৪৩তম বিসিএসে বাদ পড়াদের সুখবর দিলেন জনপ্রশাসন সচিব

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
৪৩তম বিসিএসে বাদ পড়াদের সুখবর দিলেন জনপ্রশাসন সচিব
সংগৃহীত ছবি

জনপ্রশাসন সচিব মো. মোখলেসুর রহমান জানিয়েছেন, ৪৩তম বিসিএসের বাদ পড়া ২২৭ জনের বেশির ভাগই চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে বিসিএস থেকে বাদ পড়াদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘বাদ পড়া ২২৭ জনের বেশির ভাগই যোগ দিতে পারবে। এখন তাদের পুনর্বিবেচনার আবেদনের যাচাই-বাছাই চলছে।

যাদের বিরুদ্ধে একেবারে সুনির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, তারাই শুধু বাদ পড়বে। আগামী ১৫ জানুয়ারি ৪৩ বিসিএসের গেজেটপ্রাপ্তরা চাকরিতে যোগ দেবেন।’

আরো পড়ুন
সরকারি চাকরীজীবীদের সুখবর দিলেন সিনিয়র সচিব

সরকারি চাকরীজীবীদের সুখবর দিলেন জনপ্রশাসন সচিব

 

মহার্ঘ ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মহার্ঘ ভাতা ইস্যুটা অর্থ মন্ত্রণালয়ের। তবে আমিও একজন সদস্য।

এরই মধ্যে দুটি মিটিং হয়েছে। মহার্ঘ ভাতা খুব শিগগিরিই হবে। তবে এবার ব্যতিক্রম হবে। আগে পেনশনভোগীরা মহার্ঘ ভাতা পেতেন না, এবার পাবেন।
পরের বছর বেতন বৃদ্ধির সময় এই মহার্ঘ ভাতাটা তার বেসিকের সঙ্গে যোগ হবে।’

আসন্ন বাজেটেই মহার্ঘ ভাতা কার্যকর হবে কি না, জানতে চাইলে জনপ্রশাসন সচিব বলেন, ‘এ বাজেটে মানে ৩০ জুনের মধ্যে, আমি বলব অবশ্যই এর মধ্যে হবে। তার আগে হবে ইনশাআল্লাহ।’

আরো পড়ুন
আ. লীগ নেতার সঙ্গে হাসনাতের গোপন বৈঠক দাবির ফটোকার্ড প্রচার, যা জানা গেল

আ. লীগ নেতার সঙ্গে হাসনাতের গোপন বৈঠক দাবির ফটোকার্ড প্রচার, যা জানা গেল

 

কোন মাস থেকে মহার্ঘ ভাতা ধরা হবে, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অনুমান করে বলা ঠিক হবে না। এ বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা ও অর্থসচিব পরিষ্কার করে বলতে পারবেন।

আরো পড়ুন
দাড়ি-গোঁফযুক্ত ছবিটি কি শামীম ওসমানের?

দাড়ি-গোঁফযুক্ত ছবিটি কি শামীম ওসমানের?

 
মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমছে না, জনপ্রতি বরাদ্দ ১২ ডলার

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমছে না, জনপ্রতি বরাদ্দ ১২ ডলার
ফাইল ছবি

বাংলাদেশের আশ্রয় শিবিরে বাস করা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি-ডব্লিউএফপি।

এবারে কক্সবাজারের উপকূলে বিভিন্ন ক্যাম্পের বাসিন্দাদের জনপ্রতি মাসিক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ১২ ডলার করে, যা আগে ছিল সাড়ে ১২ ডলার।

শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ‘ডব্লিউএফপি এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। সিদ্ধান্তটি কার্যকর হবে আগামী ১ এপ্রিল থেকে।

ভাসানচরে যেসব রোহিঙ্গা বসবাস করছেন তারা পাবেন জনপ্রতি ১৩ ডলার করে। কক্সবাজারে যারা বসবাস করছেন তাদের চেয়ে এক ডলার বেশি।

গত ৫ মার্চ বাংলাদেশের শরণার্থী কমিশনের কাছে খাদ্য সহায়তা কমানো সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়েছিল ডব্লিউএফপি।

ডব্লিউএফপি তহবিল সংকটের কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এপ্রিল থেকে মাসিক খাবারের বরাদ্দ সাড়ে ১২ ডলার থেকে কমিয়ে জনপ্রতি ৬ ডলার করার কথা বলা হয় ওই চিঠিতে।

এরপর ১৪ মার্চ জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির পরিদর্শন করেন। এ সময় তার কাছে তুলে ধরা হয় ৬ ডলারে রোহিঙ্গারা আসলে কী পরিমাণ খাবার পাবেন। এর পরই এমন সিদ্ধান্ত জানাল জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি-ডব্লিউএফপি।

মন্তব্য

মসজিদে মসজিদে শবেকদরের নামাজ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
মসজিদে মসজিদে শবেকদরের নামাজ
সংগৃহীত ছবি

বিশেষ ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে মুসলমানদের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ রাত শবেকদর। এই রাত উপলক্ষে রাজধানীর মসজিদে মসজিদে খতমে তারাবির নামাজ শেষে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ঘুরে দেখা যায়, এশার আজানের পর থেকেই অন্যান্য দিনের তুলনায় মসজিদে মুসল্লিদের ভিড় বেশি। অনেক এলাকায় মসজিদে জায়গা না পেয়ে রাস্তায় জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে উপচে পড়া ভিড় ছিল মুসল্লিদের। অনেকে দূর দূরান্ত থেকে নামাজ পড়তে এসেছেন এখানে। এমনই একজন নারিন্দার বাসিন্দা আউয়াল হোসেন বলেন, প্রতি কদরেই বায়তুল মোকাররমে এসে পড়েন তিনি। একা না, এলাকার পরিচিত প্রতিবেশী এবং আশপাশের আত্মীয় স্বজন সবাই মাগরিবের নামাজ শেষ করেই কদরের রাতের নামাজের জন্য এখানে আসেন।

আরেক মুসল্লি শরিফ আহমেদ বলেন, ‘এই রাত মুসলমানদের জন্য বিশেষ রাত। রোজার মাস থেকে শুরু করে পুরো জীবনের সব ভুল ত্রুটির জন্য মাফ চাইতে এই রাতকেই বেছে নেন মুসলমানরা।’

শবেকদর শব্দটি মূলত বাংলা ভাষায় এসেছে ফারসি থেকে। আরবি শব্দ লাইলাতুল কদরের নানা মহিমা কোরআন এবং হাদিসে বর্ণিত আছে।

শব বলতে মূলত রাত আর কদর বলতে ভাবমর্যাদাপূর্ণ বা সম্মানিত বোঝানো হয়। সে হিসাবে শবেকদর মুসলমানদের কাছে সবচেয়ে ভাবমর্যাদাপূর্ণ রাত হিসেবে পালিত হয়।

যদিও কোরআন এবং হাদিসে শবে কদরকে নির্দিষ্ট কোনো তারিখে বেধে দেওয়া হয়নি। বলা হয়েছে, রমজানের শেষ দশ দিন যেকোনো বেজোড় রাতই হতে পারে শবে কদর। তবে উপমহাদেশের অনেক আলেমের মতে, ২৬ রমজান দিবাগত রাতকে কদরের রাত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে বলে আলাদা মর্যাদায় পালন করা হয়।

এ ছাড়া বাংলাদেশে যেসব মসজিদে খতমে তারাবির পড়ানো হয়, সেখানে কদরের রাতকে উদ্দেশ্য করেই সারা মাসে নামাজে পড়া কিরাআতের মাধ্যমে কোরআন তেলাওয়াতের খতম দেওয়া হয় কদরের রাতে। এতে করে একদিকে কোরআন খতম অন্যদিকে কদরের রাত-দুই মর্যাদাই মুসলমানরা লাভ করতে পারেন।

এ প্রসঙ্গে উত্তর বাড্ডা জামে মসজিদের ইমাম মুফতি মাওলানা আজহারউদ্দীন বলেন, ‘শহরের মানুষের আলাদা করে কোরআন পড়া কিংবা শোনার সময় হয় না। এজন্য অনেকেই কোরআন খতমের বড় একটি মাধ্যম হিসেবে খতমে তারাবিকে বেছে নেন। কদরের রাতে কোরআন খতমের পাশাপাশি যারা কোরআন পড়িয়েছেন সেইসব হাফেজদেরকেও আলাদা করে হাদিয়া দেওয়া হয়। মূলত গোটা রমজানের পূর্ণতা আসে এই কদরের রাতকে কেন্দ্র করেই।’

তিনি আরো বলেন, ‘এশা এবং তারাবির পর কদরের রাতের জন্য আলাদা করে কোনো নামাজ না থাকলেও মুসল্লিরা সারারাত নফল নামাজ এবং জিকির-আজকারের মাধ্যমে ইবাদত করেন। কেননা রমজানে নফল ইবাদতের সওয়াব ফরজের সমান। এ ছাড়া কোরআন তেলাওয়াত এবং দান-খয়রাতের মাধ্যমে কাটে এই রাত। শেষ রাতে মসজিদে মসজিদে আয়োজন করা হয় বিশেষ মোনাজাতের। আল্লাহর কাছে নিজেদের ভুল-ভ্রান্তি এবং পাপের ক্ষমাপ্রার্থনার পাশাপাশি দেশ-জাতি এবং সামস্ত মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করা হয়।’

কদরের রাতকে কেন্দ্র করে মসজিদের সামনে অসহায় এবং ভিক্ষুকদের লাইন থাকে চোখে পড়ার মতো। অন্যান্য দিনের তুলনায় এদিন কয়েকগুণ বেশি আয় হয় বলে জানান তারা। দক্ষিণ বাড্ডা কুয়েত-বাংলাদেশ জামে মসজিদের সামনে ভিক্ষারত এক নারী সালমা বলেন, ‘এদিন কয়েক হাজার টাকা আয় হয়। ঈদে পরিবারকে নিয়ে খাওয়া দাওয়া, বাচ্চাদের সামান্য শখ আহ্লাদ পূরণের টাকা আসে এই কদরের রাতেই।’

আরেক ভিক্ষুক মনির বলেন, সারারাত মসজিদের সামনে ভিক্ষা করেন তিনি। অনেক মুসল্লি এশার নামাজের পর মসজিদে যান এবং সেহরির আগে আগে বের হোন। এসময় তারা হাত খুলে দান খয়রাত করেন বলে জানান তিনি।

এ ছাড়া কদরের রাতকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় সামগ্রী বিক্রিও অনেক বেড়ে যায় বলে জানান বিক্রেতারা। বিশেষ করে আতর, টুপি, তসবিহ, মেসওয়াক এবং সুরমার মতো সুন্নতি সামগ্রীতে ক্রেতাদের আলাদা আগ্রহ থাকে।

বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটের সামনে এসব পণ্য বিক্রেতা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সারা বছর আতর-টুপি বিক্রি হলেও কদরের রাতে বিকাল থেকেই মেসওয়াক, সুরমা, তসবিহ বিক্রি বেড়ে যায়। অনেকে আবার নতুন জায়নামাজ কেনেন।’ মহামান্বিত এ রাতে তারা নতুন করে ধর্মীয় আচার-আচরণ পালন শুরু করতে উদ্যোমী হন বলে জানান তিনি।

এদিকে কদরের রাতে মসজিদের পাশাপাশি বাসা-বাড়িতেও চলে ইবাদাত। নারীরা নামাজ এবং কোরআন তেলওয়াতের মধ্য দিয়ে পার করেন এ রাত।

রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকার গৃহিণী জেসমিন আক্তার লিপি বলেন, ‘সন্ধ্যার পর থেকেই চলে কদরের রাতে ইবাদতের প্রস্তুতি। এশার আগে সব কাজ গুছিয়ে বাসার নারী এবং শিশুরা ইবাদতে শামিল হোন। রাতের খাবার শেষে অনেকেই সেহরি পর্যন্ত ধাপে ধাপে নফল নামাজ পড়েন এবং কোরআন তেলাওয়াত করেন।’

মুসলমানদের জীবনে কদরের রাত আসে ক্ষমার বার্তা নিয়ে। ‘আল্লাহুম্মা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফুআন্নি’ এই দোয়ার মাধ্যমে মুসলমানরা তাদের কৃতকর্মের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করেন। সব মিলিয়ে এই রাত রমজানকে করে তোলে আরো মহামান্বিত। পাশাপাশি এই রাতের শিক্ষা থেকে একজন মুসমান নতুন করে ভালো মানুষ হবার যাত্রা শুরু করতে পারে বলে মনে করেন আলেম-ওলামারা।

মন্তব্য

আলোচিত-১০ (২৭ মার্চ)

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার

৫ সংস্কার কমিশনের মেয়াদ বাড়ল

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
৫ সংস্কার কমিশনের মেয়াদ বাড়ল
সংগৃহীত ছবি

পাঁচটি সংস্কার কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। কমিশনগুলো স্বাস্থ্য, শ্রম, নারী, স্থানীয় সরকার ও গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন। নতুন সময় অনুযায়ী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত কাজ করার সময় পাবে কমিশনগুলো।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ সময় বাড়ানোর কথা জানানো হয়।

আরো পড়ুন
প্রধান উপদেষ্টাকে ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান

প্রধান উপদেষ্টাকে ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান

 

এর মধ্যে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন ইতিমধ্যে তাদের প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দিয়েছে। আর স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের সারসংক্ষেপ জমা দেওয়া হয়েছে। বাকি তিনটি সংস্কার কমিশন এখনো প্রতিবেদন জমা দেয়নি। মার্চ মাস পর্যন্ত এসব কমিশনের সময় রয়েছে।

এখন তা আরো বাড়ল।

এর আগে গঠিত ছয়টি সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন ইতিমধ্যে জমা দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো সংবিধান, বিচার বিভাগ, নির্বাচনব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশ ও দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশন।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ