ঢাকা, মঙ্গলবার ০১ এপ্রিল ২০২৫
১৭ চৈত্র ১৪৩১, ০১ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, মঙ্গলবার ০১ এপ্রিল ২০২৫
১৭ চৈত্র ১৪৩১, ০১ শাওয়াল ১৪৪৬

শখের দৌড়ে ‘সুখের ঠিকানা’

বিশ্বজিৎ পাল বাবু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বিশ্বজিৎ পাল বাবু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শেয়ার
শখের দৌড়ে ‘সুখের ঠিকানা’
৮০টির বেশি দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ময়নুল আহমেদ। ছবি : কালের কণ্ঠ

শখ করে দৌড়াতেন। পাড়ি দিয়েছেন হাজার হাজার মাইল পথ। পেয়ে গেছেন সুখের ঠিকানা। বেশ আয় হয়।

নিয়মের মধ্যে সুস্থভাবে চলছে জীবন। মন ভালো থাকারও একটা রসদ। জনসচেতনতায় নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারাটা যেন বাড়তি পাওনা।

বলছি কলেজছাত্র ময়নুল আহমেদের কথা।

লিকলিকে গড়নের ছেলেটি ‘আখাউড়া এক্সপ্রেস’ নামে পরিচিতি পেয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার বন্ধুসহ স্বজনরা তাঁর এ নাম দিয়েছে। উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের সাতপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে ময়নুল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

গত ৭ ডিসেম্বর কক্সবাজারে এলিট ম্যারাথনে (৪২.১৯৫ কিলোমিটার) এক হাজার প্রতিযোগীর মধ্যে প্রথম রানার আপ হয়ে এলাকায় হৈচৈ ফেলে দেন ময়নুল।

উপহারের টাকা হিসেবে পেয়েছেন এক লাখ ২৫ হাজার টাকা। এর আগে ৮ নভেম্বর নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলায় ৪২ কিলোমিটার ম্যারাথনে অংশ নিয়ে দ্বিতীয় হন ময়নুল। সর্বশেষ গতকাল শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাফ ম্যারাথনে (২১.০৯৭ কিলোমিটার) চ্যাম্পিয়ন হন ময়নুল।

শুধু দেশের মাটিতে নয়, বিদেশেও দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন ময়নুল। এর মধ্যে দুবাইয়ে তিনবার ও ভারতে ১৭ বার।

দুবাইয়ে অংশ নিয়ে সম্মানজনক টাকাও আয় হয়। সব মিলিয়ে ৮০টির বেশি প্রতিযোগিতায় ময়নুল অংশ নেন।

ময়নুল জানালেন কিভাবে তিনি দৌড়ের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। মূলত শখ করে দৌড়াতে গিয়েই দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়াটা এখন নেশায় পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি উপজেলা, জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে এ পর্যন্ত  ৮০টির বেশি ম্যারাথন ইভেন্টে অংশ নিয়েছি। গত ১ নভেম্বর সিলেটের শমশেরনগরে ৫০ কিলোমিটার ম্যারাথনে অংশ নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এর আগে বান্দরবানে ২৫ কিলোমিটার ম্যারাথনে চ্যাম্পিয়ন হই। সর্বশেষ সফলতা ছিল কক্সবাজারে।’

ময়নুল আহমেদ বলেন, ‘২০২১ সালে মাহমুদ নামের স্থানীয় এক বড় ভাইয়ের কাছ থেকে ম্যারাথন সম্পর্কে অবগত হই। তিনি আমাকে উৎসাহ দিয়ে ম্যারাথন শুরু করার পরামর্শ দেন। সিলেটে প্রথমবারের মতো হাফ ম্যারাথনে অংশ নেই। ওই ইভেন্টে ১৭ নম্বর অবস্থানে থেকে দৌড় শেষ করি।’

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

ঝুঁকি

শেয়ার
ঝুঁকি
প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে কেউ ট্রাকে, কেউ পিকআপ ভ্যানে ফিরছেন। গতকাল ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কে। ছবি : কালের কণ্ঠ
মন্তব্য

২৪ ঘণ্টায় তিন কোটি টাকা টোল আদায়

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
শেয়ার
২৪ ঘণ্টায় তিন কোটি টাকা টোল আদায়

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষ ও গণপরিবহন বেড়েছে। যমুনা সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮ হাজার ৩৩৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে তিন কোটি ৩৮ লাখ ৫২ হাজার ৯০০ টাকা। গতকাল শনিবার সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল কালের কণ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) রাত ১২টা থেকে শুক্রবার (২৮ মার্চ) রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮ হাজার ৩৩৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

মন্তব্য

অতিরিক্ত ভাড়া ঠেকাতে বিআরটিএর অভিযান

রাজশাহী ব্যুরো
রাজশাহী ব্যুরো
শেয়ার
অতিরিক্ত ভাড়া ঠেকাতে বিআরটিএর অভিযান

ঈদ যাত্রায় যাত্রীদের কাছ থেকে পরিবহনগুলো যেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে না পারে, সে লক্ষ্যে বিআরটিএর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় রাজশাহী নগরীর শিরোইল বাস টার্মিনালে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন আল্পনা ইয়াসমিন। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, যাত্রী যাবেন রাজশাহী থেকে ফেনী, কিন্তু যাত্রীর কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে কক্সবাজারের ভাড়া এক হাজার ৮০০ টাকা।

অথচ নিয়ম অনুসারে ভাড়া নেওয়ার কথা এক হাজার ৩৬১ টাকা। অভিযানে নেমে এমন ঘটনা জানার পর গ্রামীণ ট্রাভেলেসকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন বিআরটিএর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আল্পনা ইয়াসমিন।

মন্তব্য

ঠাকুরগাঁওয়ে পাঁচ টাকায় ঈদ বাজার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
শেয়ার
ঠাকুরগাঁওয়ে পাঁচ টাকায় ঈদ বাজার

মাত্র পাঁচ টাকায় ঈদের বাজার করতে পেরে খুশি ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচ শতাধিক হতদরিদ্র পরিবার। গতকাল শনিবার সকালে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে স্থানীয় মানবিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সহায় জুলুমবস্তি এই ঈদ বাজারের আয়োজন করে। সহায়তা পাওয়া জরিনা বেগম বলেন, আমার পরিবারে পাঁচজন সদস্য। স্বামী ও সন্তান দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাই।

ঠিকমতো খেতেও পারি না। ঈদের জন্য আলাদা বাজার করা সম্ভব ছিল না। কিন্তু সহায় জুলুমবস্তির এই পাঁচ টাকার বাজারের জন্য এবার ভালো খাবার খেতে পারব। সংগঠনের সভাপতি ফখরুল আলম লিফাত বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে ঈদের আনন্দ দিতে সহায়তা করা।
এই বাজারের মাধ্যমে কমপক্ষে ৫০০ পরিবার কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে। জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা বলেন, এ ধরনের আয়োজন সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ