ঈদের আগে বেতন-বোনাসের টাকা পাওয়া নিয়ে শঙ্কা শেষে স্বস্তিতে ফিরেছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক। যদিও অনেকের অভিযোগ, তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এখনো বেতন আসার কোনো বার্তা পাননি।
গতকাল শুক্রবার সরকারের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ব্যাংক খোলা রেখে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা হয়। এই ব্যবস্থাপনার ঘোষণা আগে দেওয়া হলেও অনেকে বিষয়টি নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন।
গতকাল সকাল ১০টা থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীরা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ঈদ উৎসব ভাতার টাকা তুলতে পেরেছেন। অবশ্য টাকা তোলার সময় ছিল মাত্র দুই ঘণ্টা।
ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জানান, বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন ও বোনাসের টাকা সময়মতো পরিশোধের লক্ষ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের মতো ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) সিস্টেম চালু করা হয়েছিল। এর আগে অ্যানালগ পদ্ধতিতে সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ ছাড় হওয়ার পর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে টাকা ছাড়ে বেশ সময় লাগত।
শিক্ষকদের ভোগান্তি দূর করার জন্য ইএফটি সিস্টেম চালু করা হলেও এর সুফল পাওয়া যায়নি। ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন দিতে এত সময় লেগেছে। মার্চের বেতন কবে হবে, তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন তাঁরা।
গত ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ইএফটিতে বেসরকারি শিক্ষকদের এমপিওর বেতন-ভাতা দেওয়ার ঘোষণা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
পরে ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়ন করা হয়।