রাতের খাবার যত বেশি রাত করে খাবেন সমস্যা ততই বাড়বে। এর জন্য সবার আগে দেখা দেবে বদহজম, এসিডিটি, গ্যাসের সমস্যা। এ ছাড়া হতে পারে আরো বিভিন্ন ধরনের সমস্যা।
খাবার ভালোভাবে হজম না হলে শরীরেও সঠিক পরিমাণে পুষ্টি পৌঁছবে না।
রাতের খাবার যত বেশি রাত করে খাবেন সমস্যা ততই বাড়বে। এর জন্য সবার আগে দেখা দেবে বদহজম, এসিডিটি, গ্যাসের সমস্যা। এ ছাড়া হতে পারে আরো বিভিন্ন ধরনের সমস্যা।
খাবার ভালোভাবে হজম না হলে শরীরেও সঠিক পরিমাণে পুষ্টি পৌঁছবে না।
সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নিতে পারলেই ভালো। তাহলে শরীর সুস্থ থাকবে। এ ছাড়া রাতের খাবার তাড়াতাড়ি খাওয়া হয়ে গেলে ক্যালরি বার্নিং প্রসেস সঠিকভাবে শুরু হতে পারে।
ডিনার আগে করে নিলে শোওয়ার আগে আপনি কিছুটা সময় পাবেন। সে ক্ষেত্রে ঘুমানোর আগে অল্প হাঁটাচলা, পায়চারি করলে রাতে ভালো ঘুম হবে।
রাতের খাবার সঠিক সময়ে খেয়ে নিলে শরীর সুস্থ থাকতে বাধ্য।
রাতের খাবার একটু হালকা ধরনের করার চেষ্টা করুন। খুব গুরুপাক খাবার, সহজপাচ্য নয়, এমন খাবার না খাওয়াই ভালো।
রাতের খাবার যত তাড়াতাড়ি খাবেন তত ভালো ঘুম হবে আপনার।
সূত্র : এবিপি লাইভ
সম্পর্কিত খবর
ঘুম নিয়ে অনেকেই নানা রকম সমস্যায় ভোগেন। ভালো ঘুম না হলে অনেকেই সারা দিন ধরে অস্বস্তিতে থাকেন, শরীরও খারাপ হয়। তবে জানেন কি ভালো ঘুমের জন্য ঘরের তাপমাত্রা ঠিক হওয়াটাও দরকারি। এই তাপমাত্রা ঘুমের জন্য অত্যন্ত জরুরি ফ্যাক্টর।
সমীক্ষায় দেখা গেছে, ঘুমের সময় ঘরের তাপমাত্রা যদি ১৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে তাহলে খুব ভালো ঘুম হয়। আর এই গভীর ঘুমের কারণে শরীরও অনেক ভালো থাকে, নীরোগ থাকে। বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই ঘুমের গুণমান অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ।
ভালো ঘুম আমাদের শারীরিক শক্তি, মেজাজ, প্রোডাক্টিভিটি, ক্রনিক রোগ ইত্যাদিকে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
সমীক্ষা অনুযায়ী, ঘরের তাপমাত্রা প্রতি ৫-১০ ডিগ্রি বাড়লে বা কমলে ঘুমের ওপর প্রভাব পড়তে থাকে। এমনকি বিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের ঘুমের ওপর প্রভাব ফেলে পারিপার্শ্বিক আবহাওয়া বা আমাদের আর্থ-সামাজিক স্তর।
সূত্র : এবিপি লাইভ
ঈদ সামনে নিয়ে নাড়ির টানে বাড়ির দিকে ছুটছেন সবাই। পরিবারের সঙ্গে ঈদে আনন্দ ভাগাভাগি করার মধ্যে অন্যরকম সুখ। ঈদে বেশি আনন্দ করতে গিয়ে পুরো আনন্দটাই যাতে মাটি না হয় সে জন্য খেয়াল রাখতে হবে শরীরের দিকে। তাই ঈদে সুস্থ থাকতে কী করবেন, কী করবেন না, তা জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর ঈদ সবার জন্য খুশির বার্তা বয়ে আনে। ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরো দৃঢ় হতে থাকে। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ঈদ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঋতুতে হয়।
তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকলে শরীর থেকে ঘাম বের হওয়ার কারণে অনেক ইলেক্ট্রোলাইট বের হয়ে যায়।
ঈদের সময় খাদ্য তালিকায় স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। নানারকম ফলের তৈরি সালাদ, কাস্টার্ড, ফলের রস, পানিজাতীয় খাবারের বেশি রাখতে হবে।
ঈদের দিন সবাই একটু তেল মসলা যুক্ত খাবার খেয়ে থাকে। উৎসবের খাবার সে ক্ষেত্রে ঘি এর পরিমাণ অল্প দিতে হবে এবং মাংস রান্না করতে গেলে চর্বি বাদ দিয়ে রান্না করলে কিছুটা স্বাস্থ্যসম্মত হয়। গরুর মাংস বা খাসির মাংস খেতে গেলে খুব অল্প পরিমাণে খেতে হবে। কারণ, দীর্ঘ একমাস সকাল থেকে টানা ১৪ ঘণ্টা না খেয়ে থেকে পরে ইফতারের সাহরিতে যে অভ্যাসটা গড়ে ওঠে, সেটা ঈদের সময় একবারে তাড়াহুড়া করে সকাল থেকে বেশি পরিমাণে খাবার খেলে তাতে হিতে বিপরীত হয়ে যায়।
আস্তে আস্তে অল্প পরিমাণে খাবার খেতে হবে এবং শুরুতেই ঈদের দিন সকাল বেলায় সেমাই, রুটি দিয়ে খাবারটা শুরু করতে পারেন। দুপুরে মাংস খেলেও কিন্তু পরিমাণে কম। পানি বেশি করে খাবেন এবং গরমের মধ্যে বাইরে গেলে অবশ্যই ছাতা, পানির বোতল সঙ্গে নিন। রাতের খাবার মসলাদার না হওয়াই ভালো। রাতের খাবার ৮ টার আগেই খেয়ে নিন। রাতে খাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা পর শুয়ে যান। তাতে হজম ভালো হয়।
পাত্রে দুধ ঢেলে চুলায় গরম করতে বসালেন। পাশে দাঁড়িয়ে থাকার সময়ে কিছুই হলো না। যেই না অন্য দিকে চোখ ফেরান তখনই ঘটে অঘটন। দুধ উথলে পড়ে চুলার বারোটা বাজে।
অনেকেই বলেন, বেশ কয়েকটি ঘরোয়া পন্থা অনুসরণেই কমতে পারে এই ঝক্কি। আপনার জন্য রইল সেই টিপস।
শুধু এই টিপসগুলোই যথেষ্ট নয়। দুধ গরম করার সময় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতেই হবে।
সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন
গরমকালে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ব্লাড সুগারের মাত্রাও বাড়তে পারে। শুরুতেই সতর্ক না হলে বড় সমস্যায় পড়বেন। তাই গরমের শুরুর দিক থেকেই কয়েকটি নিয়ম মেনে চলা শুরু করে দিন। তাহলে আর ব্লাড সুগারের মাত্রা বাড়তে পারবে না।
গরমে কোন কোন নিয়ম মেনে চললে হঠাৎ ব্লাড সুগারের মাত্রা বাড়বে না, তা নিয়ে রইল সহজ কিছু টিপস। চলুন, জেনে নেওয়া যাক।
শরীর হাইড্রেটেড রাখা জরুরি। গরমকালে এমনিতেই ডিহাইড্রেশনের সমস্যা বাড়ে।
গরমকালে সানস্ক্রিন না লাগিয়ে বাড়ির বাইরে বের হবেন না। এই তথ্য নতুন কিছু নয়। আসলে বেঁচে থাকতে হবে সানবার্ন থেকে। অনেক সময়েই সানবার্নের কারণে ত্বকে বেশ ভালো রকমের ইনফেকশন হতে পারে।
যাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা রয়েছে তাদের বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই দেখা যায় সুগার হয় একলাফে বেড়ে যাচ্ছে, নয়তো কমে যাচ্ছে। ব্লাড সুগার স্পাইক অর্থাৎ আচমকা ডায়াবেটিসের মাত্রা অনেকটা বেড়ে যাওয়ার সমস্যা এড়াতে ক্যাফেইন ও চিনি যুক্ত পানীয় থেকে দূরে থাকা জরুরি।
গরমের দিনে অনেক সময়েই আরাম পেতে আমরা কোল্ড কফি খেয়ে থাকি। কিংবা খেয়ে থাকি ফ্রুট জুসসহ একাধিক পানীয়। এগুলোতে থাকে অ্যাডেড সুগার। আর এই অতিরিক্ত চিনিই একধাক্কায় ব্লাড সুগারের মাত্রা অনেকটা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
দৈহিক তাপমাত্রা বেড়ে গেলে তার প্রভাবেও ডায়াবেটিসের মাত্রা চড়তে পারে। তাই গরমের দিনে ঢিলেঢালা পোশাক পরুন এবং আরামদায়ক পোশাক পরতে পারলে ভালো। যেমন- সুতির পোশাক। এর ফলে আপনি আরাম যেমন পাবেন, তেমনই নিয়ন্ত্রণে থাকবে দৈহিক তাপমাত্রা এবং নিয়ন্ত্রণে থাকবে ব্লাড সুগারের মাত্রাও।
সূত্র : এবিপি লাইভ