বরিশাল জেলার সব শহীদ মিনারে চলছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে শহীদ বেদীতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ। শুক্রবার আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে ফুলে ফুলে সেজে ওঠে শহীদ মিনারের বেদি। প্রভাতফেরিতে অংশ নেন স্কুলের শিক্ষার্থীরা। তবে জেলার বেশিরভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজ প্রতিষ্ঠানের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে পারেননি।
বরিশালের ৯৬ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই শহীদ মিনার
রফিকুল ইসলাম, বরিশাল

বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা এক হাজার ৫৯২। এর মধ্যে শহীদ মিনার রয়েছে মাত্র ১৫৩টি বিদ্যালয়ে। অর্থাৎ ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ফুল দেওয়ার জন্য শহীদ মিনার নেই জেলার ৯৬ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এছাড়া জেলার মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় ২০৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটিতেও নেই শহীদ মিনার।
এদিকে ভাষার জন্য প্রাণ দেওয়া জাতির সূর্য সন্তানদের প্রতি নিজ প্রতিষ্ঠানে শ্রদ্ধা জানাতে না পেরে মনকষ্টে আছেন এসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তবে তাঁদের অনেকেই কাছাকাছি স্কুলগুলোতে গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। আবার যেসব বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই, সেখানে তৈরি করা হয় অস্থায়ী শহীদ মিনার। ভাষা শহীদদের স্মরণে বিদ্যালয়গুলোতে দিনব্যাপী আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
বরিশাল সদর উপজেলা টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের সোমরাজি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিশাল ভবন রয়েছে। কিন্তু সেখানে নেই কোন শহীদ মিনার। সরেজমিনে দেখা যায়, পাশের বাগান থেকে কলাগাছ এনে অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরি করেন স্কুলের শিক্ষার্থীরা। সাদা কাগজে মুড়ে দিয়ে সেখানে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানান তাঁরা।
এদিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শহীদ মিনার না থাকার কারণ হিসেবে তহবিল ঘাটতির কথা জানিয়েছেন বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা।
উপজেলাগুলোর মধ্যে— আগৈলঝাড়াতে ৯৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২টিতে, উজিরপুরে ১৮১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩০টিতে, গৌরনদীতে ১৩১টির মধ্যে ১২টিতে, সদর উপজেলায় ২০৩টির মধ্যে ১৩টিতে, বাকেরগঞ্জে ২৮০টির মধ্যে ১৬টিতে, বানারীপাড়ায় ১২৬টির মধ্যে ৫টিতে, বাবুগঞ্জে ১৩৪টির মধ্যে ৩০টিতে, মুলাদীতে ১৪০টির মধ্যে ১৯টিতে এবং হিজলায় ৯২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ৮টিতে শহীদ মিনার রয়েছে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নে ১৮৮২ সালে স্থাপিত কলসকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শতবর্ষী এই স্কুলে শহীদ মিনার না থাকায় শিক্ষার্থীরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারে না। স্কুলের পক্ষ থেকে এখানে শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য জায়গা নেই তাই নির্মাণ করা যাচ্ছে না। পাশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে সেখানেও শ্রদ্ধা জানানো যাচ্ছে না।
শিক্ষাবিদ দাশগুপ্ত আশীষ কুমার বলেন, শিক্ষার্থীদের ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে ও এর তাৎপর্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দিতে বিদ্যালয়গুলোতে শহীদ মিনারের প্রয়োজনীয়তার রয়েছে। কারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল ভাষা আন্দোলনের সূতিকাগার। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি করে শহীদ মিনার থাকা উচিত। তার মতে, শিক্ষার্থীরা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে। শহীদদের উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ শৈশব থেকেই তাদের দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করবে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. গোলাম মোস্তফা সরোয়ার হোসেন বলেন, এখানে নতুন এসেছি। শহীদ মিনারের সংখ্যা না দেখে বলতে পারব না। তবে আমার জানা মতে শহীদ মিনারের জন্য সরকারি পর্যায়ে বাজেট আসে। স্থানীয় পর্যায়েও কেউ যদি শহীদ মিনার নির্মাণ করতে চায় তাহলে করতে পারে। কিন্তু সংকট হচ্ছে জমি নিয়ে। অনেক স্কুলেই পর্যাপ্ত জমি আছে। কিন্তু সেই জমি অবৈধ দখলে। সেখানে শহীদ মিনার নির্মাণ করা যাচ্ছে না।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার থাকা উচিত। বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সমন্বয়ে এটি করতে হবে। শহীদ মিনার নির্মাণ করতে যদি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়, তাহলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
সম্পর্কিত খবর

চেয়ারম্যানের দুর্নীতি, ফেসবুক লাইভে তথ্য দিলেন ইউপি সদস্য
আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের লাইভে এসে গোপিনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য সেলিম হোসেন। তিনি উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। এঘটনায় সর্বত্র চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা। ফেসবুক লাইভে চেয়ারম্যানের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে দাবি করেছেন চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ মার্চ ইউপি সদস্য সেলিমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। সেখানে তিন কার্য দিবসের মধ্যে জবাব প্রদানের জন্য বলা হলেও তিনি নির্দিষ্ট লিখিত জবাব না দিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফেসবুক লাইভ করেন।
২৫ মিনিটের ওই লাইভ ভিডিওতে ইউপি সদস্য সেলিম হোসেন বলেন, ‘গোপীনাথপুর ইউনিয়নের কাশিড়া দিঘীরপাড় গ্রামীন ইট বিছানো রাস্তার কাজ চেয়ারম্যান নিজেই করছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সেখানে গিয়ে দেখি তিনি ভাঙা অর্ধেক ইট দিয়ে অত্যন্ত নিম্নমানের কাজ করছেন।
তার অভিযোগ, ‘অন্যান্য ইউনিয়নে রশিদ দিয়ে ৫০ টাকা নিলেও এই ইউনিয়নে রশিদ ছাড়া ২০০ টাকা নেওয়া হয়। বিষয়টি চেয়ারম্যানকে জানালে এটা তার ইচ্ছা বলে আমাকে সাফ জানিয়ে দেন। আবেদন করতে ১০০ এবং সনদ নিতে ২০০ টাকা সহ মোট ৩০০ টাকা গুনতে হয় সেবা প্রত্যাশীদের কাছ থেকে। জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রেও গাফিলতি রয়েছে। জন্ম নিবন্ধন করতে ৫০ টাকা ফি নির্ধারিত থাকলেও ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। গত ২০২৪ সালের ঈদুল ফিতরে বিতরকৃত ভিজিএফ চালে ১ হাজার ২০০ জনকে এক থেকে দেড় কেজি চাল কম দিয়েছেন।’
লাইভে তিনি আরো বলেন, ‘গত বছর এর প্রতিবাদ করায় এ বছর আমাকে না ডেকে অন্যের মাধ্যমে আমার ওয়ার্ডে ভিজিএফ চালের কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। যাদের কার্ড দিয়েছে তারাও কোন চাল পাননি। পরে তাদের টাকা দিয়ে বিদায় করা হয়েছে। তাহলে বরাদ্দকৃত চাল গেল কোথায়? চেয়ারমান হাবিবুর রহমানের ছত্রছায়ায় ঘটে যাওয়া নানা অপকর্মের প্রতিবাদ করায় আমাকে পরিষদ থেকে বাদ দিতে সে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছে। তার জবাব দিতে গেলেও পরিষদ থেকে তা গ্রহন করা হয়নি। পরে গত বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জবাব দাখিল করেছি।’
ইউপি সদস্য সেলিম হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, আমি বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদ করায় চেয়ারম্যান বিভিন্ন কৌশলে আমাকে হয়রানি করার অপচেষ্টা করছে। আমি ফেসবুক লাইভে যে অনিয়মের বিষয়গুলে তুলে ধরেছি তার উপযুক্ত তথ্য প্রমান আমার কাছে আছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী ইউয়নের সকল উন্নয়ন কাজ করা হয়। যা সরকারের নির্ধারিত দপ্তর প্রতিনিয়ত তদারকি করে থাকেন। এখানে অনিয়ম করার কোন সুযোগ নেই। ইউপি সদস্য সেলিম একজন উশৃঙ্খল প্রকৃতির ছেলে। সে অসৎ উদ্দেশ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি কাজে বাধা প্রদান করে। সেই কারণে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে সে কোন জবাব দিতে পারেননি। একারণে সে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুরুল আলম বলেন, কারণ দর্শানোর নোটিশ বিষয়ে আমার জানা নেই। ইউপি সদস্য সেলিম হোসেন আমার অফিসে আসলেও সে কোন প্রকার লিখিত জবাব আমার অফিসে দাখিল করেননি।

কুমিল্লার ঈদ বাজার
শেষ সময়ে ফুটপাতে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষদের ভিড়
কুমিল্লা (উত্তর) প্রতিনিধি
ঈদুল ফিতর বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। রমজানের পুরো মাসে কুমিল্লার বড় বড় শপিংমল ও ব্র্যান্ডশপগুলোতে উচ্চবিত্তের কেনাকাটার ভিড় থাকলেও শেষ মুহূর্তে এসে নগরীর ফুটপাত ও ছোট ছোট কাপড়ের দোকানগুলোতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিকালে নগরীর কান্দিরপাড় ও রাজগঞ্জ এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, ফুটপাতের ভ্রাম্যমান দোকানগুলোতে গত কয়েকদিনের তুলনায় মানুষের উপচে পড়া ভিড়। যাদের বেশির ভাগই মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
টাউন হলের সামনে ভ্রাম্যমান কাপড় বিক্রেতা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, শেষ সময়ে এসে ভিড় বাড়ছে। প্রচুর ক্রেতা যাদের অধিকাংশ নিম্ম আয়ের মানুষ। তাদের কেউ পেন্ট, গেঞ্জি, কেউ পাঞ্জাবি-পায়জামা, লুঙ্গি কিনছেন।
মনোহরপুর ফুটপাতের কাপড় ব্যবসায়ী সোহেল রানা বলেন, প্যান্ট, শার্ট, পাঞ্জাবি, জুতা-বেল্ট, শাড়ি, মানিব্যাগ, চশমা থেকে শুরু করে শিশু, যুবক, বৃদ্ধ সব বয়সের মানুষের পোশাকই ফুটপাতে বিক্রি হচ্ছে। এখানে ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ টাকায় মিলছে শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, শাড়ি, লুঙ্গিসহ বাচ্চাদের পোশাক। রাত ১২ টা পর্যন্ত চলে কেনাবেচা। গতবারের চেয়ে এ বছর ভালো বেচাকেনা হচ্ছে।
কান্দিরপাড়ের খোসবো স্টোর্স’র স্বত্ত্বাধিকার মো.আবদুল মালেক খসরু উষা বলেন, জীবন যাত্রার ব্যয় বাড়ায় মানুষ শেষ সময়ে এসে ঈদের কেনাকাটা করছে।

'চুন্নুর মতো জাতীয় বেইমানদের সামাজিকভাবে বর্জন করতে হবে'
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

করিমগঞ্জ-তাড়াইল আসনের সাবেক এমপি জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর সমালোচনা করে গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেন, মজিবুল হক চুন্নু কখনো বিনা ভোটে, কখনো রাতের ভোটে কখনো ডামি ভোটে এমপি হয়েছিলেন চুন্নু। তার মতো জাতীয় বেইমানদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। তিনি দেশের শত্রু, জনগণের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু। তারা ফ্যাসিবাদকে দীর্ঘায়িত করতে হাসিনাকে সহযোগিতা করেছে, তাদের বিচার হওয়া উচিত।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে গণ অধিকার পরিষদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। করিমগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণঅধিকার পরিষদ করিমগঞ্জ উপজেলার আহ্বায়ক অধ্যক্ষ সামছুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব জাহিদুল ইসলাম।
মায়ের সঙ্গে ঈদের কেনাকাটা করতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশুর
আবু হানিফ তরুণদের রাজনীতিতে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তরুণরা দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করেছে। তাই দেশের রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন করতে হলে রাজনীতিতে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।
এসময় বক্তব্য দেন যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন তালুকদার, গণঅধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম, অভি চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি সোহাগ মিয়া, জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল, ঢাকা মহানগর ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরাফাত হোসেন প্রমুখ।

তারেক রহমানের পক্ষ থেকে দুই সহস্রাধিক লোকজনকে ঈদ উপহার দিলেন জিন্নাহ কবির

পটিয়ায় আওয়ামী দোসরদের জায়গা বিএনপিতে হবে না : এনাম
পটিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

‘পটিয়ার জিয়া পরিবারের নেতাকর্মীরা দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে আওয়ামী জালিম সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। এই কারণেই পটিয়ার শত শত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার এবং নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। এরপরও গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন সংগ্রামে বীর পটিয়াবাসীকে বিচ্চু শামশু গং দমিয়ে রাখতে পারেনি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে পটিয়া বিএনপি ঐক্যবদ্ধ।
এক ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভায় এসব কথা বলেছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এনাম। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনা এবং মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিকালে কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে কুসুমপুরা ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্দোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।
এনামুল হক এনাম আরও বলেন, ২৮ অক্টোবরের পর থেকে ফ্যাসিবাদী হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী এবং হামলা মামলায় নির্যাতিত নেতাকর্মীরাই বিএনপির সত্যিকারের নেতাকর্মী।
পটিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আবু ছালেহ মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের সভাপতিত্বে ও কুসুমপুরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোমেন সওদাগরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন পটিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, বিশেষ অতিথি ছিলেন পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আমিন এমএসসি, পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব গাজী আবু তাহের, পটিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মঈনুল আলম ছোটন, শফিকুল ইসলাম শফিক, হারুনুর রশীদ চৌধুরী, মোজাম্মেল হক চৌধুরী, পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মাবুদসহ দলটির নেতাকর্মীরা।