পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাস্তব এবং ফলাফলমুখী সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছেন। বিশেষ করে বিমসটেক মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (এফটিএ) কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে আন্তঃআঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধি করা।
আজ বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ২০তম বিমসটেক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের এক দিন আগে বিমসটেকের সাত সদস্য দেশের সব পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রীরা আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিমসটেক সামুদ্রিক পরিবহন সহযোগিতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তার বক্তব্যে একটি বিভক্ত বিমসটেক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে সম্মিলিত শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন।
তিনি বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১২ লাখ রোহিঙ্গার বিষয়টি উত্থাপন করেন এবং মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের অধিকার ও নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের নিজ দেশে স্থায়ীভাবে প্রত্যাবর্তনের জন্য মিয়ানমারে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দেন।
বৈঠকে বিমসটেকের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের জন্য খসড়া অস্থায়ী অ্যাজেন্ডা এবং শীর্ষ সম্মেলন ঘোষণার খসড়াও চূড়ান্ত করেন। যা আগামীকাল অনুষ্ঠেয় আসন্ন শীর্ষ সম্মেলনে বিবেচনা করা হবে।
বিমসটেকের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ঢাকায় ২১তম বিমসটেক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক আয়োজনে সম্মত হয়েছেন। ২০তম বিমসটেক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের প্রতিবেদন গ্রহণের মাধ্যমে বৈঠকটি শেষ হয়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস শুক্রবার ব্যাংককে সদস্যভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন।