স্বামীকে লুকিয়ে রেখে অপহরণ ও গুমের অভিযোগে মামলা দিয়ে নিজ মেয়ে জামাইকে ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত ওই শাশুড়ি নাম মোসা. লাইলী বেগম (৫৪)। তিনি উপজেলার দক্ষিণ রামনা এলাকার আব্দুল খালেকের স্ত্রী।
আজ শুক্রবার (২৮ মার্চ) সকালে মামলার বাদী লাইলী বেগমের স্বামীকে বামনা থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা কাজলার পাড় থেকে উদ্ধার করেছে।
আরো পড়ুন
বরিশালে দুই সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় থানায় মামলা
জানা গেছে, গত বছর ১৫ অক্টোবর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অপহরণ ও গুমের অভিযোগ এনে নিজ মেয়ে ও মেয়ে জামাইসহ ৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে শাশুড়ি লাইলী বেগম। মামলার আসামিরা হলেন—মেয়ে জামাই উপজেলার দক্ষিণ কাকচিরা গ্রামের মো. হুমায়ুন হাওলাদার (৩৫), মেয়ে ডলি আক্তার (৩০), আল-আমীন (২৮), মুন্নি বেগম (২৩), রাসেল খান (২৬) ও শামীম (২৩)।
মামলার প্রথম আসামি মো. হুমায়ুন হাওলাদার অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে শ্বশুরবাড়ির কয়েকজন আত্মীয়র সাথে তার বিরোধ চলছিল। একারণে তারা কৌশলে তাকে ফাঁসানোর জন্য তার শ্বশুরকে লুকিয়ে রেখে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে।
জামাতা হুমায়ুন হাওলাদার বলেন, আমাকে মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসানোর পরে আমি শ্বশুরের অবস্থান জানতে খোঁজ নিতে শুরু করি। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করার পর তার অবস্থান জানতে পারি। আমি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি আমার বিরুদ্ধে মামলার প্রধান স্বাক্ষী তার ছেলে মামুনের কাছে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর কাজলার পাড় এলাকায় রয়েছেন তিনি। সেখানে একটি খামারে তিনি চাকরি করছেন।
আমি অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পরেই বিষয়টি বামনা থানায় জানালে বামনা থানা পুলিশ যাত্রাবাড়ীর থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।
আরো পড়ুন
ধানমণ্ডিতে ডাকাত ধরতে পুলিশকে সহায়তা করে পুরস্কৃত ৬ জন
বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.হারুন অর রশিদ হাওলাদার জানান, দীর্ঘদিন হুমায়ুনের সঙ্গে তার শালি শিরিনের পারিবারিক কোন্দলের সৃষ্টি হয়। শিরিন তার বাবা খালেককে সরিয়ে রেখে কোর্টে একটি সিআর গুম মামলা করে। কোর্ট থেকে সরাসরি উদ্ধারের জন্য আমাদের একটি আদেশ দেয়। সেই আদেশের আলোকে আমাদের এসআই উওম কুমার দাস তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঢাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে।