলে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করছে।

এ ব্যপারে দেবীদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামসুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, মেয়েটি প্রেমের টানে তার প্রেমিকের বাড়িতে যেয়ে বিয়ের চাপ দিচ্ছিল, রাজি না হওয়ায় সে বিষপানে আত্মহত্যা করে। বয়সে দুইজনই কিশোর-কিশোরী।

পরে কুমেক হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যায়। নিহতের বাবার দাবি তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মুখে বিষ ঠেলে দিয়েছে।

আরো পড়ুন
বরিশালে ছাত্রদল নেতাসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বরিশালে ছাত্রদল নেতাসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

 

তিনি আরো বলেন, কোতয়ালী থানা পুলিশ তার সুরতহাল রিপোর্টে আঘাতের কোন চিহ্ন পায়নি। লাশ ময়নাতদন্তেনর জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। রিপোর্ট আসার পরই সঠিকটা বলা যাবে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

আজ থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৯ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

হিলি সংবাদদাতা
হিলি সংবাদদাতা
শেয়ার
আজ থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৯ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
সংগৃহীত ছবি

সাপ্তাহিক ছুটিসহ পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির কারণে আজ শুক্রবার থেকে টানা ৯ দিন বন্ধ থাকবে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য। তবে স্বাভাবিক থাকবে দু’দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী মানুষের পারাপার। শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন হিলি বন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক। 

তিনি জানান, আজ ২৮ মার্চ ( শুক্রবার) থেকে সাপ্তাহিক ছুটিসহ পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির কারণে আগামী ৫ এপ্রিল ( শনিবার) পর্যন্ত হিলি বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

৬ এপ্রিল ( রোববার) থেকে যথারীতি শুরু হবে আমদানি-রপ্তানি। 

হিলি ইমিগ্রেশন ওসি আরিফুল ইসলাম জানান, হিলি বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও দু’দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে। 

মন্তব্য

হিমাগার না থাকায় নষ্ট হচ্ছে কষ্টের ফসল

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
শেয়ার
হিমাগার না থাকায় নষ্ট হচ্ছে কষ্টের ফসল
ছবি: কালের কণ্ঠ

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে শাক-সবজি সংরক্ষণে কোনো হিমাগার নেই। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা। কষ্ট করে উৎপাদন করা সবজি তোলার সঙ্গে সঙ্গে নামমাত্র দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। না হলে ফসল পচে নষ্ট হচ্ছে।

 

বর্তমানে টমেটো বাজারজাতকরণের শেষ সময় চলছে। বাজারে পাইকারি মূল্য প্রকার ভেদে প্রতিকেজি ৫-৭ টাকা। খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৯-১০ টাকায়। মজুরি ও পরিবহন খরচ না উঠায় চাষিরা খেত থেকে টমেটো তুলতে চাইছেন না।

ফলে খেতেই টমেটো নষ্ট হচ্ছে। কিন্তু মাসখানেক পরই সেই টমেটো ৫০-৬০ টাকা কেজি দামে বিক্রি হবে।

আরো পড়ুন
যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর সূত্র জানায়, উপজেলার পৌর এলাকাসহ সাতটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় শীতকালীন শাক-সবজি এক হাজার ৭৫০ হেক্টর এবং গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজি ৮৪০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০৮ হেক্টর জমিতে টমেটো, ১১০ হেক্টরে মরিচ, ৩৮ হেক্টরে শসা এবং ২০ হেক্টর জমিতে খিরা চাষাবাদ হয়েছে।

তবে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে কেউ কেউ বারো মাসও টমেটো চাষাবাদ করছেন।

দৌলতপুর ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রামের সবজি চাষি পরীক্ষিত চন্দ্র রায় ও মনোরঞ্জন রায় বলেন, স্থানীয় বেপারীরা ফুলবাড়ীর পাইকারি সবজি বাজার থেকে স্বল্প দামে কৃষকের শস্য কিনে ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন। এতে স্থানীয় কৃষকরা লাভবান না হলেও লাভবান হচ্ছে ওইসব সবজি বেপারীরা। কৃষকের ভাগ্যের উন্নয়নে স্থানীয়ভাবে এখানে শুধু শাক-সবজি সংরক্ষণের জন্য একটি হিমাগার স্থাপন করা হলে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত শাক-সবজি সংরক্ষণ করে লাভবান হতেন।

উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের বুজরুক সমশেরনগর গ্রামের শাক-সবজি চাষি রুবেল বাবু ও জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বর্তমানে ফসলের মাঠে কৃষকের অনেক টমেটো রয়ে গেছে।

বাজারে দাম কমে গেছে। ক্ষেত থেকে টমেটো তোলার মজুরি ও পরিবহন ব্যয় না উঠার কারণে মাঠেই কষ্টের ফসল পচে নষ্ট হচ্ছে। 

আরো পড়ুন
ডিসিদের প্রতি ১২ নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার

ডিসিদের প্রতি ১২ নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার

ফুলবাড়ী সবজি বাজারের আড়তদার অজয় দত্ত ও মিহির দত্ত বলেন, এক মাস ধরে আড়তে টমেটো বিক্রি হচ্ছে প্রকার ভেদে কেজি ৭-৮ টাকায়। গত সপ্তাহ থেকে বিক্রি হচ্ছে ৫-৭ টাকায়। বাজারে টমেটোর দাম এতটাই কমে গেছে যার কারণে কৃষকরা ক্ষেতের টমেটো তুলতে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছেন। তবে যারা আগাম টমেটো চাষ করেছিলেন তারা লাভবান হয়েছেন।

উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের আব্দুল বাতেন ও মোস্তাফিজার রহমান বলেন, আগে বিভিন্ন এলাকার পাইকাররা টমেটো নিতে খেতে এলেও এখন কোনো পাইকার আসছেন না। আগের মতো টমেটোর চাহিদা এখনও নেই। টমেটো উত্তোলন, গাড়িভাড়া দিয়ে বাজারে নিয়ে ৫-৬ টাকা কেজি বিক্রি করতে হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, বিক্রির চেয়ে খরচ বেশি। তাই আর খেতে থাকা টমেটো তুলছে না, এতে ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে গাছের টমেটো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রুম্মান আক্তার বলেন, এটি একটি পচনশীল ফসল, তা ছাড়া এখন অন্যান্য সবজিও বাজারে থাকা এবং এ বছর উৎপাদন বেশি হওয়ায় কৃষকরা দাম পাচ্ছে না। তবে যারা আগাম টমেটো চাষ করেছেন তারা আশানুরূপ লাভ করেছেন। তবে ফুলবাড়ীতে একটি শাক-সবজি সংরক্ষণের জন্য হিমাগার স্থাপন করা গেলে শুধু ফুলবাড়ী নয়, এ অঞ্চলের অন্যান্য উপজেলার কৃষকরাও এর সুফল ভোগ করতে পারবেন।

আরো পড়ুন
ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার কথা ছিল এসআই কবীরের, ফিরলেন লাশ হয়ে

ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার কথা ছিল এসআই কবীরের, ফিরলেন লাশ হয়ে

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ