হঠাৎ হেঁচকি ওঠে কেন, উপায় কী

জীবনযাপন ডেস্ক
জীবনযাপন ডেস্ক
শেয়ার
হঠাৎ হেঁচকি ওঠে কেন, উপায় কী
সংগৃহীত ছবি

আমাদের মধ্যে অনেকেরই আচমকা হেঁচকি ওঠার সমস্যা দেখা যায়। আর একথা সত্যি যে একবার হেঁচকি উঠলে সহজে থামতে চায় না। এই সমস্যা কমানোর কোনো ওষুধও নেই। তবে কয়েকটি ঘরোয়া কৌশলে কিংবা টোটকার সাহায্যে হেঁচকি ওঠার সমস্যা কমানো সম্ভব।

অনেকে বলেন, হেঁচকি উঠতে শুরু করলে নাক টিপে ধরে কিছুক্ষণ শ্বাস বন্ধ করে রাখতে পারলে হেঁচকি ওঠা থেকে যায়। অনেকের এই টোটকায় কাজ হলেও সকলেরই যে এভাবে হেঁচকি ওঠার সমস্যা কমবে তা কিন্তু না। হেঁচকি উঠার একাধিক কারণ রয়েছে। কী সেই কারণগুলো, চলুন জেনে নেওয়া যাক।

আরো পড়ুন
গরমে আখের রস খেলে কী ক্ষতি

গরমে আখের রস খেলে কী ক্ষতি

 

হেঁচকি ওঠার কারণ

তাড়াতাড়ি খাবার বা পানি খেলে, খুব ঝাল, মশলাদার খাবার খেলে, চুইংগাম চেবানোর সময় কিংবা ধূমপানের সময় একসঙ্গে অনেকটা শ্বাস নিয়ে ফেললে হেঁচকি উঠতে পারে। এ ছাড়া অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করলে, খুব গরম খাবার খেলে, কার্বোনেট যুক্ত পানীয় খাওয়ার সময়, আচমকা তাপমাত্রার পরিবর্তনে, কোনো কারণে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে গেলে, উদ্বেগে থাকলে, স্ট্রেস হলেও হঠাৎ করে হেঁচকি ওঠার সমস্যা দেখা যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানুষের খেতে বসেই হেঁচকি ওঠে। তখন প্রাথমিকভাবে সকলেই পানি খেয়ে নেন।

এর জেরে হেঁচকি ওঠার সমস্যা কমার পরিবর্তে বেড়েও যেতে পারে।

হেঁচকির সমস্যা কমাতে সাহায্য করে এলাচ 

হেঁচকির সমস্যা কমাতে সাহায্য করে এলাচ। এই মশলার রয়েছে আরো অনেক গুণ। হেঁচকি কমাতে কিভাবে এলাচ ব্যবহার করবেন? দেখে নিন। 

  • হেঁচকি উঠলে হাতের কাছে এলাচ থাকলে অল্প একটু ভেঙে বা ছোট এলাচ একটা গোটা চিবিয়ে নিন।
সমস্যা কমে যাবে। হাল্কা গরম পানিতে এক চামচ এলাচ গুঁড়া মিশিয়ে তারপর ভালোভাবে ছেঁকে নিন। কয়েকদিন খেলেই কমবে হেঁচকির সমস্যা।
আরো পড়ুন
পড়তে বসলেই সন্তান ঘুমিয়ে পড়ে? এনার্জি পেতে কী খাওয়াবেন

পড়তে বসলেই সন্তান ঘুমিয়ে পড়ে? এনার্জি পেতে কী খাওয়াবেন

 
  • পুদিনা পাতা আর এলাচ পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে সেটাও খেতে পারেন হেঁচকি কমানোর জন্য।
  • এমনিতে এলাচ চিবিয়ে খাওয়া একটু অস্বস্তিকর। তাই গুঁড়া করে নিন এলাচের বীজ। সেটাই গরম পানিতে মিশিয়ে খান। 
  • এলাচের গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন। তারপর ১৫ মিনিট রেখে ছেঁকে নিন। এরপর হাল্কা গরম থাকতেই খেয়ে নিন। এলাচ ‘আদা’ গোত্রের উপকরণ। এর মধ্যে থাকা এসেন্সিয়াল অয়েল বদহজমের সমস্যাও কমায়। 

এ ছাড়া ক্রমাগত হেঁচকি থেকে মুক্তি পাওয়ার আরো একটি উপায় হলো শ্বাস প্রশ্বাস ব্যায়াম। হেঁচকি বন্ধ করার দ্রুততম উপায়গুলোর মধ্যে একটি হলো এটি। এটি আপনার ডায়াফ্রামের খিঁচুনিগুলোকে শিথিল করে। 

  • ধীরে ধীরে এবং গভীরভাবে শ্বাস নিন। এভাবে ৫ সেকেন্ড শ্বাস নিন এবং ৫ সেকেন্ড শ্বাস ছাড়ুন।
  • একটি দীর্ঘশ্বাস নিন এবং ১০-২০ সেকেন্ড ধরে রাখুন।
  • একটি কাগজের ব্যাগে শ্বাস নিন। এটি শ্বাস নেওয়া ও শ্বাস ছাড়া নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
  • আপনার হাঁটু আলিঙ্গন করুন এবং ডায়াফ্রামে চাপ দিন।
আরো পড়ুন
ভালো খেজুর চিনবেন যেভাবে

ভালো খেজুর চিনবেন যেভাবে

 

তবে অতিরিক্ত হেঁচকির সমস্যা হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

প্রতিদিন ১০০ গ্রাম কাঠবাদাম খেলে শরীরের যে উপকার

জীবনযাপন ডেস্ক
জীবনযাপন ডেস্ক
শেয়ার
প্রতিদিন ১০০ গ্রাম কাঠবাদাম খেলে শরীরের যে উপকার
সংগৃহীত ছবি

খাদ্যরসিকরা কোনো নতুন সুস্বাদু খাবারের সন্ধান পেলেই তার দিকে হাত বাড়ান। তেমনই একটি খাবার কাঠবাদাম। আগে বিশেষ প্রচলন না থাকলেও এখন প্রতিটি ঘরে ঘরে এই বাদাম খাওয়ার বেশ চল হয়েছে।

কাঠবাদাম বা আমন্ড মূলত মধ্যপ্রাচ্যে উৎপাদিত হয়।

এর বৈজ্ঞানিক নাম প্রুনাস অ্যামিগডালাস। অন্যান্য বাদামের তুলনায় আমন্ড পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং স্বাস্থ্যের জন্যও খুবই উপকারী।

কী উপকার কাঠবাদামে

  • কাঠবাদাম খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে।
  • এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • ত্বক ও চুলের জন্য খুবই উপকারী আমন্ড।
  • আরো পড়ুন
    চিনি খাওয়া এতটা খারাপ কেন

    চিনি খাওয়া এতটা খারাপ কেন

     

    ১০০ গ্রাম কাঠবাদাম থেকে কী কী পুষ্টিগুণ পাওয়া যেতে পারে, দেখে নেওয়া যাক—

    • ক্যালরি প্রায় ৫৭৮ কিলোক্যালরি শক্তি
    • প্রোটিন প্রায় ২২ গ্রাম
    • ফ্যাট প্রায় ৫০ গ্রাম (বেশিরভাগই স্বাস্থ্যকর ফ্যাট)
    • কার্বোহাইড্রেট প্রায় ২১ গ্রাম
    • ফাইবার প্রায় ১২ গ্রাম
    • ভিটামিন ই দৈনিক চাহিদার ৩৭% বেশি
    • ম্যাগনেসিয়াম দৈনিক চাহিদার প্রায় ১৯% বেশি
    • অন্যান্য ভিটামিন ও খনিজ- ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, থায়ামিন, নিয়াসিন ও রাইবোফ্লেভিন।
    আরো পড়ুন
    ওজন-ডায়াবেটিস, দুটিই নিয়ন্ত্রণে রাখবে এই ফল

    ওজন-ডায়াবেটিস, দুটিই নিয়ন্ত্রণে রাখবে এই ফল

     

    এ ছাড়া কাঠবাদাম অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, যা শরীরের কোষগুলোকে ফ্রি-র‍্যাডিক্যালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। কাজেই নিয়ম করে কাঠবাদাম খেলে শরীরের ভালোই হয়।

    তবে একটি কথা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, সবার শরীর সমান নয়। কারো কারো ক্ষেত্রে বেশি আমন্ড খাওয়া ক্ষতিকরও হতে পারে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে এই বাদাম যোগ করার আগে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করে নেবেন।

    সূত্র : আজকাল

    মন্তব্য

    শুধু সানস্ক্রিন নয়, গরমে ত্বকের যত্নে আরো যা করতে হবে

    জীবনযাপন ডেস্ক
    জীবনযাপন ডেস্ক
    শেয়ার
    শুধু সানস্ক্রিন নয়, গরমে ত্বকের যত্নে আরো যা করতে হবে
    সংগৃহীত ছবি

    গরমকালে ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। এ সময় বাইরে বের হলে অবশ্যই নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু ত্বকের যত্নে সেটাই যথেষ্ট নয়। গরমের মৌসুমে ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে করতে হবে আরো অনেক কিছু।

    স্ক্রাব করুন

    গরমের দিনে নিয়মিত ত্বকে স্ক্রাব করুন। ঘরোয়া উপকরণের সাহায্যে স্ক্রাব করতে পারলে ভালো। দুধের সর, হলুদ, মধু, অলিভ অয়েল মিশিয়ে সেই মিশ্রণ দিয়ে স্ক্রাব করতে পারেন। মেশাতে পারেন টক দইও।

    ট্যানের সমস্যা দূর হবে অল্পদিনেই।

    ময়শ্চারাইজার

    গরমকালে ত্বকে ক্রিম, ময়শ্চারাইজার ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে একটু হাল্কা ধরনের ক্রিম কিংবা ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করলে ভালো। না হয় ঘামের জেরে ত্বক চিটচিটে হয়ে যেতে পারে।

    আরো পড়ুন
    চুইংগাম চিবানোতে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি

    চুইংগাম চিবানোতে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি

     

    গরমকালে সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার স্ক্রাব করুন। আর স্ক্রাবিংয়ের পর অবশ্যই ময়শ্চারাইজার বা ক্রিম লাগাতে ভুলবেন না। না হয় ত্বক খুব রুক্ষ, শুষ্ক হয়ে যাবে।

    ফেসপ্যাক

    গরমের মৌসুমে সহজেই ত্বকে ট্যান পড়ে যায়। মুখে ও গলার অংশে ফেসপ্যাক ব্যবহার করুন, যার সাহায্যে কালচে দাগছোপ সহজে দূর হবে।

    টক দইয়ের সঙ্গে অল্প একটু হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে মেখে নিলেই অনেক উপকার পাবেন।

    ফেসমাস্ক

    যাদের ত্বক এমনিতেই রুক্ষ, শুষ্ক প্রকৃতির তারা গরমের দিনে ফেসমাস্ক ব্যবহার করুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১৫ মিনিট মুখে ওই ফেসমাস্ক লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠাণ্ডা পানিতে মুখে ধুয়ে ঘুমাতে যান। ত্বক থাকবে মোলায়েম ও উজ্জ্বল।

    আরো পড়ুন
    মাথা ব্যথা মানেই কি মাইগ্রেনের সমস্যা?

    মাথা ব্যথা মানেই কি মাইগ্রেনের সমস্যা?

     

    ফেসমিস্ট

    গরমকালে অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে অনেক সময় জ্বালা ভাব অনুভূত হয়। এক্ষেত্রে ফেসমিস্ট ব্যবহার করলে উপকার পাবেন সবচেয়ে বেশি। এতে ত্বকে একটা ঠাণ্ডা অনুভূতির সঙ্গে অনেকটা রিফ্রেশ লাগবে।

    বছরের অন্যান্য মৌসুমের মতো গরমকালেও ভালোভাবে ত্বক পরিষ্কার রাখা জরুরি। না হয় ময়লা জমে ব্রণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর পাশাপাশি হতে পারে র‍্যাশ, চুলকানিও।

    যেহেতু গরমে ঘাম হয় বেশি, তাই ত্বকের কিছু অংশ নির্দিষ্ট ভাবে পরিষ্কার করা জরুরি। যেমন মুখের ক্ষেত্রে নাকের চারপাশ পরিষ্কার করে রাখা উচিত।

    আরো পড়ুন
    ওজন-ডায়াবেটিস, দুটিই নিয়ন্ত্রণে রাখবে এই ফল

    ওজন-ডায়াবেটিস, দুটিই নিয়ন্ত্রণে রাখবে এই ফল

     

    গরমকালে সেনসিটিভ স্কিনের ক্ষেত্রে অনেক সময়েই বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এসব সমস্যা অবহেলা না করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। নয়তো ত্বকের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

    সূত্র : এবিপি লাইভ

    মন্তব্য

    যেসব খাবার কখনোই ফ্রিজে রাখবেন না

    জীবনযাপন ডেস্ক
    জীবনযাপন ডেস্ক
    শেয়ার
    যেসব খাবার কখনোই ফ্রিজে রাখবেন না
    সংগৃহীত ছবি

    ফ্রিজ আমাদের রান্নাঘরের অতি প্রয়োজনীয় সঙ্গী। এটি খাবারকে তাজা রাখে ও আমাদের সময় বাঁচায়। তবে কিছু খাবার আছে, যা ফ্রিজে রাখলে তাদের গুণাগুণ কমে যায় বা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে। 

    চলুন, জেনে নেওয়া যাক কোন খাবারগুলো ফ্রিজে রাখা উচিত নয়।

     

    আলু
    ঠাণ্ডা তাপমাত্রা আলুর স্টার্চকে চিনিতে পরিণত করতে দ্রুত সাহায্য করে। যা আলুর স্বাদ ও গুণগত মানের জন্য ভালো নয়। আলু সব সময় শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন। আলু ফ্রিজে না রেখে কক্ষ তাপমাত্রায় অর্থাৎ রান্নাঘরেই রাখুন।

    কলা
    কলা ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। ঠাণ্ডা তাপমাত্রা কলা নষ্ট করে দিতে পারে। কলা রক্তচাপের জন্য ভালো, তাই কলা খেলে উপকার পাবেন।

    আস্ত তরমুজ
    তরমুজ ফ্রিজে ভালো থাকে না।

    ফ্রিজে রাখলে তরমুজ দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই আস্ত তরমুজ একটি শীতল, শুকনো স্থানে রাখুন। যখন তরমুজ কেটে খাওয়ার জন্য প্রস্তুত, তখনই এটি রেফ্রিজারেটরে রাখা যেতে পারে।

    তুলসী
    তুলসী একটি জনপ্রিয় ভেষজ, যা ঠাণ্ডা জায়গায় রাখা হলে তার গন্ধ ও গুণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। পানির মধ্যে রেখে এটি সংরক্ষণ করতে পারেন।

     

    পেঁয়াজ
    পেঁয়াজ গরম জায়গায় ভালো থাকে এবং বাতাস চলাচল প্রয়োজন। পেঁয়াজের সঙ্গে আলু রাখলে পেঁয়াজ দ্রুত পচতে পারে। তাই পেঁয়াজ ও আলু আলাদা জায়গায় রাখুন এবং ফ্রিজ থেকে দূরে রাখুন।

    কফি
    কফি ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। কফি ঠাণ্ডা, আর্দ্র ও খাবারের গন্ধ থেকে দূরে রাখতে হবে। ফ্রিজে রাখলে কফির স্বাদ কমে যেতে পারে। এটি একটি এয়ারটাইট কনটেইনারে এবং রোদ থেকে দূরে রাখুন।

    রসুন
    রসুন ফ্রিজে রাখলে এটি দ্রুত শিকড় বের করতে শুরু করে আর্দ্রতা ও মোল্ড সৃষ্টি হতে পারে। তাই রসুন একটি শুকনো, গরম স্থানে রাখুন।

    সস
    সসের মধ্যে ভিনেগার থাকে। যা তাড়াতাড়ি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কমায়। তবে ফ্রিজে রাখলে সসের গুনাগুণ কমে যেতে পারে। তাই সস সাধারণত ফ্রিজের বাইরেই রাখুন।

    রুটি
    রুটি ফ্রিজে রাখলে দ্রুত পুরনো হয়ে যায় এবং খেতে কঠিন হয়ে যায়। রুটি সাধারণত কক্ষ তাপমাত্রায় রাখুন। তবে ফ্রোজেন রুটি হলে রাখতে পারেন।

    মধু
    মধু দীর্ঘদিন ভালো থাকে যদি এটি এয়ারটাইট কনটেইনারে রাখা হয়। ফ্রিজে রাখলে মধুর আসল স্বাদ ধীরে ধীরে নষ্ট হতে শুরু করে। এ ছাড়া মধু চিনি হয়ে যায়। তাই মধু কক্ষ তাপমাত্রায় রাখুন।

    পিনাট বাটার
    পিনাট বাটার ফ্রিজে রাখলে তা শক্ত হয়ে যায় এবং মাখতে কষ্ট হয়। পিনাট বাটার সাধারণত রান্নাঘরের তাকে রাখুন। 

    আচার
    আচার ফ্রিজে রাখলে তার স্বাদ কমে যায়। একটি এয়ারটাইট কনটেইনারে আচার সংরক্ষণ করুন।

    সয়া সস
    সয়া সস ফ্রিজে রাখলে এর প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ কমে যায়। তাই সয়া সস রান্নাঘরের তাকে রাখুন।

    ডিম
    ডিম ফ্রিজে রাখা উচিত কিনা, এ বিষয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবে ফ্রিজের বাইরে রাখলে ডিমের স্বাদ ও টেক্সচার ভালো থাকে। আর ফ্রিজে রাখলে এর খোসার মেয়াদ বাড়ানো যায়। আপনি যেভাবে পছন্দ করেন, সেভাবেই রাখুন।

    সূত্র : কারনভেলস

    প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    মাথা ব্যথা হতে পারে উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ, সতর্ক থাকুন

    জীবনযাপন ডেস্ক
    জীবনযাপন ডেস্ক
    শেয়ার
    মাথা ব্যথা হতে পারে উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ, সতর্ক থাকুন
    সংগৃহীত ছবি

    উচ্চ রক্তচাপকে নীরব ঘাতক বলা হয়। হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনির সমস্যা ও অন্যান্য গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করতে পারে উচ্চ রক্তচাপ। তাই নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকের ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের কারণে মাথাব্যথা হতে পারে, যা সাধারণ মাথাব্যথার থেকে কিছুটা আলাদা।

    মাথার পেছনে ব্যথা: উচ্চ রক্তচাপের কারণে মাথাব্যথা সাধারণত মাথার পেছনে অনুভূত হয়।

    স্পন্দিত ব্যথা: এই ব্যথা অনেকটা বুকের ধুকপুক করার মতো স্পন্দিত হতে পারে।

    তীব্র ব্যথা: উচ্চ রক্তচাপের কারণে মাথাব্যথা বেশ তীব্র হতে পারে।

    অন্যান্য উপসর্গ: মাথাব্যথার সঙ্গে আরো কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যেমন- ঝাপসা দৃষ্টি, মাথা ঘোরা, বমি ভাব, বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট।

    সকালের দিকে ব্যথা: সাধারণত এই ব্যথা সকাল বেলায় বেশি অনুভূত হয়।

    তবে মনে রাখা জরুরি যে, অনেক সময় উচ্চ রক্তচাপের কারণে মাথাব্যথা নাও হতে পারে। আবার সাধারণ মাথাব্যথাতেও উপরের লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারে। তাই নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা এবং অস্বাভাবিকতা দেখলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    সূত্র : আজকাল

    মন্তব্য

    সর্বশেষ সংবাদ